ঢাকা, শুক্রবার 17 August 2018, ২ ভাদ্র ১৪২৫, ৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় এবার সরকারি-বেসরকারি ৪৭টি ব্যাংকে ৩৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন নোট সরবরাহ

খুলনা অফিস : খুলনায় এবার ঈদ উল আযহায় বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি-বেসরকারি ৪৭টি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন নোট গ্রাহকদের জন্য সরবরাহ করছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ টাকার ২ কোটি, ২০ টাকার ৫ কোটি, ৫০ টাকার ১০ কোটি, ১০০ টাকার ৫০ কোটি, ৫০০ টাকার ১৮৭ কোটি ৫০ লাখ ও ১০০০ টাকার ১০০ কোটি টাকা। 

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, সোমবার থেকে নতুন নোট বিনিময় শুরু হয়েছে। ২০ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া) নতুন টাকা নিতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এবার ২ টাকা ও ৫ টাকার নতুন নোট বিনিময়ের সুযোগ না থাকলেও ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ টাকার পাশাপাশি ১০০০ টাকার নতুন নোট বিনিময়ের সুযোগ রয়েছে। 

একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, ঈদে সেলামি হিসেবে নতুন টাকা পেতে পছন্দ করেন ছোট-বড় সবাই। এ কারণে ঈদ এলেই নতুন টাকা বদলে নিতে ব্যাংকে ভিড় জমাতে শুরু করেছে সব শ্রেণীর মানুষ। 

গতকাল বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিন চকচকে নতুন নোট নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। কাঙ্ক্ষিত নতুন নোট পেয়ে অনেককে হাসি মুখে বেরিয়ে যেতে দেখা গেছে। যারা ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করতে পারেননি তারা ব্যাংকের সামনের সড়কের ফুটপাত থেকে অতিরিক্ত মাসুল দিয়ে নতুন নোট সংগ্রহ করছেন। 

ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, শিশুদের ঈদের আনন্দ কয়েকগুণ বাগিয়ে দিতে পারে নতুন নোট। তাই প্রতি বছরের মতো এবারও শিশুদের সেলামি দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন নোট এনেছি। নোট সংগ্রহ করতে অনেক কষ্ট হয়েছে। 

স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক খুলনা শাখার সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও ব্যাংকার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ মোসলেহ উদ্দিন বলেন, প্রত্যেক ঈদ মওসুমে নতুন নোটের চাহিদা থাকে। ঝকঝকে-চকচকে বিভিন্ন অঙ্কের নোট নিতে সাধারণ মানুষ বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি আমাদের ব্যাংকেও ভিড় জমান।

তিনি আরও বলেন, ঈদে সকলের কাছে নতুন টাকার চাহিদা রয়েছে। ছোটরা যেমন ঈদ সেলামিতে নতুন নোট পেলে খুশি হয়, তেমনি বড়রাও ঈদের দিন নতুন নোটের টাকা দিতেও আনন্দবোধ করেন। প্রতি ঈদে নতুন টাকা সংগ্রহের ধুম পড়ে যায় ব্যাংকগুলোতে। এবারও ব্যতিক্রম নয়।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা শাখার মহাব্যবস্থাপক অসীম মজুমদার জানান, বরাবরের মতো এবারও কুরবানির ঈদে বড় নোটের (৫০০-১০০০) চাহিদা বেশি। ৬ ধরনের নোটে মোট ৩৫৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার নতুন নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের খুলনা শাখা থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। যা ঈদ উল ফিতরে ছিল ৩৭১ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ