ঢাকা, শনিবার 1 September 2018, ১৭ ভাদ্র ১৪২৫, ২০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

রংপুরের গঙ্গাচড়া সাউদপাড়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো

গঙ্গাচড়ায় সাউদপাড়া ইসলামিয়া বহুমুখী আলিম মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাড় হচ্ছে

রংপুর অফিস : রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের সাউদপাড়া ইসলামীয়া বহুমূখী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এখন বাঁশের সাঁকো। 

তিস্তা নদীর ডানতীর রক্ষা বাঁধ থেকে তিস্তা নদী সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত সাউদপাড়া ইসলামীয়া বহুমূখী আলিম মাদ্রাসাটি যাওয়ার একটি মাত্র সড়ক। তিস্তা নদীর অব্যাহত ভাঙনে সে সড়কটিও বন্যার পানির প্রবল স্রোতে ভেঙে গেছে। পানি নিস্কাশনের জন্য সড়কটিতে ছোট একটি কালভার্ট থাকলেও সেটি কোন কাজে আসেনি। কালভার্টের কাছেই সড়কটি ভেঙে এখন খালে পরিনত হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং এলাকাবাসী নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছে। এখন চলাচলে তাদের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। শুধু মাদ্রাসা নয় ঐ এলাকায় বসবাসরত মানুষজন চলাচল ছাড়াও ঐ সড়ক দিয়ে পোস্ট অফিস, কাজী অফিস ও মসজিদ যাতায়াত করতে হয়। গুরুপূর্ণ সড়কটিতে একটি সেতুর অভাবে এলাকাবাসী দুর্ভোগে পড়েছে। ঐ মাদরাসার শিক্ষক আছাদুল হক আনসারী জানান, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেলে পানির প্রবল স্রোত সড়কটিতে এসে আঘাত হানে। পানি বের হওয়ার জন্য কোন ব্যবস্থা না থাকায় সড়ক ভেঙ্গে পানি বের হয়ে যায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তিস্তার ভাঙন রোধে মান সম্পন্ন কাজ না হওয়ায়, এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ এলাকাবাসী বাড়ি-ঘর নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রুকন উজ্জামান জানান, সড়কটিতে একটি পরিমাপ মত সেতু নির্মান করা হলে জন দুর্ভোগ লাঘব হতো। বিগত বর্ষা মৌসুমের পূর্ব থেকে ভাঙন রোধে কাজ করা হলেও। কাজ চলছে ধির গতিতে। গত বছর স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সড়কের ভাঙন এলাকায় মাটি ভরাট করে চলাচলের ব্যবস্থা করলেও এবারে তা পুনরায় ভেঙে গেছে। ইউপি চেয়ারম্যান সোহবার আলী রাজু জানান, সরকার তিস্তার স্থায়ী ভাঙন রোধে কাজ করছে। সাউদপাড়া এলাকায় যে ঠিকাদার কাজ করছে, তিনি ঢিমেতালে কাজ করায় তিস্তার পানি প্রবেশ করে সড়কটি ভেঙে যাচ্ছে। গত বছর নিজ উদ্যোগে সড়কটি সংস্কার করে চলাচলের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু ঠিকাদারের অবহেলায় পুনরায় সড়কটি ভেঙে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ