ঢাকা, বুধবার 29 August 2018, ১৪ ভাদ্র ১৪২৫, ১৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রাষ্ট্রপতির সাথে চ.বি. উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদ-এর সাথে ৮ আগস্ট বিকেল ৩ টায় বঙ্গভবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মহামান্য রাষ্ট্রপতির সচিব, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং বঙ্গভবনের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে সদয় অবহিত করেন।
 উপাচার্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চ শিক্ষা-গবেষণা এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে তাঁর গৃহীত কার্যক্রমের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরে বলেন, তিনি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম মহাকালের মহানায়ক স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর প্রতিকৃতি সম্বলিত বঙ্গবন্ধু চত্বর প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বঙ্গবন্ধু পরিবারের স্মৃতিকে চির অম্লান করে রাখার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, বঙ্গবন্ধু উদ্যান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার মানবতার জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল, শহীদ শেখ কামাল জিমনেসিয়াম, শহীদ শেখ জামাল শিশু পার্ক, শহীদ শেখ রাসেল শিশু পার্ক, শহীদ সুলতানা কামাল শিশু পার্ক, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ভাস্কর্য ‘জয়বাংলা’ প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
তিনি বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে পুঞ্জীভূত সেশনজট নিরসনে বাংলাদেশে প্রথম তাঁর নিজস্ব উদ্ভাবনী চিন্তা থেকে ‘শিক্ষা মনিটরিং সেল’ গঠন এবং এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিগত ৩ বছরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজট বর্তমানে প্রায় শুন্যের কোটায় নেমে আনতে সক্ষম হয়েছি। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত পরিবহন সমস্যা নিরসনে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ সুরক্ষায় বহু প্রতিক্ষিত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় এ বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রথম ইনক্লুসিভ বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়কে মাস্টার প্লানের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি। উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমাবর্তন অনুষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ বছর পূর্তি ‘সুবর্ণ জয়ন্তী’ অনুষ্ঠান আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সম্মানিত হয়েছে। তাছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সম্মানিত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় ও সম্মানিত শিক্ষক-গবেষকদের সাফল্যজনক গবেষণা কর্ম বিশ্বের স্বনামধন্য জার্নালে প্রকাশের স্বীকৃতি স্বরূপ এবং সর্বোপরি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন-অগ্রগতির বিভিন্ন সূচকের প্রক্ষিতে www.webometrics.info/en/Asia/Bangladesh%20 এর জরীপে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে শীর্ষ স্থান (১নম্বর) হওয়ার গৌরব অর্জন করার বিষয়টি উপাচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে সদয় অবহিত করেন।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও এগিয়ে নিতে উপাচার্যকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ