ঢাকা, শনিবার 18 August 2018, ৩ ভাদ্র ১৪২৫, ৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে গ্রেফতারকৃত ছাত্রদের ঈদের আগে মুক্তি দাবি

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ভুক্তভোগী পরিবারের উদ্যোগে নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ করে গ্রেফতারকৃত ছাত্রদের মুক্তির দাবিতে পরিবারের মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার: প্রখ্যাত ফটোসাংবাদিক শহীদুল আলমসহ কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বিশিষ্ট নাগরিকরা ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিবাভকরা।
গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষার্থীদের পরিবার ও মানবাধিকার কর্মীরা ‘ভুক্তভোগী পরিবার’ এর ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। কর্মসূচি থেকে কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারীদের নি:শর্ত মুক্তি দাবি করা হয়। এসময় নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন চলাকালীন সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তিও দাবি করা হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানের মা ঝিনাইদহের সালেহা বেগম। ছেলের মুক্তি চেয়ে তিনি বলেন, আমার বাবা কোনো অপরাধ করেনি। আমার বাবাকে ছেড়ে দিন। বাবাকে ছাড়া আমি ঈদ করতে পারব না। বাবার সঙ্গে ঈদ করতে দিন। ঈদের আগে বাবাকে ছেড়ে দিন। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা তরিকুল ইসলামের বাবা শফিকুল ইসলাম ঈদের আগেই তার সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যেভাবে তুলে তাদের হেফাজতে নিয়ে গেছে তা কোনোভাবেই একটা সভ্য সমাজের লক্ষণ না। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, মুখ বন্ধ সমাজের মা হবেন না। সব জায়গায় ভুত দেখা ছাড়েন। ভুল পথে চালিত হবেন না।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, যেহেতু এই সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসেনি, তাই তারা যে কোনো আন্দোলনকে ভয় পায়। মান্না আরও বলেন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন ছিল নিরাপদ আন্দোলন। এটি সরকারবিরোধী বা সরকার পতনের কোনো আন্দোলন ছিল না। দেশের ১৬ কোটি মানুষই চায়- সড়ক নিরাপদ হোক। মন্ত্রী, এমপি সবাই বলছেন, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের গ্রেপ্তার করা হবে। অথচ সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ