ঢাকা, মঙ্গলবার 28 August 2018, ১৩ ভাদ্র ১৪২৫, ১৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

এশিয়াড হকিতে আজ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হটফেভারিট পাকিস্তান 

স্পোর্টস ডেস্ক : এশিয়াডে আজ বাংলাদেশের  সামনে পাকিস্তান। এশিয়ান গেমসে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ওমানকে  হারিয়ে  দারুনভাবে টুর্নামেন্টটি  শুরু করে বাংলাদেশ। দুর্বল কাজাকিস্তানকে ৬-১ গোলে ও চির প্রতিদ্বন্দ্বী ওমানকে ২-১ গোলে হারিয়ে এশিয়াড হকিতে যে আস্থার জায়গা তৈরি করে টিম বাংলাদেশ, তা যে ক্ষণস্থায়ী সেটিই বুঝিয়ে দিল শক্তিশালি মালয়েশিয়া। নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারে ওয়ার্ল্ডকাপে খেলা মালয়দের বিপক্ষে। শক্তিশালী মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বিধ্বস্ত হওয়ায় মনে হয়  ভারতে ছয়টি ও কেরিয়ায় পাঁচটি প্রাকটিস ম্যাচ বৃথাই গেলো। মালয়েশিয়ার সঙ্গে লাল সবুজদের সর্বশেষ সাক্ষাত ২০১৭ সালে ঘরের মাঠে ওয়ার্ল্ড কাপ রাউন্ড টু-এ। সেবার ৩-০ গোলে হেরেছিল স্বাগতিকরা। অথচ এবার ৭-০। বাংলাদেশ যে হকিতে আগের জায়গায়ই রয়েছে সেটি মানতে নারাজ লাল সবুজদের মালয়েশিয়ান কোচ গোবীনাথান কৃষ্ণমুর্তি। তবে থাইল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে হকিতে অনেক প্রাপ্তির এক জয় পায় বাংলাদেশ।এই জয়ে নিজেদের গ্রুপে তৃতীয় হওয়া একরকম নিশ্চিত। তাতে বাছাই পর্বের বদলে বাংলাদেশ সরাসরি খেলবে আগামী এশিয়ান গেমস।

গ্রুপ ‘বি’তে সমান চার ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৯ আর চার নম্বরে থাকা ওমানের ৬। বাংলাদেশকে টপকে তৃতীয় হতে হলে শেষ ম্যাচে শক্তিশালী মালয়েশিয়াকে অন্তত ৭ গোলে হারাতে হবে দুর্বল ওমানের। বাস্তবে এটা সম্ভব নয়। তেমনি পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলাও কঠিন। অথচ পয়েন্ট টেবিল বলছে শেষ ম্যাচের জয়েই বাংলাদেশ খেলতে পারে সেমিফাইনাল! পাকিস্তানের বিপক্ষে আকাশ-কুসুম সেই কল্পনা করছেন না কোচ গোবিনাথান কৃষ্ণমূর্তি, ‘আমি বাস্তববাদী। পাকিস্তানের খেলার মান অনেক উঁচুতে। আমরা ওদের চেয়ে পিছিয়ে। যতটুকু মান আছে সেটাও খেলতে পারছি না। সেদিন নিজেদের সেরাটা খেলতে পারাই লক্ষ্য।’ আশরাফুল বলেন , ‘দুই দলের ব্যবধান অনেক। ম্যাচের আগে আমাদের কোচ ভিডিও বিশ্লেষণ করে বুঝিয়ে দেয় কিভাবে খেলতে হবে। এরই অপেক্ষায় আছি।

১৯৭৮ সালে এশিয়ান গেমসে প্রথম অংশ নিয়েই ষষ্ঠ হয়েছিল বাংলাদেশ হকি দল। সপ্তম হয়েছে ১৯৮৬, ১৯৯৪, ২০০২ ও ২০০৬ সালে। অষ্টম গত দুই আসরে। নবম হয়েছে দুইবার ১৯৮২ ও ১৯৯৮ সালে। চার দশক পর আবারও অন্তত ষষ্ঠ স্থান নিশ্চিত বাংলাদেশের। থাইল্যান্ডের বিপক্ষে কখনো হারেনি বাংলাদেশ। রেকর্ডটা টিকে রইল এবারও। তবে যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হয়েছে ফরহাদ আহমেদ, মামুনুর রহমান চয়ন, রাসেল মাহমুদ জিমিদের। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ