ঢাকা, বুধবার 15 August 2018, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৫, ৩ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সাপাহারে কোরবানী পশুর হাটগুলো জমে উঠেছে

সাপাহার সদর পশুরহাটে ছিল ক্রেতা-বিক্রেতা ও দেশীয় গবাদী পশুর ব্যাপক সমাহার

আদম আলী, সাপাহার (নওগাঁ) সংবাদদাতা: নওগাঁর সাপাহার উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে এবারে ভারতীয় গরু আমদানী না হওয়ার কারনে আসন্ন কোরবানীর ঈদ কে সামনে রেখে উপজেলার পশুর হাটগুলোতে খামারীদের দেশী গরুর বিপুল সমাহার দেখা গেছে। উল্লেখ্য যে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠোর নজরদারীর কারণে ভারত থেকে গবাদী পশু না আসায় খামার মালিকগণ তাদের পোষা গবাদীপশু বিক্রি করে অধিক লাভের মুখ দেখছে বলে একাধিক খামারী জানান।
বিগত বছর গুলোতে ভারতীয় গবাদীপশু আমদানীর এক মাত্র প্রধান রুট হিসেবে সাপাহার উপজেলার হাপানিয়া,  কলমুডাঙ্গা, আদাতলা, বামনপাড়া, সুন্দরইল, সোনাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধ ও বৈধ পথে ব্যাপক হারে ভারতীয় গবাদীপশু বাংলাদেশে আমদানী করা হত। যে কারনে কোরবানীর জন্য গবাদী পশু ক্রয় বিক্রয়ে এ উপজেলার সীমান্তবর্তী মিরাপাড়া দিঘীর হাট, উমইল হাট, ও সাপাহার সদর পশুর হাট দেশের লোকজনের নিকট ব্যাপক ভাবে পরিচিত হয়ে আছে। চলতি মৌসুমে ভারতীয় গবাদী পশুর আমদানী না থাকায় উপজেলার পশুর হাটগুলোতে খামার ও  স্থানীয় ভাবে পালনকৃত দেশী গরুর আমদানী হয়েছে। হাটে ক্রেতা সাধারণ তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দ মত কোরবানীর জন্য গবাদী পশু গরু, ছাগল, বেড়া ক্রয় করতে পারছে। বর্তমানে ভারতীয় গবাদীপশুর আমদানী আশানুরুপ ভাবে না থাকায় ক্রেতাদের বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামে কোরবানীর জন্য দেশী পশু ক্রয় করতে হচ্ছে। তার পরেও গত বছরের তুলনায় এবার হাটে গবাদীপশুর দাম অনেকটা কম রয়েছে। ক্রেতারা বলছেন গত বছর যে গরুটি ১ লক্ষ টাকায় ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে তা এবার ৭৫/৮০হাজার টাকায় বেচা কেনা হচ্ছে। ভারতীয় গবাদীপশুর আমদানী না থাকায় এবার খামারীগন তাদের পোষা গবাদীপশুর মোটামুটি ভাবে ভাল দাম পাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ