ঢাকা, রোববার 26 August 2018, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ১৪ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চতুর্মুখী সংকটে ক্ষমতাসীন আ’লীগ

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল : চতুর্মুখী সংকটে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দল ও অঙ্গসংগঠনগুলোর লাগামহীন সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট, প্রতিপক্ষের ওপর হামলার পাশাপাশি এসব কারণে নিজ দলের ভেতরে থাকা দেশপ্রেমিকদের ক্ষোভ হতাশা ক্রমশ বৃদ্ধি এবং ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন পরবর্তীতে দেশী-বিদেশী চাপের ফলে চতুর্মুখী সংকটে আওয়ামী লীগ। নিজ দলের ক্যাডারদের হামলা-লুটপাটে বাধা দিলে মাঠ বিরোধী শিবিরের দখলে চলে যাবে এ আশংকায় কোনো ব্যবস্থাও নিতে পারছে না তারা। অন্যদিকে দেশের পক্ষে অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধেও কিছু করা যাচ্ছে না। এছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে সরকার দলীয়দের ভোট ডাকাতির চিত্র যেভাবে দেশে বিদেশে প্রকাশিত হয়েছে তাতে নিজেদের অধীনে সংসদ নির্বাচনের কথাও বলতে পারছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দিন যতই যাচ্ছে ততই সংকট বাড়াচ্ছে দেশের সবচেয়ে পুরাতন এই দলটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের অবস্থা এখন এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে, যেকোনো সময় সরকারের বিরুদ্ধে গণবিষ্ফারণ ঘটতে পারে। বিরোধী দলের আন্দোলনের জন্যও তারা অপেক্ষা করবে না। এরই মধ্যে কোটা প্রথা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে যেভাবে পুরো দেশ স্বোচ্চার হয়ে উঠেছে তাতে সরকারের ভীতও নড়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হয়ে মন্ত্রী পরিষদের সভায় বলেছেন, যারা ভয় পান তাদের আমার মন্ত্রিসভায় প্রয়োজন নেই। এছাড়া বিরোধী জোটের আন্দোলন ঘোষণায় ভীতসন্ত্রস্ত দলটি। এরই মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, র‌্যাব-পুলিশ বাদ দিয়ে আসুন, মাঠেই দেখা হবে। 

দেশের রাজনৈতিক এ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির যদি শান্তিপূর্ণ কোনো সমাধান না হয় তাহলে ক্ষমতাসীন দলের তৃণমূল ও মধ্যম সারির নেতাদের পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়েই চিন্তিত নেতারা। দলের তৃণমূল নেতারা প্রায় সকলেই চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ একটা সমাধান চান। তারা অতীত অভিজ্ঞতা থেকে মনে করেন, যখন যে সরকারই আসুক না কেন ক্ষমতার পালাবদলে চরম বেকায়দায় পড়তে হয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের। তাদের মতে, শীর্ষ নেতারা যে যার মতো নিরাপদ স্থান বেছে নিতে পারেন খুব সহজেই। তৃণমূল নেতাদের জন্য যা খুবই কঠিন।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও যুবলীগ প্রেসিডিয়ামের এক সদস্য সম্প্রতি এক ঘরোয়া আড্ডায় হঠাৎ করে বলেই ফেললেন নিজের ভেতরে থাকা ক্ষোভ ও আক্ষেপের কথা। ভেতরে ভেতরে যে আতঙ্কেও রয়েছেন এমন কিছু বুঝা গেলো তার মন্তব্য থেকে। তিনি বলেন, দেশে এখন যে উদ্বেগজনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে এ থেকে উত্তরণের পথ দেখছি না। রাজনীতিকরা এখন অনেক বিপদের মধ্যে রয়েছেন। কখন কার দোষে কে ফেঁসে যায় তা বলা যায় না। কখন কোন ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয় তাও বলা যায় না। কেমন যেন একটি অস্থিরতা বিরাজ করছে সারাদেশে। মানুষের মধ্যে স্বস্তি নেই। দেশের অবস্থার উন্নতি না হলে সম্ভাব্য সংকট এড়াতে শেষ পর্যন্ত তাবলীগ জামাতে জীবনের বাকি সময় কাটিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন বলেও জানালেন ওই যুব নেতা। 

যদিও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন, ক্ষমতা হারালে নেতাকর্মীর অবস্থা হবে শোচনীয়। তাই যে কোনো ভাবে ক্ষমতায় থাকতে হবে। এছাড়া ক্ষমতাসীন দলের অনেক মন্ত্রীও একই কথা বলেছেন। তবে সরকারি দল যাই বলুক না কেন তারা যে ভালো নেই তা ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যে আবারো প্রমাণিত হয়েছে। তিনি সম্প্রতি বলেছেন, তিনিসহ তার দল খুবই সংকটে আছেন। এমন অবস্থায় তারা কখনো পড়েন নি। চারদিক থেকে নাকি সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এমনকি তারা ১/১১ এর ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছেন। 

জানা গেছে, বিরোধী জোটের আন্দোলনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দলের অনেক নেতাই এখন দেশ ছাড়ার প্রহর গুণছেন। এছাড়া যাদের বিদেশে আশ্রয় নেওয়ার সামর্থ্য এখনো হয়নি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কী করবেন এ নিয়েই ভাবছেন এরা। দেশের রাজনৈতিক এ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির যদি শান্তিপূর্ণ কোনো সমাধান না হয় তাহলে ক্ষমতাসীন দলের তৃণমূল ও মধ্যম সারির নেতাদের পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়েই চিন্তিত নেতারা। দলের তৃণমূল নেতারা প্রায় সকলেই চলমান সংকটের শান্তিপূর্ণ একটা সমাধান চান। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জান-মাল ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় বেশি সাধারণ নেতাকর্মীদের। এ কারণে বর্তমান পরিস্থিতি আরো ভয়াবহতায় রূপ নেওয়ার আগে রাজনৈতিক সংকটের একটা শান্তিপূর্ণ উপায় চান তারা। আওয়ামী লীগের মাঝারি ও তৃণমূল অধিকাংশ নেতাই মনে করেন, এখনো সময় আছে। আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আর এটাই ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতার বাইরে থাকা উভয় পক্ষের জন্য কল্যাণকর। তারা মনে করেন, আজ হোক কাল হোক অথবা পাঁচ বছর-দশ বছর পর হোক আওয়ামী লীগের হাত থেকে এক সময় হঠাৎ ক্ষমতা চলে যাবে। যে গুটিকয় রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীকে ভুল বুঝিয়ে আজ দেশকে চরম অবস্থার দিকে নিয়ে গেছেন এরা তো আগে থেকেই টের পাবেন এবং দেশ থেকে ভাগবেন। তখন তাদের কী হবে?

আওয়ামী লীগের মাঝারি এবং তৃণমূল অনেক নেতার সঙ্গেই এ প্রতিবেদকের কথা হয়েছে। প্রায় প্রত্যেকে এ প্রসঙ্গে একই কথা বলেছেন। ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলা যুবলীগ নেতা মীর হাবিব উল্লাহ অত্যন্ত সরল ভাষায় তার মতামত ব্যক্ত করেন। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। মীর হাবিব উল্লাহ বলেন, দেশে এখন যে অবস্থা তৈরি হয়েছে এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতার বাইরে থাকা কোনো দলের নেতাকর্মী এখন আর নিরাপদ নয়।  রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা লিয়াকত জানান, সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে দেশ  চলছে তাতে আতংকিত না হয়ে পারা যাচ্ছেনা। সন্ত্রাসীদের টার্গেট থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও রেহাই পাচ্ছেন না। ক্ষমতাসীন দলের নেতা, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত কাউন্সিলর, এমনকি নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যানও যদি অনিরাপদ হন তাহলে অন্যদের নিরাপত্তা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়? ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম হত্যার ঘটনার উদাহরণ দিয়ে যুবলীগের এ নেতা বলেন, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে গুলী করে ও আগুন দিয়ে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে পুড়িয়ে মারার পরও কী আমরা বলবো, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো? এভাবে আরো কিছু দিন চললে দেশের পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা খুব সহজভাবেই ধারণা করা যায়। তিনি বলেন, দেশের মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে। দেশের শাসন ব্যবস্থায় যারাই থাকবে ও আসবে তাদের উচিত দেশের সাধারণ মানুষের ইচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণতন্ত্রকে সুসংহত করার জন্য কাজ করা। গণতন্ত্রের ধারা ব্যাহত হতে পারে, এমন পদক্ষেপ সরকার বা সরকারের বাইরে থাকা কোনো পক্ষেরই নেওয়া উচিত হবে না। দেশে এখন যে রাজনৈতিক সংকট রয়েছে এর শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য সরকার ও সরকার বিরোধীদের আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে দুটি আন্দোলন হয়েছে তাতে যদি রাজনৈতিক শক্তি যোগ দেয় তাহলে পরিণতি হবে ভয়াবহ। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, বার বার রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দেশের এ প্রধান দু’দলের শীর্ষ নেতারা যদি আন্তরিকভাবে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন তাহলে বাংলাদেশের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য “অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো’র” দরকার হবে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কতিপয় নেতা এবং কতিপয় দুর্নীতিবাজ আমলা নিজেদের আখের গোছানোর সুবিধার্থে নেত্রীকে ভুল পথে পরিচালিত করছেন। এরা দেশকে আজ চরম পরিস্থিতির দিকে নিয়ে গেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে বাঘের পিঠে চড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, তৃণমূল নেতারা চলমান সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। তারা আর কোনো সহিংসতা চায় না। কোনো সহিংসতাই সমাধানের পথ হতে পারে না। 

শুধু মাঝারি বা তৃণমূল নেতারাই নন, আওয়ামী লীগের অনেক প্রবীণ নেতাও বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুবই উদ্বিগ্ন। আওয়ামী লীগের অনেক অভিজ্ঞ নেতা তাদের ভবিষ্যত নিয়ে বেশ চিন্তিত। তারা এর একটি সুরাহা চান। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টাম-লীর একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক সমঝোতা দরকার। দেশে বিদ্যমান প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যের ভিত্তিতেই দেশ পরিচালনা করা উচিত। দেশে যাতে কোনো অরাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতাসীন হতে না পারে সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা জরুরি। 

তিনি দেশের বর্তমান অবস্থাকে একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, একটি দেশ এভাবে চলতে পারে না। সরকারের উচিত হবে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে আরো বেশি সতর্ক হওয়া। অপহরণ, গুম ও খুন বন্ধ করা না গেলে পরিস্থিতি ক্রমেই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি। 

এছাড়া আরো অনেকের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, এরা অধিকাংশই দেশে একটি স্থিতিশীলতা চান। তারা এও মনে করেন, মাঠে রাজনীতি করতে হলে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই করতে হবে। দেশে এখন যেভাবে হামলার ঘটনা ঘটছে তা অতীতের যেকোনো সময়ের রেকর্ড ভেঙেছে। একটি দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও যখন গুম-খুনের সঙ্গে জড়িত হয়, তখন সমগ্র দেশই অনিরাপদ হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য সকল দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলকেই এগিয়ে আসতে হবে।    

সূত্র মতে, বর্তমান সরকার এখন চতুর্মুখী সংকটে পড়েছে। প্রশাসনিক ও দলীয় সংকটের পাশাপাশি কূটনৈতিক সমস্যাও দানা বেঁধে উঠছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িয়ে পড়া দলীয় সন্ত্রাসীদের নিয়েও চরম বিপাকে পড়েছে সরকার। আর এরই মধ্যে ভারত বলে দিয়েছে, বাংলাদেশ সম্পর্কে তারা আগের অবস্থানে নেই। তারা চান একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। সব মিলিয়ে সরকারের ভেতরের অবস্থা অনেকটাই নাজুক। এ পরিস্থিতিতে সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারা যেসব অসুবিধায় রয়েছে তা অত্যন্ত কাছ থেকে দেখছেন রাজনৈতিক সহকর্মীরা। সরকারের মন্ত্রী ও বিভিন্ন পদে থাকা আওয়ামী লীগ নেতারা মুখ না খুললেও অনুসারীরা তাদের হাবভাবে সবই বুঝতে পারছেন। তাই ক্ষসতাসীন দলের অনেক নেতাই বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছেন বলে জানা যায়। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে কথা বলে আওয়ামী লীগ নেতারা সরকার বিরোধী জোটকে তর্কযুদ্ধে ব্যস্ত রাখলেও এখন পরিস্থিতি অনেকটাই ভিন্ন। ক্ষমতাসীন দলের ভেতরে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। সংবাদ মাধ্যমে কথার ফুলঝুড়ি ছড়িয়ে ব্যস্ত রাখতে অভ্যস্ত নেতাদের কেউ কেউ এখন গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলতে চান। যিনি কথা বলছেন তিনিও আবার এতে খুব সতর্কতা অবলম্বন করছেন। বিশেষ করে সিনিয়র, অভিজ্ঞ নেতারা এখন মাপকাঠি ঠিক রেখেই কথা বলছেন। মাঝারি সারির দু’একজন বাদে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, নেতারা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে আক্রমণাত্মক তো নয়ই, এমনকি কোনো কোনো সময় রাজনৈতিক কথাও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলেও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। প্রসঙ্গ পরিবর্তন করে কথা বলার নীতি অনুসরণ করছেন। যারা ইতোপূর্বে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বাঘের মতো হুংকার দিতেন এরাও কেমন যেনো শান্তশিষ্ট হয়ে গেছেন। খুবই সতর্ক তারা। আর দলের ভেতরে যারা চোয়ালের ওপর ভর করে বক্তৃতা করতে অভ্যস্ত তারাও হঠাৎ যেন কিছুটা চুপসে গেছেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ