ঢাকা, সোমবার 27 August 2018, ১২ ভাদ্র ১৪২৫, ১৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে চলছে মাত্র ১১টি  ফেরি ॥ লঞ্চে ও সি-বোটে পরেছে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ

 

এম. তরিকুল ইসলাম, লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) : দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে নাব্যতা সংকট ও তীব্র ¯্রােতের কারণে এ নৌ-রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আর এতে করে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ছুটি উপভোগ করে ঢাকার কর্মস্থলে ফেরা দক্ষিণাঞ্চলের হাজারো যাত্রী দূভোগের কবলে পরছে। 

অপার দিকে এসব কর্মস্থলে ফেড়া যাত্রীদের চাপ পড়েছে লঞ্চ ও সি-বোটের ওপর। সরেজমিন শিমুলিয়া লঞ্চ ঘাটে গিয়ে দেখা যায় কাঠালবাড়ী ও মাঝিকান্দি থেকে ছেড়ে আসা প্রায় প্রতিটি লঞ্চেই ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ২ থেকে ৩ গুন যাত্রী নিয়ে প্রমত্রা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে এসে ভিড়ছে, আবার যাত্রী নামিয়ে দিয়েই ওপারে চলে যাচ্ছে। 

লঞ্চ থেকে নেমে এসব যাত্রীরা ঢাকায় যাওয়ার জন্য শিমুলিয়া বাস টার্মিনালে ভিড় করছে আর এ রুটের নির্ধারিত ৭০ টাকা ভাড়ার স্থলে সুযোগ বুজে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা ভাড়া আদায় করছে এক শ্রেণির পরিবহন মালিক ও স্টাফরা। আর প্রশাসনের সামনেই কাউন্টার ভিত্তিক পরিবহনগুলো ১০০ টাকা করে ভাড়া কাটছে। অন্যদিকে মাঝ নদীতে এসে এ নৌ-রুটের কিছু কিছু অসাধু লঞ্চ মালিক ও স্টাফরা নির্ধারিত ৩৩ টাকার ভাড়ার স্থলে ৪০ টাকা করে আদায় করছে বলে অভিযোগ করেন বরিশাল থেকে আসা ঢাকাগামি যাত্রী সোহাগ হোসেন ও আব্দুল লতিফ নামের দুজন যাত্রী, তারা বলেন, কাঠালবাড়ী ঘাট থেকে আমরা এমভি ডালিম-২ লঞ্চে উঠেছি লঞ্চটির স্টাফরা আমাদেরসহ আনেক যাত্রীদের থেকে ৪০ টাকা করে ভাড়া আদায় করছে এবং লঞ্চটিতে তিলধারণেরও ঠাই ছিলনা, পদ্মার মাঝে যখন লঞ্চটি এসেছে তখন মনে হচ্ছে ডুবে যাবে লঞ্চটি, আমরা অনেক ভয় পেয়েছি তবুও কি আর করবো অফিসতো ধরতে হবে। অপর দিকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে ২ টি রোরোসহ মোট ১৯ টি ফেরি বহরে থাকলেও নাব্যতা সংকট ও তিব্র ¯্রােতের কারণে রোরো ও বড় কেটাইপ ও ড্রাম ফেরিগুলো চলতে পারছেনা এ রুটে । বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম খন্দকার শাহ খালিদ নেওয়াজ জানান, বর্তমানে ৪ টি কেটাইপ, ৩টি মিডিয়াম, ১টি ছোট ও ৩টি ছোট ড্রাম ফেরি লেটিং, যমুনা ও টাপলোসহ মোট ১১ টি ফেরি চলাচল করছে এ নৌ-রুটে। তাও আবার ওয়ান ওয়ে পদ্বতিতে খুবিই সর্তকর্তার সাথে চ্যানেল পাড়ি দিতে হচ্ছে এতে করে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত সময় লাগছে ফেরিগুলো ঘাটে পৌছাতে ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ