ঢাকা, বুধবার 5 September 2018, ২১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

ভবিষ্যতের স্মার্টফোন কেমন হবে?

আবু হেনা শাহরীয়া: একটা সময় ফিচার ফোনই ছিল মানুষের বিস্ময়। সেগুলো দিয়ে শুধু ফোন কলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা যেতো। তারপরও মানুষের বিস্ময়ের সীমা ছিল না। সেই ফিচার ফোনের যুগ পার হয়ে বর্তমানে আমরা স্মার্টফোন যুগে প্রবেশ করেছি। ধযে কারণে স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, ক্ষেত্রটিতে আর কি এমন পরিবর্তন আসতে পারে? আমরা বর্তমান স্মার্টফোনেই তো সব সুবিধা পাচ্ছি, ভবিষ্যতে কী এমন পরিবর্তন আসবে, যা আমাদের আরও বিস্মিত করবে?  অনেকেই বলছেন, ভবিষ্যতের স্মার্টফান ভাঁজ করে রাখা যাবে।
বিশ্বের নামকরা প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, স্মার্টফোনে এখনও অনেক প্রযুক্তিই আসা বাকি আছে। পাশাপাশি বর্তমানে যেসব ফিচার ফোন প্রচলিত আছে, সেগুলো আরও উন্নত হবে। বাড়বে স্মার্টফোনের ক্ষমতাও। ভবিষ্যতে স্মার্টফোনে যেসব প্রযুক্তি আসবে, তার কিছু ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। এ রকম কয়েকটি বিষয় হলো:
অগমেন্টেড রিয়েলিটি বা এআর। এটি এক ধরনের যান্ত্রিক সেন্স। আমরা আমাদের সেন্স ব্যবহার করে যা অনুধাবন করি, তা একটি কম্পিউটার জেনারেটেড সেন্সরের মাধ্যমে করাই হলো অগমেন্টেড রিয়েলিটি।
ভবিষ্যতে এই কাজটি করবে স্মার্টফোন। ডিভাইসের শব্দ, ভিডিও, গ্রাফিক্স, জিপিএস তথ্য ব্যবহার করে এটা গ্রাহককে জানিয়ে দেবে রিয়েলটাইম তথ্য।
এটা অনেকটা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো কাজ করবে। ধরা যাক, নতুন একটি জায়গায় গেলেন আপনি। সেখানে অগমেন্টেড রিয়েলিটি অ্যাপ্লিকেশন চালু করলেই ক্যামেরা ও জিপিএস ডেটা ব্যবহার করে আপনার স্মার্টফোন জানিয়ে দেবে কোথায় কী আছে।
বিল্ট-ইন প্রজেক্টর দিয়ে বড় স্ক্রিনে সব কাজ করতে পারবেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। একটি স্মার্টফোনের আকৃতি যাই হোক না কেন, সেই ফোনের সব কিছু বড় স্ক্রিনে করা যাবে বিল্ট-ইন প্রজেক্টরের সাহায্যে। ধরা যাক, আপনার ফোনের আকার ৪ ইঞ্চি। কিন্তু এটা দিয়ে আপনি বিশাল প্রজেক্টরে খেলা বা ভিডিও দেখতে পারবেন।
বড় আকারের স্মার্টফোন অনেকেই পছন্দ করেন না। কারণ এটা বহন করাটাই বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যা সমাধানে ভবিষ্যতে আসবে নমনীয় বা অতিমাত্রায় নমনীয় স্ক্রিন। এই সুবিধার আওতায় একজন ব্যবহারকারী তার স্মার্টফোন ভাঁজ করে পকেটে রেখে দিতে পারবেন। আবার প্রয়োজনের সময় ভাঁজ খুলে ব্যবহার করতে পারবেন।
ভবিষ্যতে একজন ব্যবহারকারী নিজের স্মার্টফোনকে কণ্ঠ দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। কমান্ড করার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাজ করবে এটি। ধরা যাক, আপনি নির্দিষ্ট মেসেজ পড়তে চাইছেন। সেক্ষেত্রে মুখ দিয়ে বললেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেসেজটি আপনার সামনে চলে আসবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ