ঢাকা, মঙ্গলবার 28 August 2018, ১৩ ভাদ্র ১৪২৫, ১৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আ’লীগের ডজনখানেক মনোনয়ন প্রত্যাশী সুবিধাজনক অবস্থানে বিএনপি

শাহজাহান তাড়াশ সিরাজগঞ্জ থেকে : সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনে জনসমর্থনের দিক থেকে আওয়ামী লীগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। ১৯৯১ সাল থেকে মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকারের আগ পর্যন্ত এ আসনে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। আগামী নির্বাচনেও বিএনপি অনায়াসেই জিততে চায় এখানে; কিন্তু বিএনপির ভোট ব্যাংক ভাঙতে তৎপর আওয়ামী লীগ। ২০০৯ সালের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে নানামুখী উন্নয়ন করেছে, একই সাথে দমন-পীড়নে বিএনপির কর্মীরা মাঠ ছাড়া থাকায় আওয়ামী লীগ এখন শক্তিশালী। কিন্তু আগামী নির্বাচনে এখানে আওয়ামী লীগের ডজন খানেক মনোনয়নপ্রত্যাশী হওয়ায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি।
রায়গঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভা, ৯টি ইউনিয়ন ও তাড়াশ উপজেলার আটটি ইউনিয়ন নিয়ে রায়গঞ্জ-তাড়াশ আসনটি গঠিত। এ আসনের ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৬২ হাজার ৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৮০ হাজার ৮৭১ এবং মহিলা এক লাখ ৮১ হাজার ১৬০ জন।
১৯৯১ সালের নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইসহাক হোসেন তালুকদারকে হারিয়ে বিএনপির প্রার্থী আবদুল মান্নান তালুকদার এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির একতরফা নির্বাচনে আবার এমপি নির্বাচিত হন বিএনপির আবদুল মান্নান তালুকদার। এরপর একই বছরের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইসহাক হোসেন তালুকদারকে পরাজিত করে আবারো এমপি নির্বাচিত হন বিএনপির মান্নান তালুকদার। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ নাসিমকে পরাজিত করে বিএনপির প্রার্থী আবদুল মান্নান তালুকদার টানা চতুর্থবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৯ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আবদুল মান্নান তালুকদারকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের ইসহাক হোসেন তালুকদার। তারপর ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের ইসহাক হোসেন তালুকদার নির্বাচিত হন। এমপি থাকাকালে ২০১৪ সালের ৬ অক্টোবর ইসহাক তালুকদার ইন্তেকাল করলে উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন এমপি নির্বাচিত হন।
সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে কোন্দল দৃশ্যমান। অন্তর্দ্বন্দ্বের জের হিসেবে তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হকের ওপর  হামলা হয়। এই ঘটনার জন্য বর্তমান এমপি আমজাদ হোসেন মিলনকে দোষারোপ করা হলেও ঘটনায় সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেন এমপি আমজাদ হোসেন মিলন। আগামী নির্বাচনে বর্তমান এমপি গাজী ম ম আমজাদ হোসেন মিলন আবারো মনোনয়ন প্রত্যাশী। এমপি হওয়ার পর আমজাদ হোসেন মিলনকে নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও দলকে শক্ত অবস্থানে উন্নীত করতে তার ভূমিকা অস্বীকার করা যাবে না বলে জানান নেতাকর্মীরা। আগামী নির্বাচনে তিনিই বিএনপির আবদুল মান্নান তালুকদারের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন বলে জানান সাধারণ ভোটারেরা। আমজাদ হোসেন মিলন এমপি বলেন, রায়গঞ্জ-তাড়াশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দেবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ দিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার জন্য জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন দলের নেতা শিল্পপতি লুৎফর রহমান দিলু। এলাকায় পরিচ্ছন্ন ইমেজ রয়েছে তার। ২০০১ সালের পর থেকে তিনি রায়গঞ্জ-তাড়াশ এলাকায় দলের নেতাকর্মীদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন এবং এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছেন। গরিবদের চিকিৎসাসেবা, কন্যাদায়গ্রস্ত অভিভাবকদের মেয়ের বিয়েতে সহায়তাদান, দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য, অসচ্ছল দলীয় কর্মীদের দেখভাল তিনি করে থাকেন। এ আসনের তাড়াশ উপজেলার ভোটারের চেয়ে রায়গঞ্জ উপজেলার ভোটার প্রায় দ্বিগুণ। এখানে জিততে হলে রায়গঞ্জ এলাকার প্রার্থীকেই বেছে নেবে ভোটারেরা। সেদিক থেকে রায়গঞ্জের ধুবিল ইউনিয়নের অধিবাসী লুৎফর রহমান দিলুর মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে জানান তার অনুসারীরা।
এই আসনের আরেক মনোনয়ন  প্রত্যাশী রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ নেতা স্বপন কুমার রায়। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্ক থাকায় তিনি মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলে জানান তার ভক্তরা। স্বপন কুমার রায় বলেন, ‘যারা মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টা করছেন তাদের মধ্যে আমি সিনিয়র। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই আসনে আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন মনোনয়ন দেয়ার জন্য।’
কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাকাওয়াত হোসেন সুইট এ আসনে আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী। রায়গঞ্জ উপজেলার উত্তরাঞ্চলের ব্রহ্মগাছা ইউনিয়নের অধিবাসী তিনি। এলাকায় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোযোগ রয়েছে তার। তিনি পোস্টার প্যানা ফেসবুকের মাধ্যমে গণসংযোগ করে চলেছেন। এই আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিজয় চাইলে তাকে মনোনয়ন দিতে হবে বলে জানান সাকাওয়াত হোসেন সুইট।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সম্প্রীতি মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ হৃদয় এই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। এলাকার বেশির ভাগ নেতাকর্মী তার সাথে কাজ করছেন। আবুল কালাম আজাদ হৃদয়কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত হিসেবে জানে এলাকার মানুষ। এ কারণে তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে জানান তার ভক্তরা।
অপর দিকে এই আসনে তিনবারের নির্বাচিত সাবেক এমপি মরহুম ইসহাক হোসেন তালুকদারের ছেলে অ্যাডভোকেট ইমরুল হাসান ইমন তালুকদার মনোনয়নের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পিতার ইমেজ কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী এলাকায় জনগণের মধ্যে চষে বেড়াচ্ছেন ইমন। দীর্ঘ দিন বাবার নির্বাচন এবং রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকা- পরিচালনা করার সুবাদে নির্বাচনী এলাকার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে তার পরিচিতি। এ কারণে তিনি সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।
অপর দিকে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহসভাপতি ও রায়গঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক আবদুল হালিম খান দুলাল এই আসনে মনোনয়নের জন্য জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে জোর লবিং চালাচ্ছেন। একই সাথে নেতাকর্মীদের মাধ্যমে তিনি ঈদসহ বিভিন্ন উপলক্ষে গরিবদের মধ্যে শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করে জনগণের মনোযোগ আর্কষণের চেষ্টা করছেন। তিনি সাংস্কৃতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। আবদুল হালিম খান দুলাল বলেন, ‘আমি নিজের স্বার্থে রাজনীতি করি না। নিজের পয়সা খরচ করে মানুষের সেবা করার চেষ্টা করি।’
তাড়াশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হক এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। এই আসনের তৃণমূল রাজনীতির সাথে জড়িত তিনি। তাড়াশ-রায়গঞ্জের নেতাকর্মীরা তার সাথে আছেন বলে দাবি তার। দলের হাইকমান্ডের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। এ ছাড়া এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইতে পারেন পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান ড. হোসেন মনসুর এবং শিশু বিশেষজ্ঞ ডা: আবদুল আজিজ।
অপর দিকে রায়গঞ্জ-তাড়াশ আসনে ১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা চারবার নির্বাচিত সাবেক এমপি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল মান্নান তালুকদার আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হয়ে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে রায়গঞ্জ ও তাড়াশের বেশির ভাগ এলাকায় রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ ও রাস্তা পাকাকরণ এবং মসজিদ, মন্দির, স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার ভবনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। আবদুল মান্নান তালুকদার রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ইউনিয়নসহ আশপাশ এলাকার ল্যান্ডলর্ড হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসী সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা পেয়ে থাকেন তার কাছে। যে কারণে ওই এলাকার লোকজন তার একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে নির্বাচনে তাকে ভোট দিয়ে থাকেন। ইতোমধ্যে তিনি এলাকার নেতাকর্মী ও অনুসারীসহ সবাইকে নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেছেন। তিনি এলাকার বিয়ে-শাদিসহ নানা ধরনের সামাজিক কর্মকা-ে অংশ নিয়ে থাকেন। চলনবিল অধ্যুষিত রায়গঞ্জ-তাড়াশের কৃষিপ্রধান এলাকার কৃষকদের সাথে রয়েছে তার নিবিড় সম্পর্ক। বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে হামলা-মামলার শিকার নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পাশে থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। যার কারণে রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মীরা তার পাশে রয়েছেন। রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামছুল ইসলাম বলেন, ‘মান্নান তালুকদারের বিকল্প এখনো কেউ গড়ে ওঠেনি। হাটেবাজারে গেলে পাবলিক মান্নান তালুকদারের খোঁজখবর নিয়ে থাকেন আমাদের কাছে।’ এ কারণে তাকে মনোনয়ন দানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এখানকার বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা। অপর দিকে এই আসনে আওয়ামী লীগও আবদুল মান্নান তালুকদারকেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মনে করে। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আওয়ামী লীগ একজন শক্তিশালী দলীয় প্রার্থী খোঁজ করছেন। তাড়াশ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী জানান, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আবদুল মান্নান তালুকদার বিজয়ের শতভাগ সম্ভাবনা রয়েছে।
এই আসনে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য তৎপর রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিশির। ছাত্রমৈত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সাবেক সদস্য ছিলেন সাইফুল ইসলাম শিশির। সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাটে গণস্বাস্থ্য গ্রামীণ টেক্সটাইল মিলস, সদর উপজেলার চন্ডিদাসগাঁতিতে রিভারভিউ আইডিয়াল কলেজ ও বহুলীতে প্রীতিলতা উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়ন পেতে তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা জানান ছাত্র নেতা সাইফুল ইসলাম শিশির  তরুণ এবং কর্মঠ ইতিমধ্যে তাড়াশ রায়গঞ্জ সলঙ্গার মানুষের সাথে শিশিরের সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে চোখে পড়ার মত। যেকোন অনুষ্ঠানেই তাকে দেখা যাচ্ছে।
এলাকায় সার্বক্ষণিক আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে জেল জুলুম হামলা মামলা উপেক্ষা  করেও মাঠে রয়েছেন বীরেরমত। তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সরদার আঃ জব্বার বলেন সাবেক এমপি আলহাজ্ব  আব্দুল মাান্নান তালুকদার  একজন সৎ নিষ্ঠাবান ব্যাক্তিত্ব বটে। তবে তিনি এখন বঃয়বৃদ্ধ একা নড়াচড়া করা তার পক্ষে মোটেও সম্ভব নয়। তাছাড়া তিনি ভাল করে কথাবার্তাও বলতে পারেন না এহেন পরিস্থিতিতে সাহসি সৈনিক শিশিরকে মনোনয়ন দিলে এলাকায় উন্নয়ন হবে। 
অন্য দিকে সাইফুল ইসলাম শিশির জানান, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে আমার ভূমিকা ছিল  উল্লেখযোগ্য।  আন্দোলনের সময় সেন্ট্রাল বিএনপির পক্ষ থেকে ঢাকার মিরপুর ও সাভার এলাকায় দায়িত্ব দেয়া হয় আমাকে। সেখানে ভূমিকা রাখার জন্য আমার নামে সাতটি মামলা দেয়া হয়। তা ছাড়া সব সময় তাড়াশ-রায়গঞ্জের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম এখনো আছি, ভবিষ্যতেও থাকব। তিনি আরো বলেন, মনোনয়ন পেলে আমি অবশ্যই সফল হবো।
এ ছাড়া রায়গঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদল সভাপতি আয়নুল হক এবং তাড়াশ উপজেলা বিএনপি সভাপতি খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর মনোনয়ন চাইবেন বলে নেতাকর্মীরা জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ