ঢাকা, সোমবার 20 August 2018, ৫ ভাদ্র ১৪২৫, ৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

প্রশান্ত মহাসাগরে ৮.২ মাত্রার ভূমিকম্প

১৯ আগস্ট, রয়টার্স/ইউএসজিএস : ফিজি ও টোঙ্গার কাছে প্রশান্ত মহাসাগরে ৮ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছে। রোববারের এ ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের অনেক গভীরে হওয়ায় এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবে না বলে ধারণা করছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। ভূমিকম্পটি খুব গভীরে হওয়ায় এটি কোনো সুনামিরও কারণ হবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রের সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৫৬০ কিলোমিটার গভীরে এবং এর ফলে ভূপৃষ্ঠে কম্পন কম হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএসজিএস। “ কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে মনে করছি না। লোকজন এটি অনুভব করবে কিন্তু এটি অত্যন্ত গভীরে হওয়ায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে মনে করছি না,” টেলিফোনে জানিয়েছেন ইউএসজিএসের ভূপদার্থবিদ জানা পার্সলি।  

প্রথমে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৮ বলে জানানো হয়েছিল, পরে এর মাত্রা ৮ দশমিক ২ বলে জানানো হয়। অনেক গভীরে উৎপত্তি না হলে এই মাত্রার ভূমিকম্প ভীষণ ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতো। ভূমিকম্পটির উপকেন্দ্র ফিজির লেভুকা থেকে ২৭০ কিলোমিটার পূর্বে এবং টোঙ্গার নিয়াফু থেকে ৪৪৩ কিলোমিটার পশ্চিমে। ওই এলাকাটি প্রশান্ত মহাসাগরের ভূমিকম্পপ্রবণ রিং অব ফায়ারে অবস্থিত।

অন্যদিকে বড় ধরনের একটি ভূমিকম্পে ৪৬০ জনেরও বেশি লোকের মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ পর ফের আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়ার লম্বোক দ্বীপ।  রোববারের এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৩ এবং গভীরতা মাত্র সাত কিলোমিটার বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এই ভূমিকম্পে নতুন করে কেউ হতাহত বা কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। ভূমিকম্পটির তীব্রতা দ্বীপটির পূর্বাংশে বেশি অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত লোকজন রাস্তায় বের হয়ে আসে।  ৫ অগাস্টের ভয়াবহ ভূমিকম্পে দ্বীপটির লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন। বালি দ্বীপের পূর্ব দিকে অবস্থিত লম্বোকের আয়তন প্রায় ৪,৫০০ বর্গমাইল।   প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশের প্রান্তীয় অংশগুলোর প্রায় পুরোটা ঘিরে থাকা রিং অব ফায়ারের একটি অংশের ওপর অবস্থানের কারণে ইন্দোনেশিয়ায় প্রায়ই ভূমিকম্প হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ