ঢাকা, বৃহস্পতিবার 6 September 2018, ২২ ভাদ্র ১৪২৫, ২৫ জিলহজ্ব ১৪৩৯ হিজরী
Online Edition

শের-এ বাংলা রোড চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প প্রি-একনেকে অনুমোদন

খুলনা অফিস : খুলনাবাসীর প্রাণের দাবি নগরীর শের-এ বাংলা রোড চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প সোমবার প্রি-একনেক কমিটির সভায় অনুমোদনের মিলেছে। এখন কিছু সংশোধনী শেষে চূড়ান্ত অনুমোদনে প্রকল্পটি যাবে একনেকে। জানা গেছে, নগরীর মধ্যে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক শের-এ বাংলা রোড। খুলনা-সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, মংলা, কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ, বটিয়াঘাট, দেবহাটা রুটের সকল যাত্রী এ সড়ক দিয়ে শহরে প্রবেশ ও বাইরে যায়। ফলে এসব যাত্রীদের যাতায়াতে প্রতিদিন অসংখ্য রিকশা, ইজিবাইক ও ভ্যান চলাচলের ভীড়ে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে গল্লামারী ও জিরোপয়েন্ট এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ সরকারি-বেসরকারি অফিস, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকা গড়ে উঠায় শহর সম্প্রসারিত হচ্ছে। আর ওই সম্প্রসারিত অঞ্চলে বসবাসকারীদেরও প্রতিনিয়ত এ সড়ক ব্যবহার করতে হয়। ফলে সড়কটির ব্যস্ততা বহু গুণে বেড়ে যাওয়ায় প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা। এ অবস্থায় সড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণ সময়ের ও খুলনাবাসীর প্রাণের দাবিতে পরিণত  হয়েছে।  অন্যদিকে, ২০১২ সালের ৬ জুলাই তৎকালীন সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেন খুলনায় সফরকালে নগরীর শের-এ বাংলা রোড সরেজমিন পরিদর্শন করেন। তিনি এ সড়কের গুরুত্ব উপলব্ধি ও গণমানুষের দাবির প্রেক্ষিতে ময়লাপোতা থেকে জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত ৪ দশমিক ৫৫ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের প্রতিশ্রুতি দেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর একটি প্রকল্পটি গ্রহণ করে ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ওই প্রকল্পের ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোপোজল (ডিপিপি) ঢাকাস্থ সড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৩২ কোটি ১৮ লাখ টাকা। কিন্তু সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের প্রতিশ্রুতির দুই থেকে তিন বছর পর প্রকল্পের সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় সর্বশেষ গত বছর নবেম্বর মাসে সওজ অধিদপ্তরের অভ্যন্তরীণ যাচাই-বাছাই কমিটির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ডিসেম্বরে ফের ১৬৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নতুন ডিপিপি গঠন করে ঢাকাস্থ সড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে ৪ কিলোমিটার সড়ক ২৫.২ মিটার প্রশস্তকরণ, ভূমি অধিগ্রহণ, ডিভাইডার, পথচারীদের হাটার জন্য ফুটপথ ও পয়ঃনিষ্কাশণের জন্য আরসিসি ড্রেন নির্মাণ ইত্যাদি। এ ব্যাপারে খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তাপসী দাশ জানান, সোমবার প্রি-একনেক কমিটির সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন মিলেছে। এখন একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে কাজ শুরু করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ