ঢাকা, রোববার 19 August 2018, ৪ ভাদ্র ১৪২৫, ৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী মৃত্যুতে এমইউজে খুলনার শোক

খুলনা অফিস : বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজের সাবেক নির্বাহী সদস্য শেখ দিদারুল আলমের মামা ও সাংবাদিক তানবীর সিদ্দিকী কাজলের চাচা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার (এমইউজে) নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদারা হলেন-এমইউজে খুলনার সভাপতি মো. আনিসুজ্জামান, সহ-সভাপতি এহতেশামুল হক শাওন, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আবুল হাসান হিমালয়, কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রাজ্জাক রানা, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি ড. মো. জাকির হোসেন ও সাবেক নির্বাহী সদস্য এহতেশামুল হক শাওন।
উল্লেখ্য, শনিবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাদ জোহর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মরহুমের প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর তার কফিন নেয়া হয় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামে। সেখানে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
বিচারপতি কামরুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বর মাসে মুন্সেফ হিসেবে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন। পরবর্তীতে সাব জজ, ডেপুটি সেক্রেটারি, হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জেলা ও দায়রা জজ, হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৪ সালের ২৮ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন কামরুল ইসলাম। ২০১৭ সালের ২৯ মে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় তিনি অবসর নেন। বিচারপতি কামরুল ইসলাম ১৯৫০ সালের ৩০ মে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কলকাতায় ৩০ ও ৪০ এর দশকে প্রথিতযশা সাংবাদিক, সম্পাদক ও সাহিত্যিক ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ