ঢাকা, মঙ্গলবার 28 August 2018, ১৩ ভাদ্র ১৪২৫, ১৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে ফেরি চলছে জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা: দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রবেশদ্বার বলে পরিচিত ঢাকা-মাওয়া-খুলনা মহাসড়কের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে নাব্যতা সংকট ও তিব্র স্রোতের কারণে এ নৌ-রুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং ড্রামসহ বড় কয়েকটি ফেরিকে চলাচলের ক্ষেত্রে জোয়ার ভাটার ওপর নির্ভর করতে হয়। তাছাড়া ২টি রোরো ফেরি পালেরচর চ্যানেল দিয়ে চলাচল করলেও তাও ১ ঘন্টার পরিবর্তে ৪ ঘন্টা সময় লাগছে ঘাটে পৌঁছাতে যার ফলে কাঠালবাড়িতে যানবাহনের সাড়িও দৈর্ঘ্য হচ্ছে। এতে করে ঈদের ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীরা উত্রেজিত হয়ে উঠেছে। সরেজমিনে ফেরীঘাটের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন কালে দেখাযায় ১ নং ফেরি ঘাটে কাকলী নামক ফেরিটি ভিরছে এতে রয়েছে ছোট বড়সহ অসংখ যানবাহন। তাছাড়াও লুজ যাত্রীর সংখ্যাও রয়েছে প্রচুর। এদিকে কাঁঠালবাড়ি থেকে লঞ্চে করেও পদ্মা পাড়ি দিয়ে অসংখ্য যাত্রী শিমুলিয়া ঘাটে এসে বাস কাউন্টারগুলোতে ঢাকায় যাওয়ার টিকিটের জন্য লাইনে দাড়িয়ে আছে। এ সুযোগে গাংচিলসহ কয়েকটি পরিবহন নির্ধারিত ৭০ টাকা ভাড়ার স্থলে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা আদায় করছে যাত্রীপ্রতি। শিমুলিয়া ফেরীঘাটে যানবাহনের তেমন কোন চাপ না থাকলেও কাঠালবাড়ি ঘাটে ঢাকামুখি যানবাহন রয়েছে প্রচুর চাপ। বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্বা ও ট্রাফিক ব্যাবস্থাপনা বিভাগের শিমুলিয়া ঘাটের টিআই সোলাইমান হোসেন জানান যাত্রীর চাপ সামাল দেওয়ার জন্য এ রুটে ৮৭টি লঞ্চ চলাচল করছে লঞ্চগুলো যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ওপারে চলে যাচ্ছে। তবে লঞ্চগুলো ওভারলোড হচ্ছে কাঠালবাড়ি থেকে সেখানেও টিআই আছে, আছে বিভিন্ন প্রশাসনিক লোকজন তারাই দেখে ওভার লোডের ব্যাপার টা, আমার এখানে কিছু করার নেই। এ দিকে বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম খন্দকার শাহ খালিদ নেওয়াজ জানান বর্তমানে ২টি রোরো, ৬টি কে-টাইপ, ৫টি ড্রাম, ৩টি মিডিয়াম ও ১টি ছোট ফেরিসহ মোট ১৭টি ফেরি আমরা চালাচ্ছিলাম কিন্তু চ্যানেলে পানি কম ও তিব্র ¯্রােত থাকায় ২টি ড্রাম ফেরির তার ছিড়ে গেছে এবং ক্যামেলিয়া ফেরিটি যানবাহনসহ আটকা পরে আছে যা এখনো উদ্বার করতে পারিনি। তবে নদীতে জোয়ার এলে এ আটকে পরা ফেরিটি ঘাটে পৌঁছাতে পাড়বে। তবে ভাটার কারনে ৩টি ড্রাম ফেরি বন্ধ রাখতে হবে। তিনি এসময়ে আরো বলেন বিআইডব্লিউটিএ ডেজিংকরে কি কাটে আমি বুঝিনা, যে খানে ১ ঘন্টায় ফেরি কাঠালবাড়ি যেতে পারে সে খানে অপডাউন করতে এ দুটি ফেরিকে ৮ ঘন্টা সময় বেশি ব্যায় করতে হয়। এতে করে যাত্রীরা ক্ষেপে যায়। আর ঐ পালেরচরের চ্যানেল দিয়ে শুধু মাত্র রোরো ফেরি দুটি চলাচল করতে পারে, অন্য ফেরি চলাচল করতে পারেনা। তাই বর্তমানে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে, জোয়ার এলে বাকীগুলো চলতে পারবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ