ঢাকা, শনিবার 18 August 2018, ৩ ভাদ্র ১৪২৫, ৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পাকিস্তানের নাসির জামসেদ

স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার নাসির জামসেদকে ১০ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো পিসিবি’র নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ল সাবেক এই ব্যাটসম্যান। এর আগে গেল বছর ১ বছরের জন্য তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। যার মেয়াদ এ বছরের এপ্রিলে শেষ হয়ে গিয়েছিল। গেল বছর পাকিস্তান সুপার লিগে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। যদিও বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন তিনি। এর জন্য গ্রেফতারও হয়েছিলেন এই ক্রিকেটার। ২০১৭ সালের পর থেকে জামসেদ পাকিস্তানের তৃতীয় খেলোয়াড় যার বিরুদ্ধে পিসিবি দুর্নীতির অভিযোগ এনে তদন্ত করেছে। এদিকে গেল শুক্রবার একই অভিযোগে শাহজাইব হাসানকে ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল পিসিবি। পাকিস্তানের হয়ে ২টি টেস্ট, ৪৮টি ওয়ানডে ১৮টি টি-টুয়েন্টি খেলেছেন ২৮ বছর বয়সী এই ওপেনার। কোন সংস্করণেই উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স করতে পারেননি তিনি। বর্তমান সময়ের ক্রিকেটে স্পট ফিক্সিং তথা ম্যাচ গড়াপেটার ঘটনা খুবই প্রকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। একের পর এক বড় ধরনের শাস্তি দিয়েও থামানো যাচ্ছে না ম্যাচ পাতানোর ঘটনা। ফিক্সিংয়ের আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান ক্রিকেটেই ঘটছে একের পর এক ঘটনা। তবে ম্যাচ পাতানোর রীতি বন্ধের লক্ষ্যে ম্যাচ পাতানো খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সেই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ম্যাচ পাতানোর দায়ে ১০ বছরের জন্য সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেশটির ওপেনার নাসির জামশেদ। পিএসএলের ২০১৬-১৭ মৌসুমে ম্যাচ গড়াপেটার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। যাদের মধ্যে অন্যতম শাহজাইব হাসানকে গত শুক্রবার ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল পিসিবি। ঠিক এক সপ্তাহ পর ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা পেলেন জামশেদ। চলতি বছরের এপ্রিলে নিজের উপরে আসা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন জামশেদ। ফলে বাধ্য হয়েই পিসিবি চেয়ারম্যান নাজাম শেঠি একটি তিন সদস্যের অ্যান্টি করাপশন ট্রাইবুনাল গঠন করেন। যেখানে ছিলেন সাবেক তিন ক্রিকেট ফজলে মিরান চৌহান, শাহজাইব মাকসুদ ও আকিব জাভেদ। এই ট্রাইব্যুনালের রায়েই ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন জামশেদ। শাহজাইব ও জামশেদ ছাড়াও একই ঘটনায় বিভিন্ন মেয়াদে নিষেধাজ্ঞা ভোগ করছেন শারজিল খান, খালিদ লতিফ, মোহাম্মদ ইরফান ও মোহাম্মদ নওয়াজ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ