ঢাকা, শুক্রবার 17 August 2018, ২ ভাদ্র ১৪২৫, ৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজধানীতে বসেছে কুরবানির পশুর হাট 

* উত্তর সিটির আফতাব নগরে দক্ষিণ সিটির হাট বসানোর অভিযোগ

তোফাজ্জল হোসেন কামাল : কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে অস্থায়ী পশুর হাট দলীয় সিন্ডিকেটের কবলমুক্ত হতে পারেনি এবারও। বরং তাদেরকে সহযোগিতা করতেই নানা ছুঁতোয় সময় ক্ষেপণ করে দক্ষিণের ৮ টি হাটের ইজারাদারদেরকে দরপত্রের বাইরে রেখে পশু বিক্রির টাকা (হাসিল) আদায়ের জন্য ‘খাস’ পদ্ধতিই বেছে নেয়া হয়েছে অবশেষে। এমন অভিযোগ ওই হাটগুলোর ইজারা প্রক্রিয়া শুরুর পরই করা হয়েছিল,যা দিন কয়েক বাদেই বাস্তবে রুপ পেল। সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেয়ার কারণে কোন প্রকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করছেন না রাজধানীর অস্থায়ী কুরবানির হাট ইজারা দারেরা। নির্ধারিত সময়ের আগেই এমন কি কোন কোন স্থানে অনুমোদন ছাড়াই হাট প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। হাটগুলোতে বাঁশের খুঁটি, গেট ও তোরণ নির্মাণের কাজ শেষ হয়ে গেছে দুই তিনদিন আগেই। কোনো কোনো হাটে গরু নিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের পরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে খাস আদায়ের জন্য ৮টি হাটের আনুমোদন দেয়ার মাধ্যমে লোক দেখানো আইনি প্রক্রিয়ার কাজ শেষ হয়েছে। নতুন এ ৮টি হাটেও গতকাল পশু উঠতে দেখা গেছে। অথচ নিয়ম অনুযায়ি ঈদের ৬ দিন আগে হাট প্রস্ততি শুরু করার কথা। ঈদের দিনসহ মোট ৪দিনের জন্য ২৪টি হাটের ইজারা দিয়েছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। এর মধ্যে ১৬টি হাটের টেন্ডার প্রক্রিয় শেষ করে সর্বোচ্চ দরদাতাকে এবং ৮ হাটের খাস আদায়ের জন্য দেয়া হয়েছে। খাস আদায়ের জন্য দেয়া ৮টি হাটই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় বসানোর অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে খাস আদায়ের জন্য দেয়া নতুন ৮টি হাটের মধ্যে রয়েছে, ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে, ৩২ নং ওয়ার্ডের সামসাবাদ মাঠ সংলগ্ন সিটি কর্পোরেশনের খালি জায়গায়, ৩৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে, লিটিল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন বালুর মাঠ ও কমলাপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন বিশ্বরোডের আশে পাশের খালি জায়গায় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে শনির আখড়া ও দনিয়া মাঠ সংলগ্ন আশেপাশের খালি জায়গায়, ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে ধুপখোলা মাঠ সংলগ্ন আশে পাশের খালি জায়গায়, ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকার কাউয়ার টেক মাঠ সংলগ্ন আশে পাশের খালি জায়গায়, ৩০ লাখ টাকা নির্ধাণর করে গোলাপবাগ মাঠ সংলগ্ন আশে পাশের খালি জায়গায়, ৫৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে দাওকান্দি ইন্দুলিয়া ভাগাপুর নগর (মেরাদিয়া মৌজা) লোহারপুলের পূর্ব অংশ এবং খোলা মাঠ সংলগ্ন আশে পাশের খালি জায়গায়, ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করে আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গায়।

ডিএসসিসি’র নতুন ৮টি হাটের মধ্যে, দাওকান্দি ইন্দুলিয়া ভাগাপুর নগর (মেরাদিয়া মৌজা) লোহারপুলের পূর্ব অংশ এবং খোলা মাঠ সংলগ্ন আশে পাশের খালি জায়গার হাটটি উত্তর সিটি কর্পোরেশনের এলাকায় পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিএনসিসি’র সম্পত্তি বিভাগ থেকে জানা গেছে, এই হাটটি উত্তর সিটি আফতাবনগর এলাকায় পড়েছে। এখানো গত বছর হাট বসেছিল। কিন্তু এ হাটটি নিয়ে বিশৃংখলার আশংকা থেকে এবছর ডিএনসিসি’র প্যানেল মেয়র ওসমান গণি এখানে হাট বসানো থেকে বিরত ছিলেন। এ সুযোগে দক্ষিণ সিটি তার অংশে হাটের অনুমোদন দিয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে গতকাল যে ৮টি হাটের অনুমোদন দিয়েছে তার একটি হাট আমাদের এলাকার আফতাব নগরে পড়েছে। শুধু তাই নয় গাজীপুর থেকেও অনুমোদন দেয়া একটি হাট উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় পড়েছে। এই দুইটি হাট যেন উত্তর সিটি এলাকায় বসতে না পরে সে বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন ও আইন শৃংখলা বাহিনীকে অবহিত করেছি। তারা যেন যথাযথ ব্যবস্থা নেয় সে বিষয়ে তাদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে।   

দুই সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত হাট প্রস্তুতির কাজ করার অনুমোদন কোন ইজারাদরদেরকে দেওয়া হয়নি। ঈদের ৬/৭দিন আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করতে পারে তারা। তবে এরইমধ্যে সব অস্থায়ী পশুর হাটের প্রস্তুতি শেষ হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ি ১৯ আগস্ট থেকে ঈদের দিন পর্যন্ত অস্থায়ী হাটগুলো বসবে। আর এর দুই দিন আগে অর্থাৎ ১৭ আগস্ট থেকে প্রস্তুতি শুরু করবে। এমন শর্তেই অস্থায়ী পশুর হাটগুলো বসানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। এই শর্ত না মানলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বিলাল বলেন, নির্দিষ্ট স্থানে ঈদের দিনসহ মোট চারদিন অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি দেয়া হয়। এর দু’দিন আগে হাটের প্রস্ততি নিতে পারবেন। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটায় তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। 

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হাটের প্রস্তুতির জন্য অনেক সময় প্রয়োজন। দুই দিনে কেউ হাট প্রস্তুত করতে পারে না। তাই নিয়ম থাকলেও এ ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়া হয়। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অন্যান্য বছরের ন্যায় নিয়ম না মেনে অন্তত দুই সপ্তাহ আগে থেকে হাট বসানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে ইজারাদাররা। এরইমধ্যে কোনো কোনো হাটের প্রস্তুতি নির্ধারিত সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। অনেক জায়গায় সড়ক-মহাসড়কের পাশে খুঁটি লাগানো হচ্ছে। কাউন্টার স্থাপন, প্রচারণা, বিদ্যুৎ সংযোগসহ অন্যান্য কাজও শেষ পর্যায়ে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারীরা কোরবানীর পশু নিয়ে আসা শুরু করেছেন।

এ বিষয়ে একাধিক ইজারাদার জানান, একটি হাট প্রস্তুত করা অনেক কঠিন। হাটের প্রস্তুতি না থাকলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গুরু ব্যবসায়ীরা আসবে না। সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়ি-ক্রেতাদের উন্নত সেবা দেয়ার লক্ষ্যে আগেই কাজ শুরু করেছেন বলে জানান তারা।   

নগরবাসীর কোরবানীর পশুর চাহিদা মেটাতে প্রতি বছরই সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে অস্থায়ী হাট বসানো হয়। তবে এসব হাট বসানোর ক্ষেত্রে বরাবরই নিয়ম নীতি মানা হয় না। এরফলে ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে সীমাহীন যানজট তৈরি হয়। নিয়ম অনুযায়ি ১৯ আগস্ট থেকে অস্থায়ী পশুর হাট শুরু করার কথা। আর প্রস্তুতির কাজ শুরু করার কথা ১৭ আগস্ট থেকে। তবে সরেজমিন ঘুরে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। 

তেজগাঁও অস্থায়ী পশুর হাটে খুটি লাগানোসহ অন্যান্য কাজ শুরু হয় প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে থেকেই। শুধু এই হাটই নয় রাজধানীতে প্রায় সব জায়গাতেই নির্ধারিত সময়ের আগেই অস্থায়ী পশুর হাট বাসনোর প্রস্ততি শেষ হয়ে গেছে।

মেরিদিয়া হাটে এরইমধ্যে গরু নিয়ে আসতে শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। হাটের নির্ধারিত এলাকা ছাড়িয়ে নন্দীপাড়া বালুর মাঠেও খুঁটি লাগানো হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে পুরো মাঠে বাঁশ, খুঁটি ও তাঁবু দিয়ে তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজও শেষ হয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মেরাদিয়া অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদার হাজী শাহ আলম বলেন, বালুর মাঠে প্রস্তুতি নেওয়ায় জনসাধারণের কোনো সমস্যা হবে না। এটা উন্মুক্ত জায়গা দেখে সেখানে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তো দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসেন। তাই তাদের সুবিধার্থে এটা করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি চাড়া কেন হাট বসানোর কাজ করা হচ্ছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন অনুমতি দেয়নি ঠিক, কিন্তু ব্যবসায়ীদের জন্য তো আমার কিছু করতে হয়।

রহমতগঞ্জ খেলার মঠে ইজারাকৃত অস্থায়ী পশুর হাটেও কুরবানির পশু উঠতে শুরু করেছে। বাঁশের খুঁটিসহ আনুষাঙ্গিক কাজও শেষ হয়েছে ইতোমধ্যে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হাটটির ইজারাদার শফি মাহমুদ বলেন, খামারিরা কিছু পশু এনে রেখেছেন। এখনো কেনাবেচা শুরু হয়নি। দুয়েক দিনের মধ্যে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হবে। কামরাঙ্গির চর ইসলাম চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে বুড়িগঙ্গার পার পর্যন্ত হাটটির প্রস্তুতিও একই অবস্থা। তবে এখনে কোনো পশু উঠেনি। হাটটির ইজারাদর আবুল হোসেন জানান, সিটি কর্পোরেশন থেকে এখনো গরু উঠানোর অনুমতি দেয়া হয়নি। তাই অন্য প্রস্তুতির কাজগুলো শেষ করছেন তিনি। 

ব্রাদার্স ইউনিয়ন সংলগ্ন বালুর মাঠ ও কমলাপুর স্টেডিয়ামের আশপাশের খালি জায়গায় পশুর হাট বসানোর জোর প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়। হাটের প্রধান দুই প্রবেশ গেটে দুটি বড় তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। শ্রমিকরা সারি সারি করে বাঁশের খুঁটি ও তাঁবু স্থাপনের কাজ করছেন। বৃষ্টির কবল থেকে রক্ষার জন্য বিশেষ প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। 

নিরাপত্তায় থাকছে ব্যাপক প্রস্তুতি

রাজধানীর পশুর হাটগুলোর বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মোট পশুর হাট হবে ২৪টি। এর মধ্যে ২৩টিই অস্থায়ী।

ডিএমপির গণমাধ্যম শাখার উপ কমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে পশুর হাট বসবে ১৪টি আর উত্তর সিটি করপোরেশনে বসবে ১০টি। পুলিশ যে বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেবে তা হলো- নির্দিষ্ট দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত কোরবানীর পশু বিক্রি করা যাবে।

গরুর হাট চৌহদ্দী দিয়ে ঘেরা থাকবে। এর বাইরে বাড়ানো যাবে না। দৃশ্যমান স্থানে হাসিল বা খাজনা ঘর বসাতে হবে। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে কোনো দ্বন্ধ থাকবে না। গরুর দাম অনুযায়ী কত শতাংশ হাসিল দিতে হবে তা টাঙ্গিয়ে রাখতে হবে, বলেন ডিএমপির এই  উপকমিশনার।

মাসুদুর রহমান বলেন, পশুর হাট যারা ইজারা নেবেন তাদের বলা হয়েছে, হাট ও তার আশেপাশে সিসিটিভি বসাতে হবে, যাতে পুরো এলাকা মনিটরিং করা হয়। হাটগুলোতে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প থাকবে। এছাড়া, এবারে নতুন করে প্রতিটি হাটে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থাকবে। ব্যবসায়ীদের লেনদেন সুবিধার্থে এসব ব্যাংকের শাখা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক হাটের ব্যাংক, ইজারাদার ও পুলিশ কন্ট্রোল রুম তিন জায়গাতেই থাকবে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন।

তিনি জানান, ওয়াচ টাওয়ার থাকবে। সেখান থেকে পুরো হাট মনিটরিং করা হবে। হাটের ইজারাদারদের বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত সংখ্যক ভলান্টিয়ার রাখতে। থাকবে মানিস্কট, কেউ চাইলে পুলিশের সহায়তা নিয়ে টাকা বহন করতে পারবে। নির্দিষ্ট সংখ্যক হকার থাকবে। অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য রোধে হকারদের রাখা হয়েছে ইজারাদারদের নিয়ন্ত্রণে। যেসকল হকার হাটে আসবে তাদের যেন ইজারাদাররা চেনেন। কোনো কিছু হলে ইজারাদার যাতে সহজেই ধরে নিয়ে আসতে পারে সে ব্যবস্থা থাকবে।

তিনি বলেন, পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যবসায়ী যে হাটে যেতে চান সেই হাটের নাম ও ঠিকানা পশুবাহী ট্রাকের সামনে ব্যানার লাগিয়ে আনবেন। মাঝপথে কোনো হাটে থামানো যাবে না। কেউ জোর করতে চাইলে বা চাঁদাদাবি করলে নিকটস্থ পুলিশকে তথ্য দিতে হবে। সেই অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, সড়কে পশুর হাট বসানো যাবে না, এটা বরাবরই বলে আসা হচ্ছে। এরপরেও সড়কে হাট বসবে কি বসবে না তা দেখার জন্য সিটি করপোরেশন রয়েছে। ডিএমপির পক্ষ থেকে সিটি করপোরেশনকে বলা হয়েছে যাতে সড়কে হাট না বসে। সড়কে হাট বসলে জনগনের চলাচল সমস্যা হয়।

আরেক প্রশ্নের জবাবে মাসুদুর রহমান বলেন, পশুর হাটগুলোকে কেন্দ্র করে যাতে কোন গ্রুপ অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশও মাঠে কাজ করছে। এর আগের বছরগুলোতে গোলাগুলির ঘটনা পর্যন্ত হয়েছে। সেটা হয়েছে ইজারাদার সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে। এবার যাতে সেরকম কোনো ঘটনা না ঘটে সেজন্য কাজ করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ