ঢাকা, সোমবার 20 August 2018, ৫ ভাদ্র ১৪২৫, ৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংক ৭শ’ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে ট্যানারি মালিকদের

স্টাফ রিপোর্টার: কুরবানির পশুর চামড়া কিনতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চারটি ব্যাংক এ বছর ট্যানারি মালিকদের ঋণ দিয়েছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। গত বছর ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করেছিল প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা। বিতরণকৃত ঋণের পুরোটা আদায় না হওয়ায় বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ব্যাংকগুলো।

জানা গেছে, এ বছর সোনালী ব্যাংক ৭০ কোটি টাকা ঋণ দেবে, জনতা ব্যাংক কত টাকা ঋণ দিয়েছে তা জানাযায় নি। তবে আনুমানিক ২শ’ কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে, অগ্রণী ১৪৬ কোটি ও রূপালী ব্যাংক ১৭০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করছে। তবে যেসব ট্যানারি মালিক গত বছরের সব টাকা পরিশোধ করেছেন তাদেরকে চাহিদামত ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, গত বছরের মতো এবারো আমরা ৭০ কোটি টাকা তিনটি কোম্পানিকে ঋণ দিচ্ছি। গতবছরও একই পরিমাণ টাকা বিতরণ করেছিল ব্যাংকটি। এ ব্যাপারে রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকতা আতাউর রহমান প্রধান বলেন, গত বছর আমরা ১৩৫ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিলাম। এবার আমরা বাড়িয়ে ১৭০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

জানা গেছে, এ বছর অগ্রণী ব্যাংক চামড়া কিনতে ১৪৬ কোটি টাকা বিতরণ করছে। গত বছর বিতরণ করেছিল ১২০ কোটি টাকা।

চামড়া কিনতে জনতা ব্যাংক এ বছর কতো টাকা ঋণ দেবে তা জানা যায়নি। এদিকে কোনো খেলাপি প্রতিষ্ঠান যাতে নতুন করে ঋণ না পায় সেজন্য নজরদারি করছে ব্যাংকগুলো। অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বিগত সময়ে যারা ঋণ নিয়ে সময়মতো ফেরত দিয়েছেন তাদেরকে। প্রকৃত ব্যবসায়ীদের ঋণ দিতে গ্রাহককে যাচাই বাছাই করারও নির্দেশ দিয়েছে ব্যাংকগুলো।

অভিযোগ রয়েছে সরকারের দেয়া ঋণে চামড়া না কিনে অন্য কাজে তা ব্যবহার করছেন ট্যানারি মালিকরা। চামড়া কিনতে নেয়া ঋণের টাকায় তারা কারখানা তৈরি করছেন। এতে করে বকেয়া টাকা পাচ্ছে না কাচা চামড়ার আড়ৎদাররা। গত তিন বছরের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা এখনও বকেয়া রয়েছে তাদের। কিন্তু ট্যানারি মালিকরা কারখানা স্থানান্তরের অজুহাতে তা পরিশোধ করছে না। এতে করে এ শিল্পের সংকট আরও প্রকট হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ