ঢাকা, শনিবার 18 August 2018, ৩ ভাদ্র ১৪২৫, ৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কুমিল্লার বৌদ্ধ পুরাকীর্তি : একটি সমীক্ষা

আখতার হামিদ খান : প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি, পাহাড় নদী আর সমতল ভূমির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অতি প্রাচীন জনপদ কুমিল্লা। প্রত্নকীর্তির এক সুমহান গৌরবময় ঐতিহ্যের ইতিহাস মিশে আছে কিন্তু কুমিল্লায়। এখানে খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকের দ্বিতীয় পাদের শেষের দিকে সমতট রাজ্যে এসেছিলেন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ, তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে চীনা ভাষায় রূপান্তরিত ‘কিয়া-মল-ঙ্কিয়া’একটি জায়গার নাম উল্লেখ আছে। অনুমান করা হয় যে, ‘কিয়া-মল-ঙ্কিয়া’হতে কমলাঙ্ক এবং পরবর্তীতে কুমিল্লা হয়ে গেছে।
আকস্মিকভাবে ১৮০৩ খ্রিস্টাব্দে ময়নামতির পাহাড়ে রাজা রানাভঙ্কামালা হরিকেলদেবের একটি তাম্রলিপি আবিষ্কৃত হয়। এই তাম্রলিপিটি হচ্ছে লাইমাই-ময়নামতি পাহাড়শ্রেণীর প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। গৌরব ঐতিহ্যের অধিকারী কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ি এলাকা খনন করে পাওয়া গেছে অতি প্রাচীন এবং অতি মূল্যবান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। এসব পুরাকীর্তি বাংলাদেশের সোনালী গৌরবের ইতিহাস। এই সমস্ত প্রাচীন কীর্তি জাতীয় জীবনের অমুল্য সম্পদ। কার্যতঃ ১৯৫৫-৫৬ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন পাকিস্তান প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ লালমাই-ময়নামতিতে ব্যাপক খনন কার্যের মাধ্যমে ৫৪টি প্রাচীন স্থান এবং ২০টি সংরক্ষিত স্থান আবিষ্কার করে। কুমিল্লা জেলাতে লালমাই ময়নামতি ছাড়াও আরো বহু প্রাচীন কীর্তি আছে। যেমন-শালবন বিহার, কোটিলা মুড়া, আনন্দ বিহার, চারপত্র মুড়া, রাণী ময়নামতি প্রাসাদের পাহাড়, আনন্দ বিহার। এছাড়াও পুরাকীর্তিও মধ্যে রয়েছে-প্রত্নতত্ত্ব, তাম্রশাসন, তাম্রলিপি, মুদ্রা, শিলালিপি ইত্যাদি।
শালবন বিহার : তৎকালীন পাকিস্তান প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক ১৯৫৫ সাল হতে পর্যায়ক্রমে প্রতি বৎসর ব্যাপক খনন কার্যের ফলে প্রাচীন বাংলার বিহার ভিত্তিক আবাসিক বিদ্যায়তনগুলোর মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকারী শালবন বিহার আবিষ্কৃত করে। এর অবস্থান কুমিল্লা শহর হতে ৬ মাইল পশ্চিমে লালমাই পাহাড়ের মাঝখানে, পাহাড়ের পূর্বঘেষে অপেক্ষাকৃত নিচু অংশে অবস্থিত শালবন বিহার। এক সময় এ বিহারের সমগ্র এলাকা জুড়ে ছিল অসংখ্য শাল গাছ। এ শালবন থেকেই এ বিহারটির এমন নামকরণ করা হয়েছে। এ বিহারের প্রকৃত নাম আজও আবিষ্কৃত হয়নি। এই বিহারের সৌধটি গড়ে উঠেছিল একটি মন্দিরকে কেন্দ্র করে এবং ১৬ ফুট উচু বাউন্ডারী দেওয়ালকে পিছনের দেওয়াল হিসেবে ব্যবহার করে, চতুর্দিকে শিক্ষার্থীদের বাসোপযোগী ১১৫টি কক্ষ নির্মিত হয়েছে। বর্গাকারে নির্মিত এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫০০ ফুট। আয়তনে পাহাড়পুরের চেয়ে অনেক ছোট হলেও দুটোর নির্মাণ পদ্ধতি একই রকম। প্রতœতাত্ত্বিক খনন কার্যের ফলে প্রাপ্ত তাম্রশাসন ও সীল থেকে জানা যায় যে, বৌদ্ধ দেববংশীয় রাজারই প্রথম এর নির্মাণ কাজ আরম্ভ করেন। নির্মাণ যুগ হিসাবে ৬টি নির্মাণ যুগ পাওয়া গেছে বিহারটিতে। পরবর্তীতে এই বিহারে পাঁচবার পুনঃনির্মাণের চিহ্ন পাওয়া যায়। তবে পুনঃনির্মাণের সময় কোন বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় নি। শালবন বিহারের ধবংসস্তুপে প্রায় ৪০০টি মুদ্রা পাওয়া গেছে। তার মধ্যে ১৮টি স্বর্ণ মুদ্রা, ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা ও কিছু তাম্রমুদ্রা। মুদ্রাগুলো গুপ্তযুগসহ বিভিন্ন যুগের,অ জানা রাজবংশেরও মুদ্রা আছে। একটি মুদ্রা আরব দেশীয়, যা প্রথম দিকের কোন আব্বাসীয় খলিফার মুদ্রা বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে। তাছাড়া ১৫০টি ক্ষুদ্রাকৃতির ব্রোঞ্জমূর্তি, পোড়ামাটির স্তুপ, সীলমোহরও পাওয়া গেছে। এছাড়াও শালবন বিহারের নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য হিসেবে অলংকার (৬টি কানের সোনার দুল, আংটি, হাতের চুড়ি ইত্যাদি), হাঁড়ি-পাতিল, মাটির তৈরী দোয়াত, তেলের প্রদীপ, পেরেক, কড়ি, বড়শি, দা, ছুরি, কোদাল, কাঁচি, খন্তা ইত্যাদি পাওয়া গেছে।
কোটিলা মুড়া : শালবন বিহার থেকে ৩ মাইল উত্তরে কোটিলা মুড়া অবস্থিত। ময়নামতি সেনানিবাস এলাকাতে এর অবস্থান। কোটিলা মুড়ার পাশ দিয়ে উত্তর দক্ষিণে লম্বা একটি পাকা রাস্তা চলে গেছে। এখানে পাঁচটি স্তুপ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ৩টি স্তুপকে বৌদ্ধ ত্রি-রত্ন (বুদ্ধ বা জ্ঞান, ধর্ম বা ন্যায়, সংঘ বা শৃঙ্খলা) প্রতীক বলে ধারণা করা হয়। খনন কার্যের পর অনুমান করা হয় এখানে একটি বৌদ্ধ বিহারের ধবংসাবশেষ আছে। ৬০০ফুট * ৫৭০ ফুট আয়তনের কোটিলা মুড়ার সীমানা প্রাচীর কারুকার্যময়। প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কার্যের সময় মাটির তৈরী অসংখ্য নিবেদন স্তুপ, সীলমোহর, নরম পাথরের তৈরী বৌদ্ধ দেবদেবীর প্রতিকৃতিসহ, এখানে উল্লেখ্য বাগদাদের আব্বাসীয় বংশের শেষ খলিফা আবু আহমেদ আবদুল্লাহ আল মত্তাসিম বিল্লাহ(১২৫২-৫৮খ্রিঃ)’র একটি স্বর্ণ মুদ্রা অটুট অবস্থায় পাওয়া গেছে।
চারপত্র মুড়া : কোটিলা মুড়া থেকে দেড় মাইল উত্তর-পশ্চিমে ৩৫ ফুট উচু একটি ছোট ও সমতল পাহাড়ের চুড়ায় চারপত্র মুড়া কীর্তিটি সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত। ১৯৫৬ সালে খনন কার্য চালানোর ফলে ১৩৫*৫৪ ফুট এই মন্দিরটি আবিষ্কৃত হয়েছে। এই মন্দিরটি হল ঘরের ছাঁদ চারটি স্তম্ভের উপর নির্মিত। হল ঘরের পশ্চিম দিকে ছিল প্রধান পূজা কক্ষ। একটি আচ্ছাদিত প্রবেশ পথ ছিল ঘরের। এটাতে তিনটি নির্মাণ যুগের নিদর্শন পাওয়া গেছে। ৪টি তাম্রশাসন এবং ব্রোঞ্জের একটি স্মারকাধার আবিষ্কৃত হয়েছে।
আনন্দ বিহার : শালবন বিহার থেকে প্রায় ২ মাইল উত্তরে লালমাই-ময়নামতি পাহাড়ের পূর্ব পান্ত ঘেঁষে নিচু ও সমতল ভূমিতে অবস্থিত আনন্দ বিহারটি দ্বিতীয় বৃহত্তম। বর্গাকারে নির্মিত বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৬২৪ ফুট। কিন্তু দুষ্কর বিষয় হচ্ছে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় এই বিহার হতে ইট সরানোর ফলে ভিত্তি প্রাচীরের চিহ্ন ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ঠ নেই। সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে খননকার্যের ফলে চিহ্নিত হয় যে, আনন্দ বিহারের চারিদিকে ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য ১০ ফুট *৯ ফুট আয়তনের অনেক কক্ষ ছিল। বিহারের মাঝখানে উম্মুক্ত স্থানে কেন্দ্রীয় মন্দিরটির অবস্থান। বিহারটিতে উত্তরমুখী প্রবেশদ্বারে দুইটি হল ঘর ও একটি সুবৃহৎ তোরণ ছিল। আনন্দ বিহারটি কে, কখন নির্মাণ করেছিলেন তা সঠিক ভাবে জানা না গেলেও অনুমান করা হয় যে, প্রথম দেববংশীয় তৃতীয় নৃপতি বৌদ্ধ ধর্মালম্বী আনন্দদেব এই বিহার কীর্তিটির নির্মাতা। উল্লেখ্য দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে ইটের সাথে অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এখান থেকে চুরি হয়ে গেছে, পাচার হয়ে গেছে। তবুও খননকার্যের ফলে অনেক মুল্যবান বুদ্ধ ও বোধিসত্ত্বের ব্রোঞ্জমূতি, রৌপ্য ও স্বর্ণমুদ্রা, নিবেদন স্তুপ, পোড়ামাটির চিত্র ফলক, নকশা করা ইট, পোড়ামাটির সীলমোহর ও নিত্য ব্যবহার্য অনেক দ্রব্যাদি পাওয়া গেছে।
রাণী ময়নামতি প্রাসাদের পাহাড়: লালমাই ময়নামতির উত্তর প্রান্তে এই রাণী ময়নামতির প্রাসাদ এর পশ্চিম দিকে আছে ক্ষীর নদীর মারাখাত। পূর্ব দিকে নীচু ভূমিতে দেব দিঘির ধ্বংসাবশেষ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি বৌদ্ধ বিহার কিংবা স্তুপ বা মন্দির ছিলনা। বসবাস অথবা প্রতিরক্ষার জন্য এটি প্রাসাদ বা দূর্গ হিসেবে নিমার্ণ করা হয়েছিল। রাজমালা কাব্যে “মেহেরেকুল“ নামে একটি দূর্গের কথা পাওয়া যায়। আরও জানা যায় যে, খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতকে বাংলার সুলতান হোসেন শাহ্ মেহেরকুলের এই দূর্গটি আবিষ্কার করেছিলেন। এই থেকে অনুমান করা যায় যে,এটি মেহেরকুল দূর্গেও ধ্বংসাবশেষ।
প্রত্নতত্ত্ব : খনন কার্য চালানোর ফলে অসংখ্য মুল্যবান প্রত্নতত্ত্ব পাওয়া গেছে লালমাই ও ময়নামতি অঞ্চলে। এগুলোর মধ্যে ৪শর বেশী স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা। তাম্রশাসন ১১২ টি, ব্রোঞ্জ ও পাথরের মুর্তি, মাটির তৈরি নিবেদন স্তুপ, পোড়ামাটির চিত্র ফলক, সোনা-রুপা ও ব্রোঞ্জের অলংকার, মুল্যবান পাথরের গুটিকা।আরো পাওয়া গেছে প্রস্তর যুগের অস্ত্র-শস্ত্র এবং ধাতু ও মাটির তৈরী প্রচুর হাড়ি পাতিল।
তাম্রশাসন : ময়নামতিতে আবিষ্কৃত ভাস্কর্যের মধ্যে তাম্র শাসনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।প্রাপ্ত তাম্রশাসনের মধ্যে দেববংশ, রোহিত গিরির চন্দ্রবংশ, বীরধর দেবের তাম্রশাসন, বলভট্টের তাম্রশাসন উল্লেখযোগ্য। দেববংশ তাম্ররশাসনে দেববংশের রাজবংশের পরিচয় ও তাদের বংশানুক্রমিক ইতিহাস পাওয়া যায়। রোহিত গিরির চন্দ্রবংশের তাম্রশাসনটি চারপত্র মুড়া থেকে প্রাপ্ত। এতে চন্দ্রবংশীয় রাজাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
মুদ্রা : খনন কার্য চালিয়ে ৪০০টির ও বেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে। ১টি মুদ্রা ছাড়া বাকি সব মুদ্রাই পাওয়া গেছে শালবন বিহার থেকে। শালবন বিহারে পাওয়া মুদ্রাগুলোর মধ্যে আছে ১৮টি স্বর্ণ মুদ্রা, ৩৫০টি’র ও বেশি রৌপ্য মুদ্রা এবং বেশ কিছু তাম মুদ্রা। গুপ্ত সম্রাটদের স্বর্ণমুদ্রা ২টির মধ্যে ১টি হল সম্রাট গুপ্তের। এটি একটি অশ্বমেধ পরাক্রম মুদ্রা। অন্যটি হল সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের এর এক পিঠে ধনুক হাতে রাজার মূর্তি এবং অন্য পিঠে লক্ষ্ণী দেবীর মূর্তি।শালবন বিহারে প্রাপ্ত মোট রৌপ্যমুদ্রার সংখ্যা ২২৪টি। সমস্ত মুদ্রার গায়ে ষাঁড় ও ত্রিরত্ন বা ত্রিশুলের ছবি আছে, মুদ্রাগুলোর প্রধান পিঠে উপবিষ্ট ষাঁড় এবং ষাঁড়ের উপর ‘পট্রিকেরা’ লিপিবদ্ধ আছে। এই মুদ্রাগুলো কোন রাজবংশের তা সঠিক জানা যায় নি। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন এগুলো বাংলাদেশেরই কোন স্থানীয় রাজবংশের।
সীল, শিলালিপি ও নিবেদন স্তুপ : বিশেষ উল্লেখযোগ্য কোন শিলালিপি লালমাই পাহাড়ে পাওয়া যায় নি। একটি সুরম্য শিলালিপির ভাঙ্গা অংশ পাওয়া গেছে, পাঠোদ্ধার সম্ভব হয়নি বলে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় নি। প্রচুর সংখ্যক নিবেদন স্তপ পাওযা গেছে এখানে,ছাঁচে ফেলে মাঠি দিয়ে তৈরী সীলও পাওয়া গেছে প্রচুর। এছাড়াও পাওয়া গেছে বৌদ্ধদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের কিছু নিদর্শন।‘পদ্মধর’ নামাঙ্কিত একটি লাল পাথরের সীল পাওয়া গেলেও পদ্মধর সম্বন্ধে কিছু জানা যায়নি। এই স্থানে মাঠির পাত্রে বেশ কিছু লিপি পাওয়া গেছে। এগুলো অক্ষর দেখে মনে হয় অষ্টম শতাব্দীর তৈরি। শালবন বিহারে পাওয়া বেশ ক’টি পোড়ামাটির সীল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এগুলোর উপরের অংশে একটি উপবিষ্ট মৃগের ,নিচে প্রতীক চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হতো ধর্মচক্র। এটি বৌদ্ধ দেববংশীয় রাজাদেও রাজকীয় প্রতীক চিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
কুমিল্লার প্রাচীন বৌদ্ধ পুরাতত্ত্বগুলো খননের ফলে প্রাপ্ত প্রাচীন সম্পদ ও স্থাপত্য নিদর্শনাদি পর্যালোচনা করলে বুঝা যায় যে, এখানকার সভ্যতা খ্রিষ্টীয় ৭ম শতক থেকে ১২ শতক পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। বিভিন্ন প্রতিকুলতার কারণে এগুলো ধবংস হয়। এই ধবংসাবশেষ আবিষ্কারের ফলে বহু ঐতিহাসিক তত্ত্ব তথ্য উদঘাটিত হয়েছে। অতীতের এসব মানব সভ্যতার দুর্লভ নিদর্শন সমূহ আমাদের মনোদ্বারে বর্তমানে উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশের জন্য প্রেরণা হয়ে রইল। বর্তমানে শালবনসহ লালমাই-ময়নামতির অন্যান্য স্থানে খনন কার্যের ফলে প্রাপ্ত মুল্যবান প্রতœতত্ত্বগুলো শালবন বিহারের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত ময়নামতি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।           
সহায়ক গ্রন্থসমূহ :
১. বাংলাদেশের বৌদ্ধ বিহার ও ভিক্ষু জীবন (ভিক্ষু সুনীথানন্দ)
২. বাংলার বৌদ্ধ ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি (শিমুল বড়ুয়া) ।
লেখক : এম.এ.পালি বিভাগ ও এম ফিল প্রার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ