ঢাকা, রোববার 18 November 2018, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ঝিনাইদহে সেনা সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

ঈদের ছুটিতে বাড়ী গিয়ে দুর্বত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার হলেন তরুন সেনা সদস্য সাইফুল ইসলাম (৩২)। তার বাড়ী ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামে। তার পিতার নাম হাবিবুর রহমান। তিনি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল সেনানিবাসে মেডিক্যাল কোরের সৈনিক পদে কর্মরত ছিলেন।

নিহতের ছোট ভাই ভাই নৌবাহিনীর সদস্য মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, তিনি এবং সাইফুল ঈদের ছুটিতে বাড়িতে আসেন। শনিবার বিকালে তারা পার্শ্বর্তী বদরগঞ্জ গ্রামে ভাই সাইফুলের শ্বশুর বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখান থেকে দুই ভাই মোটরসাইকেলে করে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বংকিরা গ্রামে ফিরছিলেন। পথে হাওনঘাটা নামক স্থানে পৌঁছালে ডাকাতরা রাস্তার ওপর গাছ ফেলে তাদের গতিরোধ করে। এসময় তারা মোটরসাইকেল ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। মনিরুল ইসলাম আরও জানান, ডাকাতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাইফুলকেকুপিয়ে মারাত্বকভাবে  আহত করে। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় সাইফুলকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মেডিকেল অফিসার শাহ আলম প্রিন্স বলেন, 'ঘাড়ের বাম দিকে, হাতের কবজি বরাবর দুটো কোপ আছে। ঘাড়ে যে কোপ সেটা অনেক বেশি মারাত্মক ছিল।'

নিহত সাইফুল ইসলাম দুই সন্তানের বাবা। তার সন্তানদের নাম আবু হামজা ও আবু হুরাইরা।

খবর পেয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান হাসপাতালে যান। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ জানান, দুর্বৃত্তদের ধরতে এলাকায় অভিযান শুরু হয়েছে।

এদিকে সেনা সদস্য সাইফুলের মৃত্যুর খবর বংকিরা গ্রামে পৌছালে শোকের ছায়া নেমে আসে।  গ্রামের মানুষ দলে দলে সদর হাসপাতালে ভিড় করতে থাকে। 

যশোর সেনাসিবাসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিহত সাইফুলের স্বজনদের সাথে কথা বলেছেন। 

ডি.এস/আ.হু

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ