ঢাকা, সোমবার 3 September 2018, ১৯ ভাদ্র ১৪২৫, ২২ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ক্রিসেন্টে মজুরি আত্মসাতের অভিযোগে টাইম কীপার বরখাস্ত তদন্ত কমিটি গঠন

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীর খালিশপুরস্থ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল ক্রিসেন্ট জুট মিলের জুট বিভাগের শ্রমিকদের মজুরি আত্মসাতের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট বিভাগের টাইম কীপার মো. মিরাজ হোসেন সুমনকে বরাখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন মিল কর্তৃপক্ষ।
তদন্ত কমিটির আহবায়ক মিলের কোয়ালিটি কন্ট্রোলার মো. আরিফুজ্জামান জানান, শনিবার মিরাজ হোসেন সুমনকে চিঠি দিয়ে রোববার হাজির হতে বলা হয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগ জানা যায়, গত ১৪ আগষ্ট মিলের জুট বিভাগের টাইম কীপার মিরাজ হোসেন সুমনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মজুরি প্রদান ও মুজরি আত্মসাতের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করে মিল কর্তৃপক্ষ। মিলের জুট বিভাগে কাঁচা পাট যাচনদার মজুরী পাকা পাট যাচনদারের চেয়ে কম। সুমনের পিতা মো. সরোয়ার হোসেন জুট বিভাগের কাচাঁ পট যাচানদার (শ্রমিক) কিন্তু তাকে পাকা যাচনদারের মজুরী প্রদান করেন সুমন।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সাল থেকে সুমনের পিতার গ্রেডের মজুরী ছাড়াও অতিরিক্ত মজুরী প্রদান করে আসছেন সুমন। এ অভিযোগে মিল কর্তৃপক্ষ গোপনে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পান। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে তার পিতার মজুরী ছাড়াও আরো অনেক ভুয়া বদলী শ্রমিকের হাজিরার মজুরি আত্মসাত করার অভিযোগ ওঠে সুমনের বিরুদ্ধে। এজন তাকে সামিয়ক বরখাস্ত করার পর গত ২০ আগষ্ট শ্রমিকদের ঈদ উৎসব বোনাস ও বকেয়া ৬ সপ্তাহের মজুরী প্রদান করেন জুট বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. কামরুজ্জামান। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শ্রমিকদের মজুরী প্রদান করার পর সেখানে কয়েক লক্ষ টাকা অতিরিক্ত পড়ে থাকে। এসময় কোন শ্রমিক টাকা নিতে না আসায় তিনি মিলের ফান্ডে জমা দিয়ে দেন।
এ ব্যাপারে জুট বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. কামরুজ্জামান জানান, তিনি রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত বোনাস ও মজুরী টাকা প্রদান করার পর প্রায় ৪/৫ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত থাকে। শ্রমিকরা না আসায় তিনি টাকা জমা করে দেন।
এ ঘটনায় কোয়ালিটি কন্ট্রোলার মো. আরিফুজ্জানকে আহবায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন বিদ্যুৎ বিভাগের প্রকৌশলী মো. আল-মামুন ও হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা সাহিদুর রহমান।
মিলের প্রকল্প প্রধান গাজী শাহাদৎ হোসেন বলেন, অভিযুক্ত সুমনের বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিন দেয়া তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ