ঢাকা, শুক্রবার 21 September 2018, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

শহিদুলের জামিন আবেদনের শুনানিতে বিব্রত হাইকোর্ট বেঞ্চ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:

আইসিটি আইনের মামলায় বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের শুনানিতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্ট বেঞ্চের উভয় বিচারপতি।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য সেটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দেয়।

তবে বিব্রতবোধ করা বিচারপতির নাম এবং কি কারণে তিনি জামিনের আবেদন শুনানিতে বিব্রতবোধ করেছেন সে বিষয়ে কিছু প্রকাশ করেনি হাইকোর্ট বেঞ্চ।

শহিদুল আলমের আইনজীবী ব্যারিস্টার জয়প্রকাশ বড়ুয়া জানান, নিয়ম অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি এখন আবেদনটির শুনানির জন্য একটি নতুন বেঞ্চ গঠন করবেন।

গত ২৯ আগস্ট শহিদুল আলমের জামিন আবেদনের শুনানির জন্য ৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে হাইকোর্ট।

পরে সোমবার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় সময় আবেদন করলে শুনানির জন্য হাইকোর্ট বেঞ্চ আজকের দিন (মঙ্গলবার) ধার্য করেন।

গত ২৮ আগস্ট শহিদুল আলমের আইনজীবী আইনজীবী ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন জামিন আবেদন করেন।

গত ৫ আগস্ট শহিদুল আলমকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। ৬ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে (আইসিটি) তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা হয়। ওই দিনই পুলিশ তাকে আদালতে হাজির করলে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই আদেশ দেন।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় আসামি শহিদুল আলম তার ফেসবুকের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার চালিয়েছেন। এর মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণিকে শ্রুতিনির্ভর (যাচাই-বাছাই ছাড়া কেবল শোনা কথা) মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে উসকানি দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকররূপে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে আরো বলা হয়, আসামি শহিদুল ইসলাম আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নের জন্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ