ঢাকা, বৃহস্পতিবার 30 August 2018, ১৫ ভাদ্র ১৪২৫, ১৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গুগল ফেসবুক টুইটারকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

২৯ আগস্ট, বিবিসি : ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগল, ফেসবুক ও টুইটারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, তাদের খুবই সতর্ক থাকতে হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, গুগল অনেক মানুষের কাছ থেকে অনেক সুবিধা নিয়েছে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর আগে মঙ্গলবার সার্চ ইঞ্জিন গুগলকে এক হাত নিয়েছিলেন ট্রাম্প। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছিলেন, গুগলে ট্রাম্প নিউজ লিখে সার্চ করলে যেসব রেজাল্ট দেখায় সেগুলো শুধু ‘ ফেক নিউজ মিডিয়া’র। অন্যভাবে বলা যায়, তারা আমার ও অন্যদের ক্ষেত্রে সাজানো ফল দেখায়। এর ফলে প্রায় সব স্টোরি ও নিউজই নেতিবাচক। তিনি আরও বলেন, ‘ ফেক সিএনএন’ বিখ্যাত। রিপাবলিকান/কনজারভেটিভ ও নিরপেক্ষ মিডিয়ার পথ রুদ্ধ। ‘ট্রাম্প নিউজ’ লিখলে যেসব রেজাল্ট দেখানো হয় এর ৯৬ শতাংশই বামপন্থী মিডিয়ার। এটা খুবই বিপদজনক। গুগল এবং অন্যরা কনজারভেটিভদের কণ্ঠ রোধ করছে। তারা ভালো তথ্য ও সংবাদ গোপন করছে। আমরা কী দেখতে পারবো আর কী দেখতে পারবো না; সেটা তারা নিয়ন্ত্রণ করছে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর অবস্থা। জবাবে গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা কোনোরকম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোনও কাজ করছে না। আর কোনোরকম রাজনৈতিক মতাদর্শে তারা পক্ষপাতদুষ্ট নয়। এরপর ফেসবুক ও টুইটারের ওপরও চড়াও হন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তাদের সাবধান থাকা উচিত। কারণ জনগণের সঙ্গে আপনারা এমন করতে পারেন না। আমাদের কাছে আক্ষরিক অর্থেই হাজার হাজার অভিযোগ আসছে।তবে এই ইন্টারনেট ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে সেই সম্পর্কে কোনও আভাস দেননি তিনি। ট্ইুটার ও ফেসবুক থেকে এখনও সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি।গুগলের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে ট্রাম্পের শীর্ষ অর্থনৈতিক পরামর্শক ল্যারি কুডলো বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন খতিয়ে দেখছে যে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্তা নেওয়া হবে কী না। এ বিষয়ে তারা কিছু তদন্ত ও বিশ্লেষণ করবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্পের দাবির তেমন কোনও ভিত্তি নেই। আর তিনি কি ব্যবস্থা নেবেন সেটাও স্পষ্ট নয়। কয়েকজন বলেছেন, সার্চ ইঞ্জিনের ফলাফল পাল্টে দেওয়াটা আইন পরিপন্থী আর এতে করে ইন্টারনেটে গুগলের আধিপত্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। কিংস লন্ডন কলেজের ডিজিটাল টেকনোলজির সিনিয়র প্রভাষক মার্সিডিজ বুনজ বলেন, গুগল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে ফলাফল পরিবর্তন করছে এমন ভাবাটা অস্বাভাবিক। গুগলের অনুসন্ধানের ফলাফল একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক হিসেবে চলে। মূলত নৈকট্য ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে এগুলো সামনে আসে, রাজনৈতিক ভাবাদর্শে নয়। তিনি আরও বলেন, মানুষ যেটা বেশি পড়ছে অনেক সময় সেই লিংকও সামনে চলে আসে

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ