ঢাকা, মঙ্গলবার 4 September 2018, ২০ ভাদ্র ১৪২৫, ২৩ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

পরিবেশ অধিদপ্তরের শর্ত ভঙ্গ করে খুলনায় চলছে পলিথিন কারখানা

খুলনা অফিস: শর্ত ভঙ্গ করে পলিথিন কারখানা চলছে খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন হাফিজনগর এলাকায়। বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে একাধিকবার পত্র দেয়ার পরও সংশ্লিষ্ট পলিথিন কারখানার মালিক শর্ত ভঙ্গ করেই চলেছেন। এজন্য রোববার আরও একটি কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রটি দেয়া হয় হাফিজনগরের মেসার্স সাদিয়া এন্টারপ্রাইজ এন্ড প্লাষ্টিক কারখানার মালিক মো. মঈন উদ্দিন বরাবরে। যদিও ওই কারখানায় কোন সাইনবোর্ড নেই। বছরখানেক ধরেই কারখানাটি দিন-রাত ২৪ ঘন্টা চলে আসছে সাইনবোর্ডবিহীন। তবে, ঈদ-উল-আযহার আগে স্থানীয় কাউন্সিলর এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে পলিথিন কারখানাটি বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে তিনি ঈদ পর্যন্ত চালানোর অনুরোধ করেন।
পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে দেয়া পত্রে উল্লেখ করা হয়, হাফিজনগরের মেসার্স সাদিয়া এন্টারপ্রাইজ এন্ড প্লাষ্টিক কারখানার পরিবেশগত ছাড়পত্রে পিপি দানা হতে রোল পলিথিন ও সেচ পাইপ প্রস্তুতের অনুমোদন থাকলেও সেখানে শর্ত ভঙ্গ করে পরিত্যক্ত পলিথিন হতে নিম্ন মানের দানা প্রস্তুত করে অন্যত্র বিক্রি করা, দিনে-রাতে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম দ্বারা মানমাত্রার অতিরিক্ত শব্দ (৭০ ডেসিবল) সৃষ্টি করে এলাকায় ব্যাপক শব্দ দূষণ করা, কারখানার পরিত্যক্ত পলিথিন গলানোর সময় তীব্র গন্ধ সৃষ্টি করা এবং আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা দূর্বিষহ করা হচ্ছে। যা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০০২) ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়। এজন্য ওই কারখানার অনুকূলে দেয়া পরিবেশগত ছাড়পত্র বাতিলসহ কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তা পুনরায় লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়। একইসাথে কারখানার সকল কার্যক্রম সকাল ৮টা হতে রাত ৮টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার জন্যও নির্দেশ দেয়া হয়। তা না হলে ওই কারখানার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট টিম কর্তৃক মামলা দায়ের, মালামাল বাজেয়াপ্ত ও জরিমানা আদায়সহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ