ঢাকা, মঙ্গলবার 28 August 2018, ১৩ ভাদ্র ১৪২৫, ১৬ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

খুলনায় র‌্যাবের তিন ভুয়া ক্যাপ্টেন গ্রেফতার

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীতে র‌্যাবের ভুয়া ক্যাপ্টেন পরিচয়দানকারী তিন চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে র‌্যাব পরিচয়ে দাবিকৃত চাঁদা বাবদ ১০ হাজার টাকা এবং ৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে নগরীর স্টেশন রোড এলাকায় র‌্যাব-৬’র সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে-নগরীর নিউমার্কেট টেক্সটাইল মিলের পাশে ফিরোজের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত চান্দু শেখের ছেলে মো. নাসিম শেখ (২৪), একই বাড়ির ভাড়াটিয়া ও রূপসার নন্দনপুর গ্রামের মো. খালেক সরদারের ছেলে মো. মনিরুল সরদার (৪০) ও ১৭/১৯, মিস্ত্রিপাড়া, খালপাড় রোডস্থ কবির ফরেস্টারের বাড়ির ভাড়াটিয়া মৃত আব্দুল লতিফ মৃধার ছেলে মো. সামসুর রহমান (৪৮)।
র‌্যাবের সূত্র জানান, খুলনা মহানগরের খুলনা থানাধীন ১নং স্টেশন রোড, সুইপারপট্টির প্লাস্টিকের খালি বোতল বিক্রির দোকানের মালিক নাদিম খান বাবুর কাছে কতিপয় ব্যক্তি নিজেদেরকে র‌্যাবের ক্যাপ্টেন ও র‌্যাবের সোর্স পরিচয় দিয়ে চাঁদা আদায় করছে- মর্মে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬’র একটি দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. এনায়েত হোসেন মান্নানের নেতৃতে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় তাদের গ্রেফতার এবং ৬ বোতল ফেন্সিডিল এবং আদায়কৃত চাঁদা ১০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাব-৬’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. এনায়েত হোসেন মান্নান জানান, গ্রেফতারকৃতরা র‌্যাব-৬ এর অফিসার ও সোর্সের পরিচয় দিয়ে মো. নাদিম খান বাবুর (৩২) কাছে প্রায় সময় চাঁদা দাবি করে। গত ১৬ আগস্ট বিষয়টি নাদিম খান বাবু র‌্যাব-৬ খুলনাকে অবগত করলে চাঁদা দেয়ার পূর্বে টাকাগুলো ফটোকপি করে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি র‌্যাব-৬ নজরদারী করতে শুরু করে। তারই অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে চাঁদা দেয়ার পরে র‌্যাব আদায়কৃত চাঁদার ১০ হাজার টাকাসহ তাদের গ্রেফতার করে। এ সময় জব্দকৃত টাকার সাথে পূর্বের ফটোকপি করা টাকার নম্বরের সাথে মিলিয়ে দেখা হয় এবং হুবহু মিল পাওয়া যায়। এছাড়া উক্ত আসামিদের প্রত্যেকের প্যান্টের পকেট থেকে ২ বোতল করে ফেন্সিডিল ৩ জন আসামীর নিকট মোট ৬ বোতল ফেন্সিডিল পাওয়া যায়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, নাসিম শেখ নিজেকে র‌্যাবের ক্যাপ্টেন রহিম পরিচয় দেয় এবং মনিরুল ও সামসু র‌্যাব-৬ এর সোর্স হিসেবে দাবি করে অবৈধ ব্যবসায় সহযোগিতার নামে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা আদায় করেছে এবং সর্বশেষ ১০ হাজার টাকা আদায় করেছে। তাদের বিরুদ্ধে খুলনা থানায় দ-বিধি ও মাদকদ্রব্য আইনে পৃথক ২টি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ