ঢাকা, শনিবার 18 August 2018, ৩ ভাদ্র ১৪২৫, ৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শিরোপা ধরে রাখতে আজ মাঠে নামবে বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার : সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে হারিয়ে প্রথম সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপ জিতেছিল বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ আবার সেই ভারতকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল দল। ভুটানের রাজধানী থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশের কিশোরীরা শিরোপা ধরে রাখার শেষ যুদ্ধে মাঠে নামছে। অবশ্য ৮ মাস পর আবার ওই চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা ধরে রাখার পথে শেষ বাধা ভারত। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭ টায় ফাইনালে মুখোমুখি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের দুই জায়ান্ট। ডিসেম্বরে সাফের শিরোপা জয়ের পর মাত্র কয়েকদিনের ছুটি পেয়েছিলেন মারিয়া, তহুরা, আঁখি, মনিকা, শামসুন্নাহরা। টানা অনুশীলন। মাঝে হংকংয়ের চারজাতি আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন। একটি টুর্নামেন্ট সামনে রেখে এর চেয়ে ভালো প্রস্তুতি আর কী হতে পারে? এই প্রস্তুতি নিয়েই ফাইনালে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ। এখন শেষ ভালো হলেই হলো। আজ ফাইালে জিতলে নারী ফুটবলের ইতিহাস ঐতিহ্যে অনেক এগিয়ে থাকা ভারতকে টানা তিনবার হারানো হবে। বাংলাদেশ ধরে রাখবে দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব। এই টুর্নামেন্টে কিশোরীরা যে পারফরম্যান্স করেছে তিন ম্যাচে, তাতে ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে বাংলাদেশই ফেভারিট। ঢাকার কমলাপুরের পর ভুটানের থিম্পুতেও বাংলাদেশের মেয়েরা জয়ের নিশান উড়াবে এটাই সবার প্রত্যাশা। এই সফরে বাংলাদেশের শুরুটা পাকিস্তানকে ১৪-০ গোলে হারিয়ে। নেপালকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন আর সেমিফাইনালে ভুটানতে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে। এমন ঝড়ের গতিতে এগিয়ে আসা দলটির সামনে ভারতও উড়ে যাবে, সেই আশা করাই যায়। গত টুর্নামেন্টে লিগ পর্বে ভারতকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। ফাইনালে জয় ছিল ১-০ ব্যবধানে। ভারতের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচে ৪ গোল করা ৩ জনই আছেন এই টুর্নামেন্টে। শামসুন্নাহার, আনুচিং মগিনি ও মনিকা চাকমারা থিম্পুতেও ভারতকে গুড়িয়ে দিতে পারবে তো? এদিকে ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ভুটানের রাজধানীতে বল ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছেন মারিয়া-তহুরারা। সবার মুখেই ছিল এক কথা, ‘আমাদের আসল পরীক্ষা দিতে হবে ফাইনালে। সে পরীক্ষায় পাশ করতেই হবে। ট্রফি হাতে আছে, হাতেই রাখতে হবে। জাতিকে উপহার দিতে হবে আরেকটি বিজয়ের আনন্দ।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ