ঢাকা, রোববার 26 August 2018, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ১৪ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে - বিটিএ

 

স্টাফ রিপোর্টার: কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া প্রচারিত খবরকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ। তিনি বলেন, কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিটিএ’র কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিক সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেনর বিটিএ সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মাজাকাত হারুন, সহ-সভাপতি ইলিয়াসুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ প্রমুখ।

কাঁচা চামড়া পাচার রোধে একমাস সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়ে শাহীন আহমেদ বলেন, মিডিয়ার প্রচার হচ্ছে যে, ত্রিশ বছরের মধ্যে দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। এ ধরনের খরব চাউর হলে চামড়া পাচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আমরা অনুরোধ করবো, সীমান্ত রক্ষীবাহিনী যেন আরও অন্তত একমাস কড়াকড়ি আরোপ করে। চামড়ার কোনও ট্রাক যেন সীমান্তমুখী না হয়। চামড়া যেন পাচার না হয়।

 তিনি বলেন, পাড়া মহল্লার লোকজন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নামে জোরপূর্বক কম দামে চামড়া কেনার দায় ট্যানারিগুলো নেবে না। ট্যানারির মালিকরা নির্ধারিত মূল্যে লবণযুক্ত চামড়া কিনবে। তবে কেউ যদি চামড়ায় সঠিকভাবে লবণ না মেশায় তাহলে সেই চামড়ার দাম পাবে না। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা সঠিকভাবে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যানারি মালিকরা তা সংগ্রহ করবে।

শাহীন আহমেদ বলেন, যারা মৌসুমি চামড়াব্যবসায়ী, তারা যদি চামড়াকে সঠিকভাবে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করেন, তাহলে সেটি দুই থেকে তিন মাস পর্যন্ত ভালো রাখা সম্ভব। এ সময়ের মধ্যে আমাদের ট্যানারির প্রতিনিধিরা সেগুলো ন্যায্য দাম দিয়ে কিনে নেবে। এ জন্য তারা যেন তাড়াহুড়ো না করে, তা সে অনুরোধ করছি।

 তিনি বলেন, মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা যদি সঠিকভাবে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন, তাহলে আমাদের প্রতিনিধিরা আগামী এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন হাট ও মোকামে গিয়ে চামড়াগুলো সংগ্রহ করবেন। তাই মৌসুমি ব্যবসায়ীদের বলব, আপনারা দুশ্চিন্তা করবেন না। যদি  আপনারা উপযুক্তভাবে চামড়া সংরক্ষণ করে রাখেন, তবে ন্যায্য দামই পাবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে বিটিএর সভাপতি বলেন, সাভারে পরিকল্পিত ট্যানারি শিল্প গড়ে না ওঠার দায় বিসিকের। ভুল তথ্য দিয়ে ট্যানারি মালিকদের সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। এখানে যে বিনিয়োগ করেছিল ট্যানারি মালিকরা, তা মাঠে মারা গেছে। আগামীতে এ অবস্থা চলতে থাকলে বিসিকের বিরুদ্ধে মামলা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ