ঢাকা, বুধবার 5 September 2018, ২১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

আজ আবদুল আলীমের মৃত্যুবার্ষিকী

আজ বুধবার বাংলা লোকসংগীতের অমর কন্ঠশিল্পী আবদুল আলীমের ৪৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আবদুল আলীম ফাউন্ডেশন ঐদিন সকালে ঢাকা বনানীস্থ শিল্পীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন শিল্পীর জীবনের ওপর বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।  এছাড়াও চ্যানেল আই সকাল ৭.৪০ মিনিটে গানে গানে সকাল শুরু অনুষ্ঠান প্রচার করবে। 

আবদুল আলীমের সংক্ষিপ্ত জীবনী : অমর কন্ঠশিল্পী আবদুল আলীম ১৯৩১ সালের ২৭ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি মহকুমার তালিবপুর গ্রামের সুন্দরপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোহাম্মদ ইফসুফ শেখ এবং মাতার নামা খাসা বিবি। আবদুল আলীমের সংগীত জীবন শুরু হয় ছোটবেলা থেকেই। তিনি মুর্শিদাবাদে ওস্তাদ গোলাম আলীর (ওলুমিয়া) শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে কোলকাতায় শেরে বাংলা এ কে ফজলুর হক ও কাজী নজরুল ইসলামের সান্নিধ্যলাভ করেন। শিল্পীর সম্পর্কিত এক চাচা একবার তালিবপুর গ্রামে একটি কলের গান নিয়ে আসেন। সেই বাড়িতে আবদুল আলীম সারাক্ষণ গান শুনে সংগীতের প্রতি আকষ্ট হন। ১৯৪৩ সালে তাঁর দুটি গান রেকর্ড হয়। ১৯৪৮ সালে তিনি বাংলাদেশে আসনে। ১৯৫৬ সালে প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এ কন্ঠ দেন। এপর্যন্ত তাঁর ৫০০টি গান রেকর্ড হয়েছে এবং ১০০টি চলচ্চিত্রে তিনি গান গেয়েছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছায়াছবির মধ্যে-সাতভাই চম্পা, রূপবান, এতটুকু আশা, শীত বিকেল, জোয়ার এলো, সুজন সখী ইত্যাদি। উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে-হলুদিয়া পাখি, রূপালী নদীরে, নাইয়ারে নায়ে বাদাম, সবসখীরে পার করিতে ইত্যাদি। ১৯৬২ সালে র্বামা, ১৯৬৪ সালে রাশিয়া এবং ১৯৬৬ সালে চীন সফর করেন। মাত্র ৪৩ বছর বয়সে ১৯৭৪ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর তিনি ইন্তোকাল করেন। তিনি ১৯৭৭ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৭ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন।  প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ