ঢাকা, শনিবার 17 November 2018, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

পশুর হাটে ভীড় বাড়ার সাথে সাথে দাম বৃদ্ধি: আজ সরবরাহ ও ক্রেতা দুটোই বাড়বে

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

পবিত্র ঈদুল-আজহার বাকি আর মাত্র একদিন। গতকাল সোমবার সকাল থেকেই জমে উঠতে থাকে রাজধানীর বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট। তবে 

প্রথম দিকে দাম আগের দুদিনের তুলনায় কিছুটা কম থাকলেও ক্রেতাদের ভীড় বাড়ার সাথে সাথে তা বৃদ্ধি পেতে থাকে।ক্রেতারা সকাল থেকেই হাটে ভিড় করতে শুরু করেন। সন্ধ্যার দিকে ভিড় আরো বেড়ে যায়।সেই সাথে বাড়তে থাকে দামও।অনেককেই দাম বেশির কারণে গরু না কিনেই চলে আসতে দেখা যায়।

তবে ইজারদার ও ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোরবানির পশু রাজধানীতে প্রবেশ করছে। পশুবাহী শত শত ট্রাক বিভিন্ন ফেরি ঘাটে যানজটে আটকা পড়ে আছে।তাই আজ মঙ্গলবার পশুর সরবরাহ অনেক বাড়বে।সেই সাথে বাড়বে ক্রেতাসমাগমও।

পশুর সরবরাহ বেড়ে গেলে দাম কমে আসতে পারে বলে জানান তারা।

গাবতলী পশুর হাটের ইজারদার রাকিব ইমরান বলেন, কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। ‘আজ রাত (সোমবার রাত) থেকে সরবরাহ আরো বাড়বে। কারণ অনেক পশুবাহী ট্রাক ফেরি ঘাটে আটকা পড়ে আছে। আজ পশুর দাম অনেক স্বাভাবিক এবং সরবরাহ বাড়লে তা হয়তো আরো কমে আসবে।’

বুধবারের ঈদুল-আজহাকে সামনে রেখে সোমবার সর্বশেষ কর্মদিবস থাকায় এ দিন রাত ও মঙ্গলবারে ক্রেতাদের আরো ভিড় বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সংলগ্ন ৩০০-ফিট সড়কের পশুর হাটে গিয়ে ইউএনবি প্রতিনিধি অনেক ভিড় দেখতে পেয়েছেন। এই হাটটি রাজধানীর অন্যান্য হাটের তুলনায় অনেক জায়গা নিয়ে বিস্তৃত।

হাটে ১০০ ছাগল নিয়ে এসেছেন ঝিনাইদহের ব্যবসায়ী আবদুল করিম। তিনি প্রতিটি ছাগলের দাম হাঁকছেন আট থেকে ২৫ হাজার টাকা।

ইউএনবির আরেক প্রতিনিধি পুরান ঢাকার নয়াবাজার পশুর হাটে গিয়ে দেখেন, এখনো দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে হাটে পশু আসছে। সেখানে অধিক চাহিদা থাকার কারণে ছোট আকারের গরু তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। 

ভাটারা সাঈদনগর পশুর হাটের ইজারাদার মো. মারফত আলী জানান, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় সোমবার দাম তুলনামূলক সহনীয় ছিল। ছোট আকারের গরু ৪০ থেকে ৭০ হাজার, মাঝারি আকারেরগুলো এক থেকে পৌনে দুই লাখ এবং বড় আকারের গরু তিন থেকে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ‘ক্রেতারা এখনো বাজারের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দাম কমার অপেক্ষায় আছেন।’

রাজধানীর মেরাদিয়া বাজারে আসা ক্রেতা আহসান হাবিব বলেন, কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ দেখা যাচ্ছে। ‘গতকালের (রবিবার) তুলনায় দাম খুব বেশি নয়। গতকাল নাকি দাম কিছুটা বেশি ছিল।’

কুষ্টিয়া থেকে আসা ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম বলেন, এবছর ভারতীয় পশুর উপস্থিতি কম থাকায় তারা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন।

ঈদুল-আজহা উপলক্ষে এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন গাবতলীর স্থায়ী হাটের পাশাপাশি নয়টি অস্থায়ী হাট বসিয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ১৫টি অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি দিয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ