ঢাকা, রোববার 19 August 2018, ৪ ভাদ্র ১৪২৫, ৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সারা দেশ এখন খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে -খন্দকার মাহবুব

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীণ আইনবিদ খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, সারা দেশ এখন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে। শুধু আইনী পথে এখন তাকে মুক্ত করা যাচ্ছে না। যদি সরকারের সদিচ্ছা না থাকে। সরকার যদি চায় তাকে কারাগারে রেখে নির্বাচন করবে তা হলে পরিণাম হবে ভয়াবহ। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যে মামলায় কারাগারে আছেন সেই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন পাওয়ার পরও কারামুক্তি পাচ্ছেন না। তার বিরুদ্ধে এখনো কয়েকটি মানহানি মামলা রয়েছে। আমরা আশাকরছি অতি শিঘ্রই তিনি মুক্তি পাবেন। সরকার ইচ্ছা করলে রোববারও তিনি মুক্তি পেতে পারেন।
গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন ছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবে চেতনা বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি শামিমা রহিমের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. সুকোমল বড়–য়া, মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, আবুল কালাম আজাদ, এমএ হালিম, ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ। 
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, যতদিন যাবে সরকারের পতন দ্রুতগতিতে হবে। সরকার যদি চায় নির্বাচন কমিশনের ঘাড়ে বন্দুক রেখে আবারও ৫ জানুয়ারির মতো একটি নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসবে তা হলে ভুল করবে। দেশের মানুষ যখন জেগে উঠবে তখন তাদের আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। এজন্য সরকারের উচিৎ হবে যতদ্রুত সম্ভব শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পালা বদল করা।
তিনি বলেন, অবিলম্বে নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি দ্বন্তহীন বাঘ। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরোপেক্ষ হতে পারে না। সিটি কর্পোরেশন ইউনয়ন পরিষদের নির্বাচন মানুষ দেখেছে।
খন্দকার মাহবুব হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন আমরা মানুষের গণতন্ত্রিক ও ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য ঐকবদ্ধ হাই। ড. কামাল হোসেন বি. চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না, আপনারা যে ঐক্য চাচ্ছেন। বিএনপি আগে থেকে ঐক্য চাচ্ছে। আজ সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে, আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে উদ্ধার করি। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনি। তিনি আরো বলেন, কোনো দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। নির্বাচনের পূর্বে সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে। অবিলম্বে সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে নির্দলীয় নিরোপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।
ড. সুকোমল বড়–য়া বলেন, আমরা আগামী নির্বাচনে সকল দলের অংশগ্রহণ দেখতে চাই। তিনি বলেন, কমানওয়েলথের মহাসচিবও আমাদের দেশের সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষকও আজ বিবেক দ্বারা তাড়িত। কিন্তু তারা মুখ খুলতে পারে না। আমরা যে অবস্থার মধ্যে বাস করছি দীর্ঘদিন তা চলতে পারে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ