ঢাকা, শুক্রবার 17 August 2018, ২ ভাদ্র ১৪২৫, ৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আগৈলঝাড়ায় পল্লীবিদ্যুৎতের ভূতুরে বিল নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা : বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পল্লী বিদ্যুৎতের আগষ্ট মাসে ভূতুরে বিলের কারনে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অন্যন্যা মাসের চেয়ে চলতি মাসে দ্বিগুণ-তিনগুণ বিদ্যুৎ বিল হাতে পেয়ে চরম ক্ষুব্ধ হয়েছে। কি কারনে এত বেশী বিল হয়েছে তা পল্লীবিদ্যুৎ এর কর্মকর্তারাও বলতে পারছেন না।

 স্থানীয় ও বিদ্যুৎ গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎতের জোনাল অফিসের আওতায় ৪১ হাজার গ্রাহকের প্রতিমাসে প্রায় এককোটি ২০লাখ টাকার বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। কিন্তু চলতি আগষ্ট মাসের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের প্রায় দুই কোটি টাকার উপরে বিল পরিশোধ করতে হবে।

 গ্রাহকদের প্রতিমাসের বিল নিয়ে কোন অভিযোগ না থাকলেও চলতি আগষ্ট মাসের ভূতুরে বিল নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেক পল্লীবিদ্যুৎ গ্রাহক অফিসে এসে জানতে চাইলে তাদের কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি কর্মকর্তারা।

 উপজেলার বড় বাশাইল গ্রামের পানি উন্নয়ন বোর্ডের সড়কে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গত জুলাই মাসে ১১শত টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছিল। ওই প্রতিষ্ঠানে চলতি আগষ্ট মাসে ২২শত টাকার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে বলে জানান ব্যবসায়ী। উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রামের আশীষ দত্ত নামে এক বিদ্যুৎ গ্রাহকের সংযোগ বিছিন্ন থাকার পরেও তার ৩০২টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হবে। বড় বাশাইল গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান নামে এক গ্রাহকের জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল ছিল ২৪০টাকা ছিল।

 ওই গ্রাহকের এক লাফে বেড়ে চলতি মাসে হয়েছে ১০১০টাকা। মধ্যশিহিপাশা গ্রামের জামাল সরদার নামে এক গ্রাহকের জুন মাসের ৩৯৮টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করলেও চলতি মাসে ৯০৮টাকা পরিশোধ করতে হবে বলে জানান গ্রাহক। গৈলা গ্রামের শিমু বেগম নামে এক গ্রাহকের জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল ছিল ৩৫২টাকা। ওই গ্রাহকের বেড়ে দাড়িয়েছে ১২০২টাকা। মোল্লাপাড়া গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রবীর বিশ্বাস ননীরও একই অবস্থা হয়েছে। এই জোনাল অফিসের আওতায় যত বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে প্রত্যেকেরই ভুতুরে বিল উঠেছে বলে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন। চলতি মাসের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভুতুরে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে জোনাল অফিসে গেলে কর্মকর্তারা কোন উত্তর দিতে পারছে না বলে গ্রাহকরা জানান। এব্যাপারে পল্লীবিদ্যুৎ এর জোনাল অফিসের কর্মকর্তা হযরত আলী সাংবাদিকদের জানান, বিশ্বকাপ ফুলবল খেলা, নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকার কারনে চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল বেশি হয়েছে। 

মিটারের সাথে গ্রাহকরা ইউনিট মিলালে দেখতে পারবেন তাদের বিল বেশি ইউনিট লেখা হয়েছে কিনা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ