ঢাকা, শুক্রবার 17 August 2018, ২ ভাদ্র ১৪২৫, ৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কাতারের বিনিয়োগের ঘোষণায় বেড়ে গেছে তুর্কি লিরার দাম

১৫ আগস্ট, আল জাজিরা/ আনাদোলু : তুরস্কের অর্থনীতিকে পুনরায় স্থিতিশীল করতে ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে কাতার। তাঁর এ ঘোষণার পরপরই বেড়ে যায় তুরস্কের মুদ্রা লিরার দাম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুর্কি ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম পণ্যের ওপর শুল্কারোপ দ্বিগুণের ঘোষণা দেয়ার পর লিরার দাম ব্যাপকভাবে পড়ে যায়।

বুধবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে বৈঠকের পর কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানি নতুন এ বিনিয়োগের এই ঘোষণা দেন।

গত কয়েকদিনে ডলারের বিপরীতে লিরার দাম প্রায় ৪৫ শতাংশ কমে যা। কাতারের ঘোষণায় সে পার্থক্য এখন মাত্র ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশে কমে এসেছে।

এ বিনিয়োগের ঘোষণা প্রসঙ্গে হামিদ আল থানি জানান, তুরস্কের ভাইদের পাশে দাঁড়িয়েছি, একইসাথে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে পাশে দাঁড়াবে কাতার।

এরদোগানের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র ইব্রাহিম কলিন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, কাতারের আমিরের এ সফরকে আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি। তুরস্কের দু:সময়ে কাতার আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। কাতারের রাষ্ট্রদূত সালিম বিন মুবারাক আল শফি জানান, কাতারের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্কের গভীরতা এ সফরের মধ্যে দিয়ে উঠে এসেছে। এর আগে ২০১৬ সালের অভ্যুত্থানের সময় তুরস্কের পাশে ছিল কাতার। একইভাবে ভবিষ্যতেও তুর্কিদের পাশে থাবে কাতার।

তুরস্ককে সমর্থন দিলেন জার্মান চ্যান্সেলর:  আমেরিকা ও তুরস্কের চলমান টানাপড়েনের মধ্যে আঙ্কারার প্রতি সমর্থন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। বুধবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোগানের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল তুরস্কের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফরের মধ্যদিয়ে সে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়া হবে। তুরস্কের বার্তা সংস্থা এ খবর দিয়েছে।

 সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান জার্মানি সফরে যাবেন। এছাড়া, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তুরস্কের অর্থমন্ত্রী বেরাত আলবায়রাকের সঙ্গে জার্মান অর্থমন্ত্রী পিটার আল্তমেয়ারের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, বুধবার ফোনালাপের সময় জার্মান চ্যান্সেলর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জার্মানির স্বার্থেই তুরস্কের শক্তিশালী অর্থনীতি দরকার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন তুরস্কের পণ্যের ওপর নানারকম বাড়তি শূল্ক আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং আংকারার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন তখন মারকেল তুরস্কের প্রতি এই সমর্থন দিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ