ঢাকা, শুক্রবার 16 November 2018, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে মানুষ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

নাড়ীর টানে বাড়ি ফেরা রাজধানীবাসী পরিবার ও স্বজনদের সাথে ঈদ কাটিয়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে আবারো ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে।

রাজধানীর গাবতলী, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ স্টেশনে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

তবে অনেকেই বলছেন, আজও ছুটির দিন থাকায় অনেকে এখনো ফিরেনি, তবে আজ রাত থেকে রবিবারের মধ্যে ঢাকাকে আবার পুরনো চেহারায় পাওয়া যাবে।

নৌ ট্রাফিকের যুগ্ম পরিচালক আলমগীর হোসেন জানান, বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৭০টি যাত্রীবাহী লঞ্চ সদরঘাটে এসে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, লঞ্চের সংখ্যা বেশি হলেও যাত্রীর সংখ্যা এখনো আশানুরূপ নয়। আশা করা যায় কাল (রবিবার) থেকে পুরোদমে যাত্রী আসা শুরু হবে।

এদিকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের সাব-ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান জানান, স্টেশনে আসা ট্রেনগুলো থেকে মানুষ ও তাদের মামলামাল নামাতে বিলম্ব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা বিলম্বে প্রতিটি ট্রেন আবার ফিরে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় আসা ব্যাংক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, আগামী দিন থেকে কর্মস্থলে যোগ দিতে ও বাচ্চাদের স্কুল খোলার কারণে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন।

এখন ভিড় কম থাকায় প্রত্যাশিত সময়ের পূর্বেই সহজেই গন্তব্যে আসতে পেরেছেন বলে জানান ওই ব্যাংক কর্মকর্তা।

অপরদিকে, পদ্ম নদীতে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে নাব্যতা সংকটের কারণে ভোর রাত ৪টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন এ রুটের যাত্রীরা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সহাকারী ব্যবস্থাপক খন্দকার শাহ খালেদ নেওয়াজ বলেন, ১০টি ছোট ভোট ফেরি এ রুটে চলমান রয়েছে। ফলে দুপাশে ভারী যানবাহনসহ প্রায় তিন শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে।

নাব্যতা বৃদ্ধির জন্য নদীতে ড্রেজিং-এর কাজ চলছে জানিয়ে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা বলেন, আশা করছি খুব দ্রতই এ সমস্যার সমাধান হবে।

তবে যাত্রী পারাপারের জন্য এই রুটে ৮৭টি লঞ্চ এবং প্রায় ৪০০টি লঞ্চ চলাচল করছে বলে জানান বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তা শাহ খালেদ।

ফেনী থেকে ঢাকায় ফেরা শাহজাহানপুরের বাসিন্দা ফারহানা ডলি বলেন, মহাসড়ক অনেকটা ফাঁকা থাকায় তাদের আসতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও কম সময় লেগেছে।

ঈদের ছুটি শেষ হয়ে এলেও ঈদের আমেজ এখনো থাকায় বিভিন্ন কারণে ঢাকায় থেকে যাওয়া মানুষগুলো জ্যামহীন ঢাকায় ঘুরে বেড়িয়েছেন বন্ধুবান্ধবদের সাথে।

তেমন একজন জারিফ রফিউল হক ইরাজ জানান, ঢাকাকে খুব কম সময়ই এমন জ্যামহীন অবস্থায় পাওয়া যায়। সাধারণত বছরে দুই ঈদের সময় এমন চিত্র দেখা যায়।

তিনি বলেন, একারণেই আমরা বন্ধু-বান্ধবরা এক সাথে ঢাকার বিভিন্নস্থানে খুবস সহজেই ঘুরে বেড়িয়েছি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ