ঢাকা, শনিবার 1 September 2018, ১৭ ভাদ্র ১৪২৫, ২০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

গলাকাটা লাশটি চৌগাছার গৃহবধূ সাথীর

চৌগাছা সংবাদদাতা : যশোর সরকারি সিটি কলেজ মসজিদের পাশ থেকে হাত-পা বাঁধা পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার হওয়া লাশটি চৌগাছা উপজেলার নায়ড়া গ্রামের আমজেদ হোসেনের মেয়ে সাথীর বলে দাবি করেছেন তার বাবা। বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর কোতয়ালী থানায় গিয়ে আমজেদ হোসেন লাশের ছবি ও কাপড় দেখে তা তার মেয়ের বলে শনাক্ত করেন।পরিবারটি বলছে, আজ থেকে প্রায় আট বছর আগে সাথীকে চাঁদপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। তাদের ছয় বছরের এহসান নামে একটি ছেলে রয়েছে।স্বামী গোলাম মোস্তফা জানান, গত ১৪ জুলাই তার অনুপস্থিতিতে সাথী তার শাশুড়িকে বলেন, ‘আমি একটু জরুরি কাজে বাপের বাড়ি যাচ্ছি। ছেলে থাকলো। আমি বিকেলেই ফিরে আসবো।’ ‘কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত সে ফিরে না আসায় আমি শ্বশুরবাড়ি যোগাযোগ করে জানতে পারি সে সেখানে যায়নি। দুই তিন দিন তার কোনো খোঁজ না পেয়ে আমি চৌগাছা থানায় একটি জিডি করি। সেই থেকে তার কোনো খোঁজ-খবর আমরা পাইনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানায়, যশোর সিটি কলেজের মসজিদের পাশ থেকে যে লাশটি উদ্ধার হয়েছে সেটি সাথীর,’ বলছিলেন মোস্তফা।এব্যাপারে জানার জন্য চৌগাছা থানার সেল নাম্বারে ফোন করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি। পরে বিটিসিএলের টেলিফোন নম্বরে রিং করলে ডিউটি অফিসার এএসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।এদিকে, কোতয়ালী থানার এসআই আসাদুজ্জামান নিহতের বাবা আমজাদ হোসেনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, এক মাস ১৭ দিন আগে সাথী স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা হন। এরপর থেকে তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।নিহত সাথীর স্বামী গোলাম মোস্তফা একজন রডমিস্ত্রি। কারা কী কারণে সাথীকে খুন করেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান এসআই আসাদুজ্জামান।খুনের ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতিও চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ