ঢাকা, বুধবার 29 August 2018, ১৪ ভাদ্র ১৪২৫, ১৭ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সাতক্ষীরা নীলিমা ইকো পার্ক আকৃষ্ট করেছে ভ্রমণ পিপাসুদের

আবু সাইদ বিশ্বাস, (সাতক্ষীরা): স্বপ্ন নয়, অথচ স্বপ্নের মতো নির্মল নিরিবিলি এক মায়াবী স্বপ্নময় ভুবন হতে চলেছে  সাতক্ষীরার  কপোতাক্ষ  নদের তীরবর্তি পাটকেলঘাটা নীলিমা ইকো পার্ক।
ঈদুল আযহার টানা ছুটিতে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব মিলে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে যেন ঢল নেমেছে সাতক্ষীরা পাটকেলঘাটা নদের তীরে জেগে উঠা নীলিমা ইকো পার্ক।
কপোতাক্ষ নদের দুধারে জেগে উঠা শত শত একর জমিতে সরকারী উদ্যোগে ২০১৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বর পার্কটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক মোঃ মহিউদ্দীন।
বাংলাদেশের যে ৫টি  উপকূলীয়  জেলায় বনায়ন শীষক প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে পাটকেলঘাটার নীলিমা ইকো পার্ক তার মধ্যে অন্যতম।
চলতি বছরের ১৯ জুলাই নীলিমা ইকো পার্ক স্ট্রীপ বাগানের চারা রোপন করেন বিভাগীয় কমিশনার মো লোকমান হোসেন মিয়া। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহামম্মদ ইফতেখার হোসেন এর সার্বিক ব্যবস্থপনায় আনুষ্ঠানিক ভাবে পার্কটির যাত্রা শুরু হয়। যেন মেঘ না চাইতে বৃষ্টি বলে স্থানীয়রা অবিহিত করেন।
প্রতিদন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য দর্শনার্থী চিত্তবিনোদন  করার জন্য এখানে ছুটে আসেন। বিশেষ করে শীত মৌসুমে জনসমাগম ঘটে বেশি।
পার্কটিতে রয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী কপোতাক্ষ নদ, উদ্যান, বৈচিত্র্যপূর্ণ গাছগাছালি ও ফুলের সমারোহ, শিশুপার্ক, কৃত্রিম পশুপাখি, ফুলবাগিচা, ইটখোলা,  খেলামঞ্চ। কুঞ্জ, ভাস্কর্য, ডাকবাংলো, মাটির কুটির ও পাটকেলঘাটা হাট- বাজার । যেন এক মোহন-মায়াবী স্বপ্নিল ভুবন। কয়েক ভাগে বিভক্ত করা এই স্বপ্নময় জগতের পথ চলতে চলতে দেখা যায়, ঐতিহ্যবাহী পাটকেলঘাটা ব্রিজ,স্বপ্ন ময় নদের দুধার,সারি সারি কলাবাগান,কেওড়া গাছ আর সুজালো সুফলা ধানের ক্ষেত। মাত্র ২০ টাকায় নদে ট্রলার ভ্রমণ দারুন সুযোগ।  যদিও টাকা উঠানো নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ।
নদের তীরে ইকোপার্ক গড়ে উঠলেও নদের পাশের অবৈধ দখলদারিত্ব  পার্কের সৌন্দর্য ম্লান করে চলেছে।
গত ১৯ জুলাই নীলিমা ইকো পার্কে মতবিনিময় সভায় বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া ও সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ইফতেখার হোসেন দৃঢ় চিত্তে বলেছিলেন, কপোতাক্ষ পাড়ের অবৈধ দখলদারদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে বুলডোজার দিয়ে এসকল স্থাপনা নষ্ট করা হবে। কয়েক মাস  অতিবাহত হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ