ঢাকা, শনিবার 18 August 2018, ৩ ভাদ্র ১৪২৫, ৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রধানমন্ত্রী সব জায়গায় বিএনপির ভূত দেখেন -মির্জা ফখরুল

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত সাংবাদিক নির্যাতন বিরোধী সংহতি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -সংগ্রাম

# প্রধানমন্ত্রী ‘র’ এর পরামর্শে ভূল পথে রয়েছেন -ডা. জাফরুল্লাহ
# মানুষ এখন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত -মান্না
# হামলাকারীরা গ্রেফতার না হলে সাংবাদিকদের আন্দোলন চলতেই থাকবে -গাজী
স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ১/১১-এর পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন উল্লেখ করে যে বক্তব্য দিয়েছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তিনি একটি মারাত্মক কথা বলেছেন। তিনি ১/১১-এর পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছেন। এরপরও আপনারা সরকারে আছেন? এখনও পদত্যাগ করছেন না? সরকার আপনাদের, অথচ আপনারা ১/১১-এর পদধ্বনি শুনছেন। আমাদের একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, এই ১/১১-এর বেনিফিশিয়ারি কিন্তু আওয়ামী লীগ। এতটাই বেনিফিশিয়ারি যে তাদের নেত্রী বিদেশ যাওয়ার আগে বলেছিলেন, আমরা এই ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন সরকারের সব কর্মকা-ের বৈধতা দেবো। তারা পার্লামেন্টে আইন পাস করে ঠিকই তাদের বৈধতা দিয়েছে। কিন্তু এটা নিয়ে কেন আবার শঙ্কিত হচ্ছেন? আসলে আপনারা জনগণ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সব জায়গায় বিএনপির ভূত দেখেন বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।
জাতীয় প্রেসক্লাবে গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত সাংবাদিক নির্যাতন বিরোধী সংহতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র বিক্ষোভকালে কর্তব্যরত ৪০ জন সাংবাদিকের ওপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
 বিএফইউজে সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তৃতা করেন, নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আরো বক্তৃতা করেন, বিএফইউজে মহাসচিব এম আব্দুল্লাহ, ডিইউজে সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই শিকদার ও আব্দুস শহীদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক ইলিয়াস খান, অ্যাডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকান্ডের সাথে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াকে জড়ানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব জায়গায় বিএনপি ও জিয়া পরিবারের ভূত দেখতে পান। না হলে সেই ১৯৭৫ সালের ঘটনায় কীভাবে জোর করে তিনি খালেদা জিয়াকে যুক্ত করেন ? তিনি জিয়াউর রহমানকে তার সাথে যুক্ত করেন ? যা মুখে আসছে তা-ই তিনি বলছেন। আমরা এই কথাগুলো বলতে চাই না। আমরা বলতে চাই, আপনি রাজনীতিবিদ, আপনি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছেন, আপনার মুখ দিয়ে এ ধরনের অর্বাচীন কথাবার্তা কখনোই শোভা পায় না। কিন্তু এটা আপনার স্বভাব। আপনি আপনার স্বভাবের মধ্য দিয়ে এ ধরনের হাস্যকর কথাবার্তা বলেন। দয়া করে এসব বন্ধ করুন। সঠিক পথে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ফ্যাসিস্ট সরকার একের পর এক ভিন্ন মতকে সরিয়ে দিচ্ছে। রাতের অন্ধকারে মেয়েদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের অপরাধ তারা নাকি ছেলেদের আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে। আমাদের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ তো তারা সব সময় করে। আমরা তো প্রথম দিন থেকেই প্রকাশ্যে ছাত্রদের এই ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে সমর্থন করেছি। সেই সমর্থন অব্যাহত রেখেছি। আমরা ছাত্রদের কোটা আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবির আন্দোলনকে অবশ্যই সমর্থন জানাবো এবং জনগণকে আহ্বান জানাবো যে শুধু এই নিরাপদ সড়ক নয়, নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য আপনারা এগিয়ে আসুন, আপনারা জেগে উঠুন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার মুখে স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রতি সমর্থন দেখালেও তাদের দমনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ লেলিয়ে দিয়েছে। সাংবাদিকদের ওপরও নির্মম নির্যাতন করেছে। সরকার জনবিচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় এভাবে নির্যাতন-দমনের পথ বেছে নিয়েছে। তারা বলে নতুন প্রজন্ম তাদের সাথে আছে। অথচ তারা নতুন প্রজন্মের প্রতি যে আচারণ করলো তাতে নতুন প্রজন্ম এখন আওয়ামীলীগ থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের একজনকেও তারা তাদের সমর্থনে পাবেনা।
 দেশে বর্তমানে ১৯৭১-৭৫ আমলের পরিস্থিতি চলছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ওই সময় দেশে চুরি, ডাকাতি, দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। কেউ প্রতিবাদ করলেই তাকে রক্ষিবাহিনী দিয়ে ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতন করা হত। মেরে ফেলা হতো। বর্তমানে আওয়ামীলীগ আবার স্বরূপে ফিরেছে। স্কুল ছাত্রদের রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে। শহিদুল আলমের মত প্রখ্যাত চিত্রকরকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে। আসলে তারা একটি গণবিরোধী দলে পরিণত হয়েছে। তারা কাউকেই ছাড়বে না। কেউ যদি মনে তারা বেঁচে যাবে তাহলে ভুল করবে। এজন্য এখনই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। অতীত ভুলে সত্যিকার দেশ গঠনে সব দলকে কাজ করতে হবে। কারণ সম্প্রতি ছাত্ররাই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে গেছে-রাস্তা বন্ধ, রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে। শুধু নিরাপদ সড়ক নয়, নিরাপদ দেশের জন্য লড়াই করতে হবে।
জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফখরুল বলেন, আমাদের দেশকে, দেশের মানুষকে রক্ষা করার জন্য আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি, এজন্য আমরা প্রথম থেকে বার বার বলে আসছি, আমাদের নেত্রী জেলে যাওয়ার আগে মিটিংয়ে বলে গেছেন, আসুন আমরা দল-মত নির্বিশেষে এক হয়ে এই যে দানব আমাদের বুকের ওপর ভর করে বসে আছে, এই দানবকে সরিয়ে দিই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে দেশে প্রধান বিচারপতিকে বন্দুকের মুখে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হয়, সে দেশে আপনি কি আশা করছেন? একটা মেয়ে বেল পিটিশন করেছে, সেটা কোর্ট থেকে রিজেক্ট করেছে। তার কি অপরাধ? সে কি খুনি না ডাকাত? সে কি চোরাচালানি, সে কি ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়ে গেছে? তার আজকে আপনি জামিন আবেদন বাতিল করে দিচ্ছেন। যেসব ছেলেমেয়ে ঢাকার বাইরে থেকে এসে কষ্ট করে মেসে থেকে লেখাপড়া করছে, তাদের রিমান্ড বাতিল করা যাবে না বলছেন। আর যারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে নিয়ে গেছে, স্টক মার্কেট লুট করেছে, তাদের প্রতিবেদন পর্যন্ত প্রকাশ করেন না। কারণ, তারা সবাই আপনাদের লোক।
মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় তাদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা হচ্ছে। স্কুল-কলেজের ছাত্রদের গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হচ্ছে। অথচ সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারিদের ছবি, ভিডিও থাকার পরও দোষীদের ধরা হচ্ছে না। তাদের নাকি এখনো চিহ্নিত করার কাজ চলছে। চিহ্নিত করতেই যদি এতদিন লাগে তাহলে ধরবেন কখন ? তিনি বলেন, আসলে সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছে। যেভাবেই হোক তাদের ক্ষমতায় থাকতে হবে। এজন্য সাংবাদিক, ছাত্র, তাদের মা-বাবা কাউকেই ছাড় দিচ্ছে না।
সরকারের প্রতি মানুষের ক্ষোভ-বিতৃষ্ণা বাড়ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, মানুষ এখন পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। সংখ্যালঘুরাও এখন পরিবর্তন চায়। কিন্তু নতুন যারা আসবে তারা সবার নিরাপত্তা দিতে পারবে কিনা তা এখন বিবেচ্য বিষয়। মানুষ তেমন একটি শক্তিকেই খুঁজছে। যারা পরিবর্তনের ডাক দেবেন মানুষ তাদেরকেই সমর্থন জানাবে। তারা বলে আজ আওয়ামী লীগ চলে যাক, পরিবর্তনে কে আসবে। যারা আসবে তারা এর চাইতে ভালো হবে তো। তাদেরকে এখন দেখে আমরা আশা করতে পারি এই দেশ ও সমাজ বদলাব।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে গণস্বাস্থ্য সংস্থার ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর একজন ভক্ত। ভক্ত বলেই প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি আপনি অনুগ্রহ করে বৃহস্পতিবার যে বক্তৃতাটা দিয়েছেন সেটা একটু পড়ে দেখেন। আরেকবার নিজে শুনে দেখেন, বক্তৃতাটা রিপ্লে করেন। দেখবেন দুই জিনিস আপনার সঙ্গে সঙ্গে মনে হবে- একটা আপনি যে নিয়মিত ওষুধ খান শারীরিক সুস্থতার জন্য সেই ওষুধটা খাননি অথবা আপনার যারা পরামর্শদাতা একটা ভারতীয় গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ ও আরেকটা দেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও চারদিকে ঘিরে রাখা সদস্যরা, তাদের কথায় আপনি ভুল পথে আছেন।
জাফরুল্লাহ বলেন, আপনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, খালেদা জিয়া জড়িত। আপনি তখনকার দিনে তাকে চিনতেন কি-না আমি জানি না, আমি চিনতাম। উনাকে আমি ৭২ সন থেকে চিনতাম। নির্মোহ গৃহবধূ। ৭৫ সনে খালেদা জিয়া কী করতেন? কেউ গেলে উনার বাড়িতে- লজ্জায় নম্র বিনীতভাবে বলতেন ভাই আরেকটা বিস্কুট দেই। এই মহিলা শেখ মুজিব হত্যার সাথে জড়িত- এটা আপনি কী বলছেন? এই জাতীয় কথা বলে আপনি হাস্যকর হচ্ছেন। তিনি নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকালে গ্রেফতারকৃত ছাত্রদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার আহবান জানান।
রুহুল আমিন গাজী বলেন, গত ৪ ও ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগের গুন্ডা বাহিনী সাংবাদিকদের ওপর হামলা-নির্যাতন করেছে। যার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ পত্রিকা এবং টেলিভিশনে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়েছে। হামলাকারিরা চিহ্নিত। কিন্তু প্রশাসন বলছে তাদের এখনো চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তিনি বলেন, প্রশাসন চিহ্নিত করতে না পারলেও ১৬ কোটি মানুষ তাদের অনেক আগেই চিহ্নিত করেছে। আপনারা আর কি চিহ্নিত করবেন ? এ সরকারের শাসনামলে মোট ৩২ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সাগরু রুনির হত্যাকারীদের গ্রেফতার করেননি। দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি ও আমার দেশসহ বহু পত্রিকা-টিভি বন্ধ করেছেন। সাংবাদিকদের বেকার করেছেন। আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা করে রক্তাক্ত করেছেন। হামলা মামলা এবং গুম খুন করেই যাচ্ছেন। এভাবে আর বেশিদিন পার পাবেন না। জনগণ জেগে উঠতে শুরু করেছে। এখনো সময় আছে ভালো পথে ফিরে আসুন।
তিনি বলেন,আজ শিশুদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদেরও রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। এগুলো করা হচ্ছে আন্দোলন থামানোর জন্য। ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করার জন্য। গণতন্ত্রকে কবর দেওয়ার জন্য। সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সাংবাদিকদের আন্দোলন চলতেই থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন এই সাংবাদিক নেতা।
এম আবদুল্লাহ বলেন, সরকার একদিনে ৪০ জন সাংবাদিককে রক্তাক্ত করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম ছাড়া সফলতা আসবে না। তিনি বলেন, আজকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তিন শ’পত্রিকা সম্পাদকীয় এবং রিপোর্ট লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যমকেও একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।
কাদের গণি চৌধুরী বলেন, দেশে এখন দানবীয় শাসন চলছে। এই দানবীয় শাসন থেকে মুক্তি পেতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে হবে। দেশে সংকটকাল চলছে উল্লেখ করে ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় সাংবাদিক নির্যাতন ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। তিনি অধিকার আদায়ে সাংবাদিকদের রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ