ঢাকা, বৃহস্পতিবার 30 August 2018, ১৫ ভাদ্র ১৪২৫, ১৮ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে নেপাল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আজ

সংগ্রাম ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   বে অব   বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টিসেক্টরাল   টেকনিক্যাল এন্ড ইকোনমিক   কো-অপারেশনের (বিমসটেক)-এর চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে   যোগ দিতে দু’দিনের সরকারি সফরে আজ বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।
কাঠমান্ডুর   হোটেল   সোয়ালটি ক্রাউন প্লাজায় আগামীকাল বিকেলে সাতটি   দেশের আঞ্চলিক এই   জোটের   নেতৃবৃন্দকে নিয়ে শীর্ষ সম্মেলন শুরু হবে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার   দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক   জোরদারের মাধ্যমে একটি   সেতুবন্ধ তৈরি করা।
শীর্ষ সম্মেলনে   যোগদানের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র   মোদী,   নেপালের প্রধানমন্ত্রী   কেপি শর্মা ওলি এবং ভুটানের প্রধান উপদেষ্টা (অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান) দাশো   সেরিং ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
আজ সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর   থেকে   নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে।
সেদিনই বিমানটির   নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বর   পোখারেল এবং   নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশরাফি বিনতে শামস বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন।
অভ্যর্থনা পর্ব   শেষে প্রধানমন্ত্রীকে সুসজ্জিত   মোটর   শোভাযাত্রাসহকারে   হোটেল   সোয়ালটি ক্রাউন প্লাজায় নিয়ে যাওয়া হবে।   নেপাল সফরকালে প্রধানমন্ত্রী   সেখানেই অবস্থান করবেন।
সফরের প্রথম দিনই   শেখ হাসিনা   নেপালের প্রধানমন্ত্রী   কেপি শর্মা ওলির সঙ্গে তার রাজপ্রাসাদের বাস ভবনে বৈঠক করবেন। পরে একই স্থানে ভূটানের প্রধান উপদেষ্টা দাশো   সেরিং ওয়াংচুক প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ করবেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য বিমসটেক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বাসভবন শীতল নিবাসে   সেদেশের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা   দেবী ভান্ডারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।   সেখানে   নেপালের রাষ্ট্রপতির   দেয়া মধ্যাহ্ন   ভোজেও অংশ   নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য   নেতৃবৃন্দের সঙ্গে   সোয়ালটি ক্রাউন প্লাজা   হোটেলে অনুষ্ঠেয় ৪র্থ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে   যোগ   দেবেন।
সন্ত্রাসবাদ   মোকাবেলা, আঞ্চলিক   যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজের উন্নয়নের বিষয়ে সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার   দেশগুলোর   নেতৃবৃন্দের অলোচনার মূল বিষবস্তু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, ভুটান ও   নেপালের   নেতৃবৃন্দ সম্মেলনে তাদের তিন বাহিনীর সম্মিলিত সামরিক অনুশীলন এবং একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়েও মতবিনিময় করবেন।
প্রধানমন্ত্রী   শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য   নেতৃবৃন্দ স্থানীয় হায়াৎ রিজেন্সি   হোটেলে তাদের সম্মানে   নেপালের প্রধানমন্ত্রী   কেপি শার্মা ওলী আয়োজিত নৈশভোজেও   যোগ   দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল শুক্রবার অপরাহ্নে   দেশে ফিরবেন।
এই উপ-আঞ্চলিক সংস্থাটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক   ঘোষণার মধ্যদিয়ে গঠিত হয়। এর সদস্য   দেশগুলোর মধ্যে ৫টি দক্ষিণ এশিয়ার। এগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত,   নেপাল, শ্রীলংকা এবং অন্য দুটি   দেশ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ড।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ