ঢাকা, শুক্রবার 17 August 2018, ২ ভাদ্র ১৪২৫, ৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ছড়া

টোকাইয়ের ঈদ

শরীফ সাথী

 

ক্ষুধার জ্বালায় দিনে রাত্রে

হয়ে আছি কাবু,

একটি জামা দাওনা কিনে

ওগো ধনী বাবু।

 

পথেই আমরা ঘুরিফিরি

পথেই করি বাস,

টোকাই বলে কত জনে

করে উপহাস।

 

সবার মত ঈদের দিনে

নতুন পোশাক চাইতো,

বারেবারে ঘুরছি দ্বারে

দু'হাত পেতে তাইতো।

 

ঈদের খুশি সবার সাথে

ভাগাভাগি করতে,

পাখির মত বেরিয়েছি

এগাঁ সেগাঁ চরতে।

 

ঈদের দিন

মোহাম্মদ নূর আলম গন্ধী

 

ঘরে ঘরে খুশির আমেজ

খুশির ছড়াছড়ি

বাধ ভাঙা আনন্দেরই

মহা গড়াগড়ি।

 

দিনটি যে আজ অন্যরকম

নতুন কিছু চাওয়ার

কাঁধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে

সম্প্রীতির গান গাওয়ার।

 

ছোট বড় সবার আপন

সবার প্রিয় দিন

প্রতীক্ষিত দিন টি যে ভাই

সেতো ঈদের দিন।

 

ঈদের ছুটি

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

 

ঈদের ছুটি পেয়ে সবাই

ফিরছে গ্রামের বাড়ি,

গ্রামের ছবি দেখার তরে

খুঁজছে নানান গাড়ি।

পিতা-মাতা সবার সাথে

করবে খুশির ঈদ,

গ্রামের বাড়ি আসবে বলে

দু'চোখে নাই নিঁদ।

ঈদের সময় টিকিট নিতে

শত লোকের ভিড়,

টিকিট হাতে পেলেই বুঝি

পাচ্ছে সুখের নীড়।

সারা দেশে ছড়িয়েছে

খুশির ঈদের হাওয়া,

ঈদের দিনে বিভেদ ভুলে

সাম্যের গান গাওয়া।

 

শ্রাবণধারা

ফরিদুল মাইয়ান

 

ঘন ঘন কালো মেঘ ঝম ঝম বৃষ্টি

থেকে থেকে নেমে পড়ে শ্রাবণের কৃষ্টি।

থোকা থোকা ফোটে ফুল কদম ও কেয়া 

ধীরে ধীরে মাঝি বায় ঘাটেরও খেয়া।

 

কেকা কেকা রব করে ময়ুরেরা নাচে

ঝর ঝর পানি পানে চাতকেরা বাঁচে।

তাপে তাপে পাতা যায় ঋতু ভেদে ঝরে

ঘন ঘন বরষায় সবুজেতে ভরে।

 

মাছে মাছে খেলা করে নব ধারা জলে

হেঁটে হেঁটে হাটে যায় হাটুরের দলে। 

প্যাঁক প্যাঁক হাঁস ডাকে ঢেউ তোলা পুকুরে

কালো কালো কাক বসে গা ঝাড়ে দুপুরে।

 

হাসি হাসি মুখ নিয়ে কিষাণেরা মাঠে

খুশি খুশি মনে তারা কাদা মাটি ঘাঁটে।

হাতে হাতে রুয়ে দেয় ছোট ছোট পাতো

ধানে ধানে ভরে যাবে মনে আশা কতো।

 

থই থই ভরে ওঠে নদ-নদী খাল

ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ ধরে জেলেদের জাল।

বাঁকে বাঁকে চলে নাও তুলে দিয়ে পাল

তালে তালে গান গায় ধরে মাঝি হাল।

 

ভেজা ভেজা বাতাসে পাখি করে খেলা

থরে থরে ভেসে যায় মেঘেদের ভেলা।

বার বার দেখি আমি বরষার রূপ 

দেখে দেখে কবি মন থাকে নাতো চুপ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ