ঢাকা, বুধবার 5 September 2018, ২১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

চীনা জোটের মালিকানার দিনেও শেয়ারবাজারে পতন

স্টাফ রিপোর্টার: চীনা জোটের মালিকানার দিনেও শেয়ারবাজার পতন থেকে রেহাই পায়নি। আগের কার্যদিবসের ন্যায় উভয় বাজারের সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। অধিকাংশ কোম্পানির দরপতন ঘটেছে। তবে ডিএসইতে কিছুটা বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ২৫ শতাংশ শেয়ার চীনের দুই প্রতিষ্ঠান শেনঝেন ও সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ কনসোর্টিয়ামকে (জোট) আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এদিনেও পতন ঠেকানো গেল না।
গতকাল মঙ্গলবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসই এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন হওয়া মাত্র ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে ২২৮টি প্রতিষ্ঠান। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪২টির দাম।
ডিএসইতে বড় দরপতন হলেও দিনের শুরুতে প্রায় সবকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ে। ফলে লেনদেনের প্রথম ১৫ মিনিটেই ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়। পরে চীনা জোটকে ডিএসইর শেয়ার হস্তান্তরের লক্ষ্যে ডিএসইর পর্ষদ বৈঠকে বসার পর হঠাৎ করেই একের পর এক প্রতিষ্ঠান দর হারাতে থাকে। যা শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুটি মূল্যসূচকের মধ্যে ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৫০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমায় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধন হারিয়েছে ডিএসই। দিনের লেনদেন শেষ ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা। যা আগের কার্যদিবস শেষে ছিল ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা। তবে মূলধন কমলেও বাজারটিতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর ডিএসইতে আজ মোট ৭১৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৭০৭ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার। সে হিসাবে লেনদেন বেড়েছে ৯ কোটি ৯ লাখ টাকা।
টাকার অংকে আজ ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে কেপিসিএলের শেয়ার। এদিন কোম্পানিটির মোট ৬৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কনফিডেন্স সিমেন্টের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৭ কোটি ২০ লাখ টাকার। ২৪ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বিবিএস কেবলস। লেনদেনে এরপর রয়েছে- নাহি অ্যালুমেনিয়াম, আমান ফিড, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন, বিএসসিসিএল, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এবং লংকাবাংলা ফাইন্যান্স।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ৮০ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৩৩৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে আজ ২৪৮টি প্রতিষ্ঠানের মোট ২৬ কোটি ৩১ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ১৬৬টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ