ঢাকা, বুধবার 29 August 2018, ১৪ ভাদ্র ১৪২৫, ১৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

অতিরিক্ত অর্থ আদায়ে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি

স্টাফ রিপোর্টার : মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশউ কর্মী প্রেরণে সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় ৩৭ হাজার টাকার পরিবর্তে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকা আদায় করছে। এ কারণে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে প্রতারণা বন্ধের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সচেতন নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক তাপস কুমার দাশ। এ সময় সংগঠনের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, তপন রাজবংশী, জালাল খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক ভুক্তভোগী উপস্থিত ছিলেন।
মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, রিক্রুটিং এজেন্ট সিন্ডিকেটের প্রতারণায় পড়ে প্রায় দুই বছরে দেশের হাজার হাজার বেকার যুবক মালয়শিয়ায় পাড়ি দিয়েছে। বর্তমানে তারা চরম অনিশ্চয়তা, অভাব-অনটন আর হতাশার মধ্যে রয়েছে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছিল সেখানে গিয়ে তার কোনো সত্যতা খুঁজে পায়ুনি তারা। এদিকে দেশ থেকে ধার-দেনা করে সন্তানদের বিদেশে পাঠিয়ে বর্তমানে তার দায় বইতে হচ্ছে হতভাগ্য পরিবারগুলোকে। দিন যতই যাচ্ছে ততোই দেনায় জর্জরিত পরিবারে বিরাজ করছে হতাশা আর অনিশ্চয়তা।
তারা বলেন, মালয়েশিয়ায় রিক্রুটিং এজেন্সির দেয়া চাকরিতে বেতন পাওয়া যায় ১৯ হাজার টাকা। যা দিয়ে থাকা-খাওয়ার পর দেশে টাকা পাঠানো যায় না। অথচ এজেন্সিগুলো তাদের মাসে বাংলাদেশি ৪০ থেকে ৫০ হজার টাকা বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছিল।
বক্তারা বলেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের নামে এই ১০ এজেন্সি প্রতারণা করে আসছে। তারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শহরের হাজারো বেকার যুবকের সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের বহিঃবিশ্বে শ্রমবাজার সম্প্রসারিত করার উদ্যোগকে সিন্ডিকেট করে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তাই এই ১০ রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান তারা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ