ঢাকা, শুক্রবার 31 August 2018, ১৬ ভাদ্র ১৪২৫, ১৯ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চাটখিলে তৃণমূল পুলিশিং সেবা কার্যক্রম শুরু

চাটখিল (নোয়াখালী) সংবাদদাতা: চাটখিল থানা পুলিশের উদ্যোগে তৃণমূল পুলিশিং সেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত বুধবার সকালে চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের সিংবাহুড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমান থানার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ভ্রাম্যমাণ থানার কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে এলাকার বিভিন্ন আইনী সেবা প্রত্যাশীদের তাৎক্ষণি মামলা গ্রহণ,পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রদান, জিডি এন্টি গ্রহণসহ বিভিন্ন সমস্যার এবং শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ গ্রহণও সমাধান করা হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস, ধর্ষণ, জঙ্গীবাদ, ইভটিজিংসহ বিভিন্ন বিষয়ের কুফল সর্ম্পকে দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে স্কুল সভাপতি গাজী মো.বদিউজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চাটখিল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাউল হক পিপিএম। বিশেষ অতিথি ছিলেন নোয়াখলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল মো.সোহাগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার আচার্য্য, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মনির হোসেন বিএসসি, সাংবাদিক আবদুশ শাকুর হান্নান, জিএস ফিরোজ আলম বাবলু।  পরে শিক্ষার্থীদের মাদক, সন্ত্রাস,ধর্ষণ,হত্যা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শপথ গ্রহণ করানো হয়। 

পরকীয়া প্রেমের জের: চাটখিল ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স চাটখিল জোনের এভিপি মঞ্জুর এলাহীকে এক প্রবাসীর স্ত্রীসহ পাশর্^বর্তী রামগঞ্জ উপজেলার আঙ্গারপাড়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। পরে উভয়কে চাটখিলে আনলে স্থানীয় লোকজন গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রবাসী নাজমুল তপদার জানান, তিনি দীর্ঘ ১১ বছর প্রবাসে ছিলেন। প্রবাসে থাকাকালীন সময়ে তিনি স্ত্রী পান্নার কাছে প্রায় ৭৫ লক্ষ টাকাসহ স্বর্ণালংকার পাঠান। এ সময় একই বাড়ির বীমা কর্মী মঞ্জুর এলাহী বীমা করানোর নাম করে তার স্ত্রী পান্নার সাথে সখ্যতা করে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিভিন্ন অজুহাতে পান্নার কাছ থেকে সমস্ত টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়। গত বছর ডিসেম্বরে নাজমুল দেশে আসলে মঞ্জুর এলাহী ৩ সন্তানের জননী পান্না আক্তারকে কৌশলে ঘর থেকে বের করে নিয়ে পাশর্^বর্তী রামগঞ্জ উপজেলার আঙ্গারপাড়া গ্রামে ভাড়া বাসায় লুকিয়ে রাখে। পরবর্তীতে নাজমুল মঞ্জুর এলাহীকে বিবাদী করে চাটখিল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে মঞ্জুর বরাবরই বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিল। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পর নাজমুল রামগঞ্জ থেকে মঞ্জুর এবং পান্না ২ জনকে একত্রে আটক করে নিজ বাড়িতে ধরে নিয়ে আসে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে গণপিটুনি দিয়ে উভয়কে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ ব্যাপারে চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাউল হকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, সবার সম্মতিক্রমে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংশা করার জন্য তিনি অভিযুক্ত ২ জনকে চাটখিল পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ উল্যা পাটোয়ারীর হাতে তুলে দিয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ