ঢাকা, রোববার 26 August 2018, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ১৪ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আজ থেকে চিরচেনা রূপে ফিরছে ঢাকা 

স্টাফ রিপোর্টার : আজ রোববার সরকারি বেসরকারি অফিস খোলা থাকায় পাঁচ দিনের ছুটি কাটিয়ে চিরচেনা রূপে ফিরবে রাজধানী ঢাকা। কিন্তু গতকাল শনিবারও ব্যস্ততার শহর ঢাকা ছিল একেবারেই ফাঁকা। বিনোদন কেন্দ্র ছাড়া ঢাকার রাস্তায় ইচ্ছে মত ঘুরে ফিরে বেড়িয়েছেন মানুষ। কিন্তু আজ আবার যানজটময় জনাকীর্ণ রাজধানীতে পরিণত হবে ঢাকা। যদিও কিছু মানুষ অফিস থেকে নেওয়া অতিরিক্ত ছুটি কাটিয়ে দুই একদিন পর কর্মস্থলে ফিরবেন। তবে ঢাকায় অধিকাংশ মানুষের উপস্থিতি ঢাকাকে কর্মচঞ্চলময় করে তুলবেন কর্মজীবীরা। 

গতকাল শনিবার ছিল ঈদের চতুর্থ দিন। এদিন ঢাকার বেসরকারি অফিস খুললেও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বন্ধ ছিল সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। ঈদে ১ কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়লেও মূলত শনিবার বিকেল থেকে ঢাকায় পুরোদমে আসতে শুরু করে মানুষ। এজন্য রাজধানীতে গতকালও ছিল ঈদের আমেজ, মূলত ঢাকা ছিল ফাঁকা।

গতকাল সারাদিন রাজধানীর মালিবাগ, রামপুরা, মিরপুর, গুলশান, বাড্ডা, তেজগাঁও, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, ফার্মগেটে তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। প্রাইভেট কার, সিএনজি-রিকশার সংখ্যাও ছিল অনেক কম। এসব এলাকা ঘুরে চোখে পড়েনি কোনো যানজট কোলাহল। সিটিং বাসে রাজধানীর পল্টন থেকে উত্তর বাড্ডা এলাকায় যেতে সময় লাগতো কমপক্ষে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা, এখন লাগছে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট।

ব্যাংক আর শেয়ারবাজার বন্ধ থাকায় ঢাকার ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিল ছিল প্রায় জনশূন্য। রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা কম, যানজটও কম, ছিল না হকারদের কোলাহল। রাজধানীর বিভিন্ন রুটের অধিকাংশ বাস ছিল ফাঁকা। 

রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন, মহাখালী-সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ও সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড় থাকলেও রাস্তায় এর প্রভাব ছিল না। মিরপুরের পাইকপাড়ার বাসিন্দা ফাহিম রহমান বলেন, সোমবার থেকেই ঢাকার সড়কগুলো ফাঁকা ছিল। 

সদরঘাট থেকে মিরপুর ১০ যেতে ৪৫ মিনিট সময় লেগেছে। যেটা স্বাভাবিক সময়ে ৩ ঘণ্টায়ও সম্ভব ছিল না। সকালে সাভারের গেন্ডা থেকে গুলিস্তানে আসা যাত্রী রাহী আক্তার বলেন, ঢাকায় ঢোকার পথে গাবতলীতে যান চলাচলে কিছু ধীরগতি ছিল। কিন্তু অন্য কোথাও জ্যাম পাইনি। সড়ক পুরোটাই ফাঁকা ছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ