ঢাকা, বুধবার 5 September 2018, ২১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

১০ বছর পর জেলা সম্মেলন ‘না’ বলল সিলেট যুবলীগ!

সিলেট ব্যুরোঃ কেন্দ্র যুবলীগের সুযোগকে গ্রহণ না করে সিলেট জেলা সম্মেলনকে ‘না’ বলল সিলেট জেলা যুবলীগ। ২০০৩ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে জগদীশ চন্দ্র দাসকে সভাপতি ও আজাদুর রহমান আজাদকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠন করা হয়েছিল তিন বছর মেয়াদি সিলেট জেলা যুবলীগের কমিটি। ২০০৮ সালে ফখর উদ্দিন ও মঈন উদ্দিনের শাসন চলাকালে সিলেট সিটি নির্বাচনের সময় তৎকালীন সভাপতি জগদীশ ও সম্পাদক আজাদ দুজনই দলীয় পদ ছেড়ে প্রার্থী হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব  নেন শামীম আহমদ ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান খন্দকার মহসিন কামরান। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে দুই ভারপ্রাপ্তের কারণে ভারাক্রান্ত হয়েছিল সিলেট জেলা যুবলীগের কমিটি।
এই সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার সম্মেলন আয়োজনের বিষয় আলোচনায় উঠলেও সেটি করতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সম্পাদক। আর একাধিকবার কেন্দ্র থেকে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেয়া হলেও সিলেটের স্থানীয় নেতাদের মতবিরোধের কারণে আলোর মুখ দেখেনি জেলা যুবলীগের কমিটি।
এবারো যুবলীগের ট্রাইবুন্যাল কমিটির সভায় জেলা যুবলীগকে সম্মেলন আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হলেও সেটি করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সোমবার সভায় যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও ট্রাইবুন্যাল কমিটির প্রধান হারুনুর রশীদসহ ট্রাইবুন্যাল কমিটির নেতারা সম্মেলনের নির্দেশ দিলে তারা সম্মেলন করতে পারবেন না বলে জানান।
সভা সূত্রে জানা যায়, যুবলীগের ট্রাইবুন্যাল কমিটির সভায় গত সোমবার সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগের নেতাদের ডাকা হয়। সেখানে দুই ইউনিটকে সম্মেলনের নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু, মহানগর সম্মেলন করতে রাজি হলেও জেলা শাখা সম্মেলন করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ফলে ট্রাইবুন্যাল কমিটির নেতারা জেলা শাখার ব্যপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য দলের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর কাছে হস্তান্তর করেন।
এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও যুবলীগের সিলেট বিভাগীয় ট্রাইবুন্যাল কমিটির আহ্বায়ক এডভোকেট বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, গত সোমবার যুবলীগের ট্রাইবুন্যাল কমিটির সভায় সিলেট জেলা ও মহানগর যুবলীগের নেতাদের ডাকা হয়। সেখানে জেলা যুবলীগকে সম্মেলনের করার জন্য বলা হলেও তারা সেটিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তাই সিলেট জেলার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে বিষয়টি পার্টির চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়েছি। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটিই চূড়ান্ত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ