ঢাকা, শনিবার 1 September 2018, ১৭ ভাদ্র ১৪২৫, ২০ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

তিস্তার অব্যাহত ভাঙনে সুন্দরগঞ্জের ৫ শতাধিক বাড়ীঘর বিলীন

গাইবান্ধা থেকে জোবায়ের আলী : সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তার ভাঁঙ্গন অব্যাহত। গত ১৫দিনের ব্যবধানে পাঁচ শতাধিক পরিবার নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঁঙ্গনের মুখে পড়েছে হাজারও পরিবার। ঈদ আনন্দ হতে বঞ্চিত তিস্তা পারের পরিবারগুলো। গত শনিবার স্থানীয় সাংসদ ব্যারিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী উপজেলার কাপাসিয়া ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর ভাঁঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় এমপির সাথে ছিলেন কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ও চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফুল মিয়া। উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গত ১৫দিন ধরে উপজেলার কাপাসিয়া, চন্ডিপুর , শ্রীপুর, হরিপুর ও বেলকা ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর বিভিন্ন চরে ভাঁঙ্গন দেখা দেয়। দিনের পর দিন ভাঁঙ্গন অব্যাহত থাকায় গত ১৫ দিনের ব্যবধানে উপজেলার লালচামার, উজান বোচাগাড়ি, বাদামের চর, চরচরিতাবাড়ি, বেলকা নবাবগঞ্জ, তালুল বেলকা, বাবু বাজার, চরহরিপুর এলাকায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এছাড়া ভাঁঙ্গনের মুখে রয়েছে হাজারও পরিবার। তিস্তার কড়াল গ্র্যাস থেকে শেষ সম্বল টুকো রক্ষা করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ভাঁঙ্গনের মুখে বসবাসরত পরিবারগুলো। সে কারনে ঈদের আনন্দ কি তা অনুভব করতে পারেনি ওরা।
কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান- ঈদের ২দিন আগ থেকে তীব্র ভাঁঙ্গন দেখা দেওয়ায় ঘরবাড়ি সরানোর কাজে ব্যস্ত থাকায় অনেক পরিবার ঈদ করতে পারেনি। তিনি বলেন ১৫দিনের ব্যবধানে তার ইউনিয়নে কমপক্ষে ৩০০ পরিবার নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে। উপজেলা প্রকল্প ব্যস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান- চেয়ারম্যানের মাধ্যমে নদী ভাঁঙ্গন পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে জেলা প্রশাসকের নিকট পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে বেলকা ইউনিয়নের ভাঁঙ্গন কবলিত ২০০ পরিবারকে ঈদের আগের দিন ২ কেজি করে চাল বিতরন করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ