ঢাকা, শনিবার 1 September 2018, ১৭ ভাদ্র ১৪২৫, ২০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ইভিএম রোধে ইইউ কমিশনে যাবে ফিনল্যান্ড বিএনপি

জামান সরকার, ফিনল্যান্ড থেকে : সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের ‘উদ্দেশ্যে’ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ফিনল্যান্ড বিএনপি। 

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, যে ইভিএম থেকে ইউরোপসহ সমগ্র বিশ্ব মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তা দিয়েই এখন সাজানো ভোটের ষড়যন্ত্র শুরু করেছে ‘দলীয়’ নির্বাচন কমিশন। জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সরকার নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে তাদের প্রযুক্তি নির্ভর কারচুপির অভিপ্রায় বাস্তবায়ন করছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। 

সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ার করে ফিনল্যান্ড বিএনপি বলেছে, “সুগঠিত এবং উন্নত গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায় তা আমরা ইউরোপের দেশগুলোতে দেখছি। তারা নিজেরাই ইভিএমের মতো অগ্রহণযোগ্য ভোটিং পন্থা থেকে সরে এসেছে, সেখানে আমার দেশ সে পথে হাঁটছে।” 

প্রয়োজনে বিষয়টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে নালিশ আকারে উত্থাপন করা হবে বলেও হুমকি এসেছে বেশিরভাগ ফিনিশ নাগরিকের অংশগ্রহণ নির্ভর ফিনল্যান্ড বিএনপির পক্ষ থেকে। 

ফিনল্যান্ড বিএনপি নেতা জামান সরকার ও মবিন মোহাম্মদ ছাড়াও ওই বিবৃতিতে সই করেন মোকলেসুর রহমান চপল, এজাজুল হক ভূঁইয়া রুবেল, বদরুম মনির ফেরদৌস, সামসুল গাজী। 

অন্যদের মধ্যে স্বাক্ষর করেন প্রদীপ কুমার সাহা, মিজানুর রহমান মিঠু, মোস্তাক সরকার, তাপস খান, শাহিন মোহাম্মদ, আলাউদ্দিন আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ, তাজুল ইসলাম, আশরাফ উদ্দিন, নাজমুল হাসান লিটন, রফিকুল ইসলাম, ইব্রাহিম খলিল, সাজ্জাদ মুন্না, মীর সেলিম, সবুজ খান, মনিরুল ইসলাম, আরিফুজ্জামান বাবু, জুয়েল, আজহার খান প্রমুখ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যেখানে এখনও সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশই তৈরি করা যায়নি, সেখানে একের পর এক বিতর্কিত বিষয়কে টেনে এনে সেই পরিবেশকে আরও জটিল রূপ দেওয়া হচ্ছে। 

“আমরা মনে করি, এর পেছনে একক নির্বাচন অনুষ্ঠানের ষড়যন্ত্র রয়েছে। তবে তা প্রতিহত করতে দেশে বিদেশে আমাদের জোর তৎপরতা জারি থাকবে।” 

গত কিছুদিন ধরে নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের জন্য আরপিও সংশোধনের তোড়জোড় শুরু হয়। এছাড়া দেড় লাখ ইভিএম কিনতে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাবও তৈরি করে ইসি। 

অবশ্য তিনশ আসনের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ অর্থ্যাৎ একশটি আসনে ইভিএম ব্যবহারের উদ্যোগের কথা এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের মুখেই শোনা গেছে। আপত্তি এসেছে খোদ একজন নির্বাচন কমিশনারের পক্ষ থেকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ