ঢাকা, শনিবার 1 September 2018, ১৭ ভাদ্র ১৪২৫, ২০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

সোনাতলায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুলছাত্রী

সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতা : বগুড়া সোনাতলায় বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষাপেল ফুলমতি (১৩) নামের এক স্কুল ছাত্রী। সে উপজেলার মোন্ডমালা গ্রামের মোঃ ফুলমিয়ার কন্যা।
জানা গেছে, সোনাতলা সদর ইউনিয়নের মোন্ডমালা গ্রামে গতকাল রাতে ফুল মিয়ার নাবালিকা কন্যা মোছাঃ ফুলমতির সঙ্গে একই উপজেলার বোচারপূর গ্রামের আবু তালেবের পুত্র আবু বকরের বিবাহ দেয়ার প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় খবর পেয়ে সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শফিকুর আলম থানা পুলিশ সঙ্গে নিয়ে বিবাহ বাড়িতে যায় এবং বাল্যবিয়ে দেয়ার অপরাধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে পুলিশ ঐ বিয়ের বাড়ি হতে কনের পিতা ফুল মিয়া, ছেলে আবু বকর সিদ্দিক ও তার পিতা আবু তালেবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরদিন আটককৃতদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত করা হয় এবং ছেলে ও মেয়েকে বিবাহের পূর্ণ বয়স না হওয়া পর্যন্ত ছেলে বা মেয়েকে বিবাহ দিবে না এই মর্মে মুচলিকা লিখে নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

শিক্ষিকার অনশন
বগুড়া সোনাতলায় বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিক্ষক বাড়ি থেকে পলাতক।
জানাযায়, উপজেলার রানীরপাড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে মোঃ রাশেদ  (হড়িখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক) এবং একই গ্রামের মাফুজারের কন্যা মোছা: তানজিলা আক্তার (রানীরপাড়া কেজি স্কুলের সহকারি শিক্ষক) কে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে দির্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক করে আসছিল তারই একপর্যায়ে প্রেমিক রাশেদ তার সম্পর্ককে অস্বিকার করে। এদিকে লোকলজ্জায় সন্মান বাচাতে শিক্ষিকা ঐ প্রেমিক প্রতারক শিক্ষকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করে।
তিনি জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের ফাদে ফেলে আমার জিবন নষ্ট করেছে ঐ প্রতারক শিক্ষক তাই আমাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করা ছারা আমার আর কোন রাস্তানেই। তাই সমাজের একজন অবহেলিত নারীর পাশে দারিয়ে সুষ্ঠু বিচারে আইনের সহায়তা কামনা করছেন ঐ শিক্ষিকা এবং তার সঙ্গে একমত হয়ে স্থানীয় লোকজনেরও একই দাবী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ