ঢাকা, মঙ্গলবার 28 August 2018, ১৩ ভাদ্র ১৪২৫, ১৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

৩৬তম বিসিএস ক্যাডার সংবর্ধনা ও পাবনাইয়া গেট টুগেদার

পাবনা: ৩৬তম বিসিএস ক্যাডার সংবর্ধনা ও পাবনাইয়া গেট টুগেদারের একটি দৃশ্য

পাবনা সংবাদদাতা: অত্যন্ত আনন্দঘন সময়কে অতিক্রম করে পাবনায়, সারা দেশের স্ব-নামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৬তম বিসিএস এ গেজেট ভুক্ত শিক্ষার্থীদের  মোট ৫২ জনকে নিয়ে এই গেট টুগেদার অনুষ্ঠিত হয় গত ২৪ আগস্ট শুক্রবার সকাল ১০টায় পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ অডিটরিয়ামে। অনুষ্ঠানে গিয়ে জানা যায় পাবনা থেকে এবার ৩৬তম বিসিএস এ সর্বমোট ৫২ জনের মধ্যে ৪৭ জন ক্যাডার ও ৫ জন নন ক্যাডারভুক্ত হন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন। সম্মানিত অতিথিবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন ও পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাসান শাহীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি বলেন ৩৬তম বিসিএস এ পাবনার বিসিএস ক্যাডার ৫২ জন এটা বিশাল ব্যাপার। তারা শুধু রাজনৈতিকভাবেই নয় প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও নেতৃত্ব দেবেন সারাদেশের বিভিন্ন জেলায়। তিনি আরও বলেন আমরা রোজার ঈদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্ত ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দের পাবনার বিভিন্ন জায়গায় ইফতার পার্টি করতে দেখেছি। তা আপনারাও করার চেষ্টা করবেন। এতে করে আমরা বুঝতে পারি পাবনায় কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কতজন উপস্থিত রয়েছেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনার সুযোগ্য জেলা প্রশাসক বলেন পাবনার ঐতিহ্য ও ইতিহাস অন্যান্য জেলার চেয়ে অনেক বেশী। তা ছড়িয়ে দিতে হবে সারা দেশের মানুষের মধ্যে আপনাদের কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে। সকল আন্দোলনেই পাবনার অবদান প্রচুর যা ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে। এ জেলায় অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা আছেন যেমন রফিকুল ইসলাম বকুলসহ অনেকে এবং বুদ্ধিজীবি ও শিক্ষাবিদের কথায় নাম উঠে আসে ডা. ফজলে রাব্বি ও রণেশ মৈত্রের কথা। তিনি ক্যাডারদের দিকে লক্ষ্য রেখে বলেন তোমরা যে জেলাতেই কর্মরত থাকনা কেন, তোমরা যদি তোমাদের চাকুরি জীবনে ভাল সার্ভিস দাও তবে সেই জেলার মানুষ পাবনা জেলার সুনাম গাবে নিজেদের মধ্যে। অনুষ্ঠানে আহবায়ক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মাস্টার্সের শিক্ষার্থী বিপ্লব হুসাইন। ছাত্ররা তাদের নিজস্ব আলোচনার মধ্যে জানান তারা পাবনাইয়া ভাষার একটি রিসার্স সেন্টার খুলবেন। পাবনা ঐতিহ্য নিয়ে একটি বই লিখবেন। ইতিমধ্যে তারা পাবনার ভাষার প্রচার প্রচারণার জন্য একটি গ্রুপ খুলেছে যেটা ছিল পাবনার আঞ্চলিক ভাষার গ্রুপ। এই গ্রুপের একটি বিশেষ দিক হলো যদি কারো রক্তের প্রয়োজন হয় তবে গ্রুপটিতে একটি পোষ্ট দেওয়ার আধাঘন্টার মধ্যেই রক্তের সন্ধান পাওয়া যায়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য শেষে ৩৬তম বিসিএস ক্যাডারবৃন্দদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন পাবনা-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক মহোদয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ