ঢাকা, শনিবার 25 August 2018, ১০ ভাদ্র ১৪২৫, ১৩ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ঈদের ছুটি শেষ হলেও রাজধানী ফাঁকা 

স্টাফ রিপোর্টার : চিরচেনা রাজধানী এখন ফাঁকা। ঈদের ছুটি শেষ হলেও শহরের রাস্তাজুড়ে নেই যানজট আর কোটি মানুষের আনোগোনা। নাড়ির টানে বাড়িতে গেছেন নগরবাসী। তারা ফিরবেন আগামী রোববার অফিস করার আশাায়। মূলত পুরো সপ্তাহজুড়েই মানুষ ঢাকায় ফিরবেন। তাই গতকাল শুক্রবার রাজধানীর অধিকাংশ সড়কই ছিল মূলত ফাঁকা। দোকানপাট বন্ধ। সবখানে সুনসান নীরবতা।

ঈদের ছুটি শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। কিন্তু শুক্রবার শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় কেউ ফিরে আসেনি ঢাকায়। সবাই রোববার অফিস করার আশায় আছেন। তাই ঈদের আমেজেই আছে রাজধানী ঢাকা। তাই গতকাল শুক্রবার নগরীতে কম ছিল গণপরিবহণ। কম ছিল রিকশা সিএনজি অটোরিকশাও। রাজধানীর রাস্তাগুলো প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসের দখলে। অনেকটা নির্বিঘেœ  চলাচল করছেন নগরবাসী। ঈদের আগের দিন দুপুরের পর থেকে রাজধানীজুড়ে পাওয়া গেছে এমন চিত্র। রাজধানীর মতিঝিল, ফার্মগেট, গুলশান, ধানমন্ডি, শাহবাগ, মিরপুর, বনানী, নিউমার্কেট প্রায় সব এলাকায় একই অবস্থা।

দেখা গেছে, রাজধানীর বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের চিত্র ছিল গতানুগতিক। তবে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা কম বলে যানজট ছিল না। রিকশাচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, টিকিট না পেয়ে দ্যাশে যাইতে পারি নাই এখন যা ভাড়া মারছি তাই লাভ। একই কথা জানালেন সিএনজি চালক রহিম মিয়া। তিনি জানালেন, ঈদে ঢাকায় বাড়তি আয় হয়। কয়েকদিন পরে বাড়ি যাবেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই ফাঁকা হতে থাকে রাজধানী। চাকরিজীবীরা আগেই পরিবারের সদস্যদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। তবে সোমবার ঈদের আগে শেষ কার্য দিবসে রাজধানীর রাস্তাগুলোতে ছিল ঘরমুখো মানুষের স্রোত।

ঈদে প্রতিবারের মতো রাজধানীর গার্মেন্টগুলোতে পর্যায়ক্রমে ছুটি দেয়া হয়। কেউ কেউ দু’তিন দিন আগে থেকেই গার্মেন্ট ছুটি দিয়ে দেয়। গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর অনুরোধে এই কাজ করা হয়। এর ফলে নগরী ফাঁকা হতে থাকে বেশ আগে থেকেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুর, সাভার, শেওড়াপাড়ার গার্মেন্ট এলাকাগুলো  ফাঁকা দেখা গেছে। আবার কোথাও কোথাও দেখা গেছে গাড়ির দীর্ঘ লাইন। গার্মেন্টের কর্মীরা নিজ উদ্যোগে এসব গাড়ি ভাড়া করে এনেছেন। বিভিন্ন জেলার কর্মীরা একসঙ্গে বাড়ি যাবেন।

শ্রমজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, দুপুরের পর থেকে এসব গাড়ি ছেড়ে যায়। মালিক পক্ষের সহযোগিতায় গার্মেন্টের কর্মীরা নিজেরা একত্রিত হয়ে এসব গাড়ি ভাড়া করে থাকেন।

প্রতিবার নগরবাসীকে বাড়ি ফিরতে বিড়ম্বনায় পড়তে হলেও এবার একটু বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে উন্নয়ন কাজ আর মেট্রোল প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় যাতায়াতে কিছুটা বাড়তি বেগ পোহাতে হয়েছে যাত্রীদের। পল্টন এলাকায় দেখা যায় প্রেস ক্লাবের উল্টো পাশ দিয়ে পল্টন আসা হয় মেইন রোড হয়ে। রাস্তা কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে এক লাইনে চলতে হচ্ছে œ বাসগুলোকে। এজন্য গাড়ির সংখ্যা কম হলেও কিছু সময় লাগছে পল্টন মোড় পার হতে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ