ঢাকা, সোমবার 20 August 2018, ৫ ভাদ্র ১৪২৫, ৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ঈদুল আযহার শিক্ষা : কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা

মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন : ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা মুসলিম বিশ্বের দু’টি প্রধান এবং আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত দু’টি উৎসব। ঈদুল ফিতর পানাহার ভঙ্গের উৎসব হিসাবে পরিচিত। এটি মূলত: দীর্ঘ একমাস রোজা পালনের পর আল্লাহর বান্দাদের জন্য এক গৌরবময় উৎসব। ঈদুল-আযহা কোরবানী ও ত্যাগের উৎসব হিসাবে পরিচিত। মুসলমানরা ঈদুল আযহা উদ্যাপন করে আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইব্রাহীম (আ.) তাঁর শ্রেষ্ঠ সম্পদ কোরবানীর ঘটনাকে অনুসরণ করে। যদিও ঈদ মানে উৎসব বুঝায়, দুই ঈদেরই আলাদা আলাদা শিক্ষা এবং ত্যাগের নির্দেশনা আছে। আর এসব শিক্ষা এবং ত্যাগ এর নিদের্শনা  এসেছে কোরআন ও হাদীসে। অর্থ্যাৎ এ উৎসবগুলো ইচ্ছা করলেই যে কোনভাবে করার সুযোগ নেই, কেননা এসব পালনেরও কিছু সুস্পষ্ট নির্দেশনা। এ ত্যাগের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে বিদ্যমান শ্রেণি বৈষম্যকে দূর করে সাম্যের সমাজ তৈরি করা।
কোরবানী অবশ্যই জিলহজ মাসের দশ, এগারো ও বারো তারিখ সুর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত করতে হবে। এ দিনগুলোতে মুসলমানরা পশু কোরবানীর মাধ্যমে আল্লাহর নির্দেশ পালন করে থাকে। গরু, ছাগল, দুম্বা, উঠ, ভেড়া জাতীয় পশু কোরবানী দিতে হয়। অর্থাৎ হিং¯্র তথা যেসব পশুর গোস্ত খাওয়া নিষিদ্ধ সেগুলো কোরবানী দেয়া যাবেনা। আবার এসব পশুর স্বাস্থ্য অবশ্যই ভালো এবং নিখুঁত হতে হবে। কোরবানী অবশ্যই ত্যাগের উদ্দেশ্যে দিতে এবং কোনভাবেই গোস্ত খাওয়ার উদ্দেশ্যে বা সামাজিক সম্মান ও ক্ষমতা দেখানোর উদ্দেশ্যে কোরবানী দেয়া যাবে না। আর কোরবানীর টাকার উৎসও হালাল হতে হবে।
ইসলামের প্রতিটি কাজ বৈজ্ঞানিক। এর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখা যায় কোরবানীর গোস্ত বন্টনের ইসলামের যে নিদর্শন রয়েছে সেখানে। কোরবানী দাতা আর্থিকভাবে স্বচ্চল এবং সামাজিকভাবে মর্যাদাবান বলে পুরো গোস্ত খাওয়ার অধিকার নাই। কোরবানীর গোস্তকে সমান তিনভাগে বিভক্ত করে বিতরণ করতে হবে। একভাগ কেবল কোরবানীদাতা ভোগ করতে পারবে। আরেকভাগ নিকট আত্মীয়দের মধ্যে বিতরণ করতে হবে এবং এক্ষেত্রে ধনী বা গরিব আত্মীয়-স্বজন আলাদা করার সুযোগ নাই। আরেকভাগ কোরবানীদাতার বাড়ীর আশেপাশের হত দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে।
কেন এ বিতরণের নিয়ম? আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণের মূল কারণ আত্মীয়স্বজনদের মধ্যে সর্ম্পকের অটুট অবস্থান নিশ্চিত করা এবং ব্যক্তিগত মলমালিন্য থাকলে তা দূর করা। আরেক ভাগ দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের মাধ্যমে শ্রেণি বৈষম্য যেমন দূর হয় তেমনি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বেড়ে যায়। আর এ পদ্ধতিইে কেবল সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এছাড়া কোরবানীর চামড়া কোরবানীদাতা নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহার না করলে তার প্রাপ্য সমাজের বঞ্চিত মানুষ।
কোরবানীর বিষয়ে রাসূল (স.)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা হলো “যারা ঈদের নামাজের আগে কোরবানী দিবে, তাদের কোরবানী কেবল গোস্ত খাওয়া ছাড়া আর কিছু নয়। আর যারা ঈদের নামাজ পড়ে এসে কোরবানী দিবে তারা যেন প্রকৃত কোরবানী দিল।” (সহীহ বোখারী)। এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রাসূল (স.) কেন এমন নির্দেশনা দিলেন। এর তাৎপর্য কোথায়?  কোরবানী অবশ্যই ইবাদতের অংশ। ইসলামের পাঁচটি প্রধান স্তম্ভ রয়েছে-নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত ও কালেমা। হজ্জের পর হাজীদের পশু কোরবানী দিতে হয়। এখানে প্রশ্ন জাগে যারা হজ্জ করেনা তারা কেন এত অর্থ খরচ করে কোরবানী দিয়ে থাকেন।
ডেনি নামক একজন প্রাশ্চাত্য গবেষক এ বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন এবং দাবী করেন, ইসলামের প্রধান কাজ হলো ইবাদত করা। ইবাদত করার মানে হলো প্রার্থনা করা, তথা অসহায়রা যিনি একক ক্ষমতার অধিকারী তাঁর কাছে আত্মসমর্পন করবে। রিপ্পিন নামক আরেক পাশ্চাত্য গবেষক একই অভিমত দিয়েছেন। ডেনি দাবী করেন, মুসলমানরা যত ইবাদত করে সবই প্রকৃতপক্ষে ইসলামের যে প্রধান পাঁচটি স্তম্ভ রয়েছে তার অংশ। তিনি উদাহরণ স্বরূপ বলেন, কোরবানী তথা ঈদুল আযহার যে ত্যাগ তা হজ্জের একটি অংশ, অর্থাৎ আত্মশুদ্ধির একটি উপায়। অন্যদিকে ঈদুল ফিতর রোজার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। রোজা রাখার মাধ্যমে যেসব শিক্ষা লাভ করলো তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগের একটি অন্যতম উপায় হলো ঈদুল ফিতরের নির্দেশনা অনুসরণ করা।
ফলে এটি স্পষ্টভাবে বলা যায় ঈদুল আযহার কোরবানীর তাৎপর্য অসাধারণ যা স্বাভাবিক তাৎপর্যের চেয়েও বেশি। এ শিক্ষা ও তাৎপর্য মূলত: হযরত ইব্রাহীম (আ.) এর কোরবানী দেয়ার ঘটনা থেকে নেয়া। হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে আল্লাহ নির্দেশ দিলেন তাঁর সবচেয়ে আদরের এবং মূল্যবান জিনিসটি কোরবানী দিতে। আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে হযরত ইব্রাহীম (আ.) বুঝতে পারলেন তার পুত্র সন্তান হযরত ইসমাইল (আ.)-এর চেয়ে বেশি প্রিয় কিছু নাই। ফলে তাকেই কোরবানী দিতে হবে। কেন আল্লাহ এমন একটি বিষয় টেনে নির্দেশ দিলেন? প্রকৃতপক্ষে গবেষকদের মতে, আল্লাহ মূলত: প্রতিটি মানুষের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অদেখা সব পশুত্বকে পরিষ্কার করে দেন এ কোরবানীর মাধ্যমে। এছাড়াও সামাজিক স্থিতিশীলতা, শ্রেণি বৈষম্য, প্রতারণা, অন্যের স্বাধীনতা হরণের মত কুকর্ম সমূহ থেকে মানুষকে বিরত রাখার অনুপ্রেরণা ও শিক্ষা পাওয়া যায়।
কাজী নজরুল ইসলাম আজন্ম একজন ত্যাগ স্বীকার করা মানুষ। তিনি মানুষের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কুপ্রভৃত্তি, হিং¯্র পশুত্ব, পরনিন্দা, কুসংষ্কার, ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার। এসবের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার অনুপ্রেরণাও পেয়েছেন কোরবানী তথা ঈদুল আযহার শিক্ষা থেকে। তিনি কোরবানীকে নিছক পশু জবাই হিসাবে নেননি। তিনি একে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা হিসাবে নিয়েছেন।
তিনি ছোট বেলায় লেটো দলে যোগ দিয়ে এ জায়গায় ও জায়গায় ঘুরে সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও এর সমাধানের পথকে ধীরে ধীরে আয়ত্ত করতেন। আর পরিপূর্ণ যুবক হিসাবে সমাজের অন্যায়, অত্যাচার ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু-মুসলিম অনৈক্যের কারণ ও এর প্রতিকার বের করলেন, যা তাঁর নানা লেখনির মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, কেননা নজরুল জানেন, “ইসলাম শান্তির ধর্ম, ইসলাম মানুষের, মানবতার ধর্ম, এবং ইসলাম সব সময়ের আধুনিক ধর্ম।”
কাজী নজরুল ইসলাম আল্লাহ, হযরত মোহাম্মদ (স.) ও ইসলামের নানা বিষয়কে নিয়ে অসংখ্য গান, কবিতা ও গল্প, প্রবন্ধ লিখেছেন। কেবল ঈদুল ফিতরকে নিয়ে তিনি একুশটি গান ও কবিতা লিখেছেন। আর ঈদুল আযহাকে নিয়ে তিনটি কবিতা রচনা করে, ইসলামের শিক্ষা তুলে ধরেন। এ কবিতা তিনটি যথাক্রমে ‘ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ’, ‘শহীদি-ঈদ’, ‘কোরবাণী’।
‘ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ’ এর শুরুটা অবিকল ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে’ এ গানটির মতই। কবিতাটি শুরু হয়েছে, “শহীদের ঈদ এসেছে আজ/ শিরোপরি খুন-লোহিত তাজ।” ইসলামের বিধান হলো কোরবানী দিতে নিসাব পরিমান টাকাকড়ি থাকলেই হবে না, পরিশুদ্ধ মন থাকতে হবে। এ কথা কাজী নজরুল ইসলাম ‘শহীদি-ঈদ’ কবিতায় স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “আল্লার রাহে সে ভিখ্ :/ জিয়ারার চেয়ে পিয়ারা যে/ আল্লাহ্র রাহে তাহারে দে,/ চাহিনা ফাঁকির মানিক।” একই প্রতিধ্বনি পাওয়া যায় তাঁর ‘ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ’-এ। তিনি ঈদুল আযহার আনন্দ ঘোষণা করে বলেন, “ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ/ এল্ আবার দুস্রা ঈদ।/ কোরবানী দে কোরবানী দে,  শোন্ খোদার ফরমান তাকীদ্।”
এরপর তিনি কোরবানী কি এবং আল্লাহ কেন কোরবানীতে উৎসাহিত করেছেন তা তুলে ধরে বলেন, আল্লাহ কখনো পশু কোরবানীর গোস্ত চান না। কেননা, “চাহিনা ক’ গাভী দুম্বা উট,/ কতটুকু দান? ও দান ঝুট।/ চাই কোরবানী, চাই না দান।/ রাখিতে ইজ্জত্ ইসলামের/ শির চাই্ তোর, তোর ছেলের,/ দেবে কি? কে আছ মুসলমান?”
কোন কোন প্রতারক মুসলিম টাকা পয়সা খরচ করে আল্লাহকে কিনতে চায় কেবল লোক দেখানো কিছু পশু কোরবানী দিয়ে। এসব ভ- প্রতারকরা আবার সমাজের নেতা হবার বাসনা প্রকাশ করে। এসব ভ- প্রতারকদের বিরুদ্ধে কাজী নজরুল ইসলামের অবস্থান বেশ জোরালো। প্রতারকদের তিনি “ফাঁকিবাজ”, “ফেরেব-বাজ”, “লজ্জাহীন” “ধান্ধাবাজ” বলে সম্বোধন করেছেন।
অন্যকে সহযোগীতা করা ও মানব কল্যাণ করা যে ইসলামের প্রধানতম কাজ তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, “গরুরে করিলে সেরাত পার,/ সন্তানে দিলে নরক-নার। মায়া দোষে ছেলে গেল দোজখ।/ কোরবানী দিলি গরু-ছাগল,/ তাদেরই জীন হ’ল সফল/ পেয়েছে তাহারা বেহেশ্ত-লোক।” কিন্তু একাজ না করে যখন মুসলামনরা ভিন্ন কাজ  করে তখন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “শুধু আপনারে বাঁচায় যে,/ মুসলিম নহে, ভ- সে!/ ইসলাম বলে- বাঁচ সবাই।/ দাও কোরবানী জান্ ও মাল,/ বেহেশ্ত তোমার কর হালাল ।/ স্বার্থপরের বেহেশ্ত নাই।”
ইসলামের  কোরবানীর আরো তাৎপর্য রয়েছে তা কাজী নজরুল ইসলামের কবিতায় উঠে এসেছে। “নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম বাঙালি জাতির আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়িয়ে দিয়েছে এবং তিনি বাঙালি মুসলমানদের মনমানসিকতাকে যেমন সম্মান প্রদর্শন করেছেন তেমনি মুসলমানদের ইতিহাসের গৌরব সম্পর্কেও অবগত ছিলেন। যাইহোক, একথা বলতে হবে কাজী নজরুল ইসলাম ধর্মের নামের সকল অন্ধত্ববাদ ও উগ্রবাদ থেকে মুক্ত ছিলেন। সর্বান্তকরণে তিনি ছিলেন মানব হিতৈষী, হিন্দু-মুসলিম ঐক্যে বিশ্বাসী, এবং মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে জীবন্ত এক আতঙ্ক।”
আমরা জানি বৃটিশ ভারতের অনেক জায়গায় মুসলমানরা কোরবানী দিতে পারতো না। এরজন্য অনেকেই হিন্দুদের অভিযুক্ত করে থাকেন, কিন্তু নজরুল এক্ষেত্রে পরাধীনতাকে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর মতে পরাধীন থাকলে ঔপনিবেশিক শক্তি সমূহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়ে ধর্ম কর্মকে বিগ্নিত করাই হচ্ছে তাদের লক্ষ্য। আর সত্যকে বাঙালি মুসলমানরা বুঝতে না পারায়, তাদের ভৎসনা করে বলেন, “খেয়ে খেয়ে গোশ্ত রুটি তো খুব/ হয়েছ খোদার খাসি বেকুব,/ নিজেদের দাও কোরবানী।/ বেঁচে যাবে তুমি, বাঁচিবে দ্বীন,/ দাস ইসলাম হবে স্বাধীন,/ গাহিছে কামাল এই গানই।” তিনি এরপর একে একে মুসলামনদের হীনতা ও দীনতাকে তিরস্কার করে বলেন, “ডুবে ইসলাম, আসে আাঁধার।/ ইব্রাহিমের মত আবার/ কোরবানী দাও প্রিয় বিভব।/ “জবীহুল্লাহ্” ছেলেরা হোক,/ যাক সব কিছু-সত্য রোক।” এরপর তিনি কঠোর ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “যত দিন তোরা নিজেরা মেষ,/ ভীরু দুর্বল, অধীন দেশ,Ñ/ আল্লার রাহে, ততটা দিন/ দিও না ক’ পশু কোরবানী,/ বিফল হবে রে সবখানি।/ (তুই) পশু চেয়ে যে রে অধম হীন।”
এরপর তিনি তাঁর মনোবাসনা ব্যক্ত করে বলেন, “পশু কোরবানী দিস্ তখন/ আজাদ-মুক্ত হবি যখন/ জুলম-মুক্ত হবে রে দ্বীন।-/ কোরবানীর আজ এই যে আগুন, / জালিমের যেন রাখে না চিন্॥”  তবে কোরবানীর আরেকটি বড় শিক্ষা হলো আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে থাকা বিদ্যমান বিবাদ মিটিয়ে ফেলা। এ সম্পর্কে নজরুল বলেন, “গলায় গলায় মিল রে সবে/ ভুলে যা ঘরোয়া বিবাদ,/ শিরীন্ জবান? তশ্তরীতে প্রেম মফিদ॥”
পরিশেষে এ কথা বলা শ্রেয় কাজী নজরুল ইসলাম ইদুল আযহাকে কেবল পশু কোরবানীর উৎসব হিসাবে গ্রহণ করেননি। তিনি এ কোরবানীকে নিয়েছেন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পাশাপাশি আল্লাহর ইবাদত করার জন্য উপযুক্ত জায়গা তৈরির শিক্ষা হিসাবেও। স্বাধীনতা অর্জনে জীবনোৎসর্গ করার যে বিকল্প নেই, যে শিক্ষা তিনি হযরত ইব্রাহীম (আ.)-কে আল্লাহ যে নির্দেশনা দিয়েছেন তা থেকে নিয়েছেন। তাই প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য কোরবানীর প্রকৃত শিক্ষা সমুহ গ্রহণ করে জীবনের অর্থকে খোঁজে নিয়া।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ