ঢাকা, শনিবার 25 August 2018, ১০ ভাদ্র ১৪২৫, ১৩ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় ঈদ আনন্দে নির্বাচনী আমেজ!

 

খুলনা অফিস : এবার ঈদে খুলনায় রাজনীতিকদের মধ্যে ঈদ আনন্দে নির্বাচনী আমেজ দেখা দিয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঈদ এবার নির্বাচনমুখী। খুলনার ৬টি আসনের প্রার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদগাহে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা কোলাকুলিও করেছেন। ঈদে বেশির ভাগ সময় তাদের কাটছে দলীয় নেতাকর্মী ও নির্বাচনী এলাকাবাসীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে।

মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি ডুমুরিয়া-ফুলতলার তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার মোটরসাইকেলে ফুলতলা-ডুমুরিয়া উপজেলা প্রত্যন্ত অঞ্চলে চষে বেড়িয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান কয়রা-পাইকগাছায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। বিএনপির প্রার্থীদের এ আসনটিতে আগাম প্রচার না থাকলেও খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কয়রা-পাইকগাছার নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনাও নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক নিজ গ্রাম বাগেরহাটের রামপালে ঈদের জামাতে অংশ নেন। মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের স্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বর্তমানে বাগেরহাট-৩ আসনের (রামপাল-মংলা) এমপি। নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান এমপি দিনভর নেতাকর্মীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুও সারাদিন দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। কারাবন্দী নেতাকর্মীদের পরিবারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।

বর্তমান মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানও নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি দৌলতপুরের বাড়িতে ঈদ পালন করেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম কামাল মোটরসাইকেলে চষে বেড়ান খালিশপুর দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা এলাকা। এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সহ-সভাপতি রকিবুল ইসলাম বকুলের অনুসারীরা বিলবোর্ড ও ব্যানার টানিয়ে তার অবস্থান জানান দেন। পিছিয়ে নেই মহানগর বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এসএম আরিফুর রহমান মিঠু, যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলামও। সাবেক ফুটবলার শিল্পপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী এলাকায় না আসলেও ঈদের সন্ধ্যায় রূপসা-তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলায় দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে মনোনয়ন দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল করে।

উপনির্বাচনে অংশ না নিলেও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন এ আসনটিতে। দলটির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলালের অনুসারীরা ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ