ঢাকা, মঙ্গলবার 28 August 2018, ১৩ ভাদ্র ১৪২৫, ১৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পোশাক খাতের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও খারাপ

স্টাফ রিপোর্টার : দেশের প্রধান রপ্তানি আয়ের উৎস পোশাক খাতের শ্রমিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ( আইন) বেগম মোরশেদা হাই।
গতকাল সোমবার রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে গার্মেন্টস সেক্টরে লিঙ্গভিত্তিক হয়রানি বিষয়ক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিস (ব্লাস্ট), ব্র্যাক, খ্রিস্টান এইড, নারীপক্ষ এবং এসএনভি এর উদ্যোগে এই সেমিনার আয়োজন করা হয়।
 সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন খ্রিস্টান এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাকিব নবী,  বাংলাদেশ এসএনভি নেদারল্যান্ডস ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর জেসন বেলানগর, ডেভলপমেন্ট অব ইন্সপেকশন ফর ফ্যাক্টরিস এন্ড এস্টাবলিশমেন্ট’র যৌথ পরিদর্শক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নারী পক্ষেও প্রকল্প পরিচালক রওশন আরা প্রমুখ।
 মোরশেদা হাই বলেন, গার্মেন্টস সেক্টরে নারী শ্রমিকদের উপযোগী পরিবেশ  তৈরির জন্য সরকার কাজ করছে। অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে তাদের পুরোপুরি হয়রানিমুক্ত করতে হলে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।
শিশুশ্রম বন্ধ, শিল্প সেক্টরের কর্মপরিবেশ উন্নয়ন, ডে কেয়ার এবং মাতৃত্বকালীন সুবিধাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান মোরশেদা হাই। সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কারখানায় ৪ হাজার ২২৪ ডে কেয়ার স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,শ্রমিকদের বেশি বেশি কাজের চাপ দিলেই উৎপাদন বাড়বে এমন চিন্তা ভাবনা থেকে মালিকদের বেরিয়ে আসা উচিৎ। কারণ অতিরিক্ত চাপের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায় না। এছাড়াও নারীদের কর্মপরিবেশ তৈরির জন্য পরিবহন ব্যবস্থা, অভিযোগ ব্যবস্থা সহজীকরণ এবং মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮৭ শতাংশ নারী শ্রমিকের বয়স ১৮ থেকে ৩০ এর মধ্যে। এদের বেশিরভাগই হয়রানির শিকার হয় তাদের দায়িত্বে থাকা পুরুষ সুপারভাইজার দ্বারা। তাদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের অভিযোগ করতে ভয় পায় অনেক নারী শ্রমিক। তাদের সংখ্যাও ১১ শতাংশের উপরে।
কর্মস্থলে যে কোনো ধরনের হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি নি¤œ থেকে উচ্চ পদে কাজ করার জন্য উদ্যোমী হতে হবে নারীদের। তাহলে পুরুষের দ্বারা যৌন হয়রানির আর কোনো সুযোগ থাকবে না বলে মত দেন আলোচকরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ